প্রস্রাব হলুদ হলে কি খাওয়া উচিত
প্রস্রাব হলুদ হলে কি খাওয়া উচিত এমন খাবার সম্পর্কে জানতে চান অনেকে। কেননা প্রসাবের রং পরিবর্তনের সমস্যায় আমারা অনেকেই পড়ে থাকি। অনেকে তো আবার খুবই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই খুব সাধারণ কারণেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রস্রাবের রং হলুদ হতে পারে।
হঠাৎ করে যদি আপনার প্রস্রাবের রং হলুদ হয় সেক্ষেত্রে কিছু খাবার প্রস্রাবের স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনতে পারে। প্রসাবের রং হলুদ হলে প্রয়োজনীয় কিছু খাবার সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো।
আরো পড়ুনঃ প্রস্রাব হলুদ হলে কি খাওয়া উচিত
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
আপনি যদি আপনার প্রস্রাবের রং পরিবর্তন দেখতে পান সেক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পানি পান করা খুবই জরুরী। কেননা সাধারণ অবস্থায় প্রস্রাবের রং হলুদ হওয়ার পেছনে পানি শূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দায়ী। এজন্য শরীরে পানি শূন্যতা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করুন। আপনি চাইলে স্যালাইন পানি পান করতে পারেন। এ সময় প্রসাবের রং স্বাভাবিক করতে স্যালাইন খুবই উপকারী।
কেননা ওর স্যালাইন শরীরের লবণের চাহিদা পূরণ করে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে বেশ কার্যকর। শরীরের পানি শূন্যতা পূরণে দৈনিক ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান যথেষ্ট,। অনেকের পরিশ্রমের ধরন অনুযায়ী পানি কম বেশি লাগতে পারে। একই সঙ্গে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত পানি পান থেকে বিরত থাকুন।
ডাবের পানি
প্রস্রাবের রং হলুদ হলে কি খাওয়া উচিত এমন খাবারের তালিকায় ডাবের পানি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাধারণত শরীরের পানি শূন্যতা দেখা দিয়ে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কারণে প্রস্রাবের রং হলুদ বর্ণ ধারণ করতে পারে। এ সময় আপনি ডাবের পানি খেলে গারো হলুদ প্রস্রাব স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে।
একই সঙ্গে শরীরের সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। ডাবের পানি কিডনি এবং লিভারের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে কার্যকর। এর ফলে শরীরের ক্ষতিকারক বর্জ্য খুব সহজে প্রসাবের সঙ্গে বের হয়ে যায়। যা প্রস্রাবের রং হলুদ হওয়ার সমস্যা সমাধানে বেশ উপকারী প্রভাব ফেলে।
ফলের রস খুব উপকারী
শারীরিক সুস্থতা বজায় রেখে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন ফলের গুরুত্ব হয়তো আপনার কাছে অজানা নয়। তবে আপনার প্রস্রাবের রং হলুদ হলে এ সময় বেশ কিছু ফলের রস খুব উপকারী। বিশেষ করে তরমুজ, কমলা, নাশপাতি ও আপেলের রস খেতে পারেন। এই সকল ফলের রস প্রস্রাবের রং পরিবর্তনের সমস্যায় শরীরের পানিসূন্যতা দূর করে। এছাড়া এমন ফলে ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহ করে যা কিডনির জন্য খুবই উপকারী। সঠিক উপকারিতা মেলাতে ফলের রসে কোন প্রকার চিনিযুক্ত করবেন না। এক কথায় প্রস্রাব হলুদ হওয়ার সমস্যায় পানিযুক্ত ফল খাওয়া বেশ উপকারি।
যেকোনো তরল স্যুপ
প্রস্রাবের রং হলুদ হলে কি খাওয়া উচিত এমন খাবারের তালিকা যেকোন স্যুপ খেতে পারেন। প্রসাবের যেকোনো সমস্যায় শরীরের পানি শূন্যতা পূরণ একমাত্র সহজ প্রতিকার। প্রস্রাব হলুদ হওয়ার সমস্যায় যেকোন স্যুপ শরীরে পানি শূন্যতা পূরণ করে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে কার্যকর।
এজন্য আপনি চাইলে অল্প তেল মসলায় হালকা লবনযুক্ত চিকেন স্যুপ, ডাল স্যুপ ও সবজি স্যুপ খেতে পারেন। এই স্যুপগুলা শরীরের পানি শূন্যতা রোধ করে ডিহাইড্রেশন কমায়। শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে প্রস্রাব পাতলা এবং স্বাভাবিক করে তুলতে পারে। প্রস্রাবের রং পরিবর্তনে শরীরে পানি শূন্যতা পূরণে ভাতের মাড়ও খাওয়া যেতে পারে।
লেবু পানি
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কাগজি লেবু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রসাবের রং হলুদ হলে সঠিক নিয়মে পরিমাণ মতো লেবু পানি খেলে বেশ উপকার পেতে পারেন। কেননা লেবু পানি পানি শূন্যতা দূর করে প্রস্রাবের রং স্বাভাবিক করতে ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়াও লেবু সাইট্রেট সম্পৃক্ত যা কিডনিতে পাথরের মত সংক্রমনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
অন্যদিকে লেবু শরীরের বিষাক্ত বর্জ্য বের করে দিতে কিডনিকে সহায়তা করে। প্রস্রাবের রং পরিবর্তনে এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সঙ্গে অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়া উপকারী। লেবু পানির সঙ্গে কোন প্রকার চিনি যোগ করবেন না। এমন উপকরণ প্রস্রাবের সমস্যা সহ সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।
প্রস্রাব হলুদ হওয়ার কারণ কি
ব্লগটিতে প্রস্রাব হলুদ হলে কি খাওয়া উচিত এ ব্যাপারে কিছু খাবারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অনেকে প্রস্রাব হলুদ হওয়ার সমস্যায় খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তবে চিকিৎসকদের মতে প্রস্রাব হলুদ হওয়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়। কেননা শরীরের কোন গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রস্রাব হলুদ হলে এর সঙ্গে আরও উপসর্গ দেখা দিবে। মূলত শরীরের বেশ কিছু সাধারণ কারণে প্রসাবের রং হলুদ বর্ণ ধারণ করে। নিচে প্রস্রাব হলুদ হওয়ার কারণ কি? কি কি কারনে প্রস্রাব হলুদ হয় সেগুলো তুলে ধরা হলো।
আরো পড়ুনঃ ক্যালসিয়ামের অভাব হলে কি খাওয়া উচিত।
- শরীরে হঠাৎ করে প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হয়ে হলুদ বর্ণ ধারণ করার সবচেয়ে সাধারণ কারণ পানি শূন্যতা। শরীরের পানিশূন্যতা দেখা দিলে ডিহাইড্রেশন দেখা দেয়। আমাদের শরীরের বিষাক্ত বর্জ্য বেরিয়ে যাওয়ার জন্য শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম বজায় রাখা জরুরী। শরীরের পানি কমে গেলে বিষাক্ত বর্জ্য ঘন হয়। ফলে প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হয়ে হলুদ বর্ণ ধারণ করতে পারে। শরীরের পানি শূন্যতায় প্রসাবের রং পরিবর্তন সহ মুখ শুকিয়ে যাওয়া অতিরিক্ত পানি পিপাসা, প্রসাবের পরিমাণ কমে যাওয়া সঙ্গে মাথা ঘোরা ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
- শরীরে কোন প্রকার সমস্যা দেখা দিলে ওষুধের সম্মুখীন হন অনেকে। আপনি কি জানেন এমন বেশ কিছু ওষুধ রয়েছে যেগুলো প্রস্তাবের রং গারো হলুদ করতে পারে। বিশেষ করে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট, ব্যথা নাশক ঔষধ, নির্দিষ্ট কিছু অ্যান্টিবায়োটিক এবং ক্যান্সারের কেমোথেরাপির ঔষধ প্রস্রাবের রং পরিবর্তনে ভুমিকা রাখতে পারে। তবে এগুলোর মধ্যে ভিটামিন সি এর ওষুধ প্রস্রাবের রং পরিবর্তনের সবচেয়ে অন্যতম। আপনি কোন প্রকার ওষুধ সেবনে প্রস্রাবের রং হলুদ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
- নিত্যদিনের খাদ্য তালিকার কিছু খাবার সাধারণ ভাবে প্রস্রাব হলুদ করতে বেশ কার্যকর। এগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত ভিটামিন বি২ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার প্রস্রাবের রং পরিবর্তন করে। বিশেষ করে মাত্রাতিরিক্ত সাইট্রাস ফল কিউই, স্ট্রবেরি, ব্রকলি, টমেটো, গাজর, মিষ্টি আলু, কমলা ইত্যাদি খেলে প্রস্রাব হলুদ বা কমলা রঙের হতে পারে। অন্যদিকে আপনি যদি অ্যাসপারাগাস খেয়ে থাকেন সেক্ষেত্র প্রসাব হলুদ বা হালকা সবুজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনার প্রস্রাব হলুদ হলে এ ধরনের খাবার কম খান সঙ্গে প্রচুর পানি পান করুন।
- নারীদের গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হওয়া খুবই সাধারণ সমস্যা। কেননা গর্ভাবস্থায় নারীদের পানির চাহিদা বেড়ে যায় ,ফলে পানিশুন্যতায় প্রস্রাব গাড় হলুদ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও নারীদের গর্ভাবস্থায় হরমোন পরিবর্তন হয় যা প্রসাবের রং পরিবর্তন করতে ভূমিকা রাখে। স্বাভাবিকভাবে একজন গর্ভবতী নারী সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে প্রস্রাব করলে রং হলুদ দেখতে পারে। এছাড়াও গর্ভাবস্থায় বাড়তি পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খেয়ে থাকে অনেকে যা প্রস্রাবের রং পরিবর্তনে বেশ কার্যকর।
- লিভারের কোন প্রকার সমস্যায় যেমন লিভার সিরোসিস, জন্ডিস, হেপাটাইটিস ভাইরাল সংক্রমনে প্রসাবের রং গাঢ় হলুদ বা বাদামি হতে পারে। কেননা এ সময় রক্তে বিলিরুবিন তৈরি করে। এর ফলে শরীরের দীর্ঘস্থায়ী কিছু রোগ যেমন অ্যানিমিয়া, মূত্রনালী সংক্রমণ, কিডনিতে পাথর ইত্যাদির সমস্যায় প্রসাবের রং পরিবর্তন হয়ে গারো হলুদ বর্ণ সহ বাদামি এবং লাল রঙের হতে পারে। একই সঙ্গে এমন সমস্যায় অত্যাধিক পরিমাণে ফেনা এবং প্রস্রাবে দুর্গন্ধ লক্ষ অনুভব করতে পারেন। এমন গুরুতর সমস্যায় প্রস্রাবের রং পরিবর্তনের সাথে কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যার লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্বাবনা রয়েছে।
প্রস্রাব লাল হওয়ার কারণ কি
প্রস্রাব হলুদ হলে কি খাওয়া উচিত এবং প্রসাব হলুদ হওয়ার কারণ কি এ ব্যাপারে ব্লগটির উপরে কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রস্রাবের রং হলুদ, বাদামি বা লাল রংয়ের হতে পারে অনেক সময় অনেকের। হলুদ প্রসাব নিয়ে চিন্তিত থাকেন অনেকেই তবে যদি দেখা দেয় লাল রঙের প্রস্রাব সেক্ষেত্রে তো আতকে ওঠা খুবই স্বাভাবিক। অনেকে আবার মনে করেন এমন সমস্যায় প্রস্রাবের সঙ্গে প্রচুর রক্ত বের হয়। স্বাভাবিকভাবে প্রসাবের রং লাল হলে রক্ত বের হওয়া ছাড়াও অন্য কোন কারণে হতে পারে। চলুন ব্লগের এই পর্বে প্রস্রাব লাল হওয়ার কারণ কি সে ব্যাপারে জেনে নিন।
আরো পড়ুনঃ বদহজম হলে কি খাওয়া উচিত? উপযুক্ত খাবার সম্পর্কে জানুন।
- অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করার ফলে প্রস্রাবের রং লাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটা খুবই সাধারণ কারণ কেননা অতিরিক্ত পরিশ্রম বা ব্যায়ামে শরীরে তীব্র পানি শূন্যতা দেখা দেয় যার ফলে এমন রং ধারণ করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাধারণ ভাষায় এই সমস্যাকে হেমাটুরিয়া বলা হয়। এমন সমস্যায় ডিহাইড্রেশনে কিডনি এবং মূত্রাশয়ের উপরে সাময়িক চাপ পরে রক্তক্ষরণ হতে পারে। যার কারণে পেশীর কোষ ভেঙে হিমোগ্লোবিন নির্গত হয়ে প্রস্রাবের রং গার লাল বা বাদামী চায়ের রঙের মতো হতে পারে। বেশিরভাগ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান সহ শারীরিক বিশ্রামে খুব দ্রুত এমন সমস্যার সমাধান সম্ভব।
- শারীরিক কিছু স্বাস্থ্য সমস্যায় ব্যবহৃত নির্দিষ্ট ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায়র ফলে প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হয়ে লাল বর্ণ ধারণ করতে পারে। এর মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম হলো যক্ষ্মার ওষুধ, যা নিয়মিত সেবনে প্রস্রাবের রং লাল বা কমলা রঙের করতে পারে। অন্যদিকে রক্ত পাতালাকারী ওষুধ, ব্যথা নাশক ওষুধ এবং ক্যান্সার প্রতিরোধের ওষুধ সেবনে কয়েকদিন পর পর প্রস্রাবের রং লাল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। কিছু এন্টিবায়োটিক ঔষধ যেমন সিপ্রোফ্লক্সাসিন, মেথাকার্বামল, ক্লোরপ্রোমাজিন প্রস্রাবের রং পরিবর্তন করে।
- দৈনন্দিনের খাদ্য তালিকার নির্দিষ্ঠ কিছু খাবার প্রস্রাবের রং পরিবর্তন করে লাল, বাদামী কিংবা গোলাপি করে তুলতে পারে। বিশেষ করে বিটরুট জাতীয় খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে প্রসাবের রং লাল বা গোলাপি রঙের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অন্যদিকে ড্রাগন ফল, ব্ল্যাকবেরি এবং রুবার্ব জাতীয় ফল খেলেও প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হতে পারে। এ সকল সবজির ও ফলের নিজস্ব প্রাকৃতিক রঙের কারণেই প্রসাবের রং পরিবর্তন হয়ে লাল বা গোলাপি রঙের হয়। বিশেষ করে এমন খাবারে প্রসাবের রং লাল হওয়াটা ক্ষতিকর নয়। স্বাভাবিকভাবে প্রসাবের রং স্বাভাবিক হতে খুব একটা সময় লাগে না।
- প্রস্রাবের রং পরিবর্তনের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা যেমন মূত্রনালী সংক্রমণ সহ কিডনিতে পাথর ভুমিকা রাখে। আপনার কিডনিতে পাথর থাকলে মূত্রাশয়ের রক্তপাত হওয়া স্বাভাবিক যা প্রসাবের রং লালচে বর্ণ করে তুলতে পারে। মুত্রনালীর সংক্রমণ সহ কিডনিতে পাথরের সমস্যায় প্রসাবে রং পরিবর্তনের সঙ্গে অন্যান্য গুরুতর লক্ষণ জড়িত থাকতে পারে। তাছাড়া গুরুতর কিডনির সংক্রম এবং মূত্রনালীতে টিউমার প্রসাবের রং পরিবর্তন করতে বেশ কার্যকর। আপনি গুরুতর এমন লক্ষণ উপলব্ধি করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
উপসংহার। প্রস্রাব হলুদ হলে কি খাওয়া উচিত
প্রস্রাব হলুদ হলে কি খাওয়া উচিত, প্রস্রাব হলুদ হওয়ার কারণ সঙ্গে প্রস্রাব লাল হওয়ার কারন সম্পর্কে ব্লগটিতে কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রসাবের রং পরিবর্তন যদিও সাধারণ সমস্যার ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। যা প্রয়োজনীয় কিছু খাবার সহ বিশ্রামের মাধ্যমে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাধানে আনার সম্ভব হতে পারে। তবে আপনি যদি দীর্ঘস্থায়ী কোন সংক্রমণে প্রস্রাবের রং পরিবর্তন লক্ষ করেন সঙ্গে অন্যান্য উপসর্গ থাকে। এজন্য কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা মাধ্যমে সঠিক কারন নির্ণয় করে যথাযথ ব্যবস্থা নিন।
শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দিতে কিডনি সচল রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য প্রস্রাবের রং পরিবর্তনের পাশাপাশি শারীরিক ক্লান্তি, কোমরের দুই পাশে ব্যথা, তলপেটে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ উপলব্ধি করেন। এ সময় সমস্যাকে আমলে নিয়ে সঠিক ব্যবস্থা নিতে ভুলবেন না। যাইহোক এতক্ষণ প্রস্রাব হলুদ হলে কি খাওয়া উচিত ব্লগটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url