খিঁচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যবস্থা
খিঁচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যবস্থা বলতে বেশ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। খিঁচুনি মূলত স্নায়ুবিক রোগ এজন্য মস্তিষ্কের অতি সংবেদনশীলতা দায়ী। এই রোগের সমস্যাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ভাষায় মৃগীরোগ বলে আখ্যায়িত করা হয়।
খিঁচুনির সমস্যা শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক যে কারো মধ্যে দেখা দিতে পারে। তবে হঠাৎ করে কোন ব্যক্তির মধ্যে খিঁচুনির মত সমস্যা দেখা মেলে। সেক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় ঘরোয়া ভাবে কিছু নিয়মাবলী অনুসরণের মাধ্যমে উপসর্গ গুলিতে উপকারিতা মেলাতে পারেন।
পোস্ট সূচিপত্রঃ খিচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যবস্থা
খিচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসার ব্যবস্থা
খিঁচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে এই ব্লগটির শুরুতে আলোচনা করা হবে। খিঁচুনির সমস্যা মূলত মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের কারণে ঘটে। খিচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা বলতে কিছু সতর্কতার মাধ্যমে হঠাৎ আক্রান্ত ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেতে পারে। একই সংঙ্গে ঘরোয়া কিছু প্রতিকারে এমন সমস্যা নিয়ন্ত্রনে রাখা যেতে পারে। চলুন ব্লগটির শুরুতে হঠাৎ কারো খিচুনি দেখা দিলে ঘরোয়া এবং প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানা যাক।
হঠাৎ খিচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যবস্থা
- হঠাৎ করে আপনি যদি দেখতে পান কোন ব্যক্তির মৃগীর বা যেকন সমস্যার কারণে খিচুনি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিকে যথা সম্ভব নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হঠাৎ খিচুনির প্রবণতায় পড়া ব্যক্তিকে বিছানা, সোফা বা মেঝেতে অর্থাৎ সমতল অবস্থানে নিয়ে শুইয়ে দেওয়া জরুরী।
- আক্রান্ত ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রাথমিক ঘরোয়া চিকিৎসার অন্যতম ব্যবস্থা। এজন্য রোগীকে সমতল স্থানে কাথ করে সুইয়ে দিতে হবে। যাতে করে মুখ থেকে লালা বা ফেনা বেরিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে আক্রান্ত ব্যক্তির মাথার নিচে বালিশ রাখা জরুরী। এ সময় আক্রান্ত ব্যক্তির মাথার নিচে বালিশ না দিতে পারলে কোন কাপড় বা নরম কিছু মাথার নিচে রাখুন।
- হঠাৎ খিচুনিতে আক্রান্ত ব্যক্তির আশপাশের কোন ধারালো বস্তু থাকলে তা অবশ্যই সরিয়ে নিতে হবে। কেননা এ সময় রোগীর মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় বিঘ্ন ঘটার কারনে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। তাই পাশে আগুন, পানি, আসবাবপত্র সহ যে কোন ধারালো বস্তু সরিয়ে ফেলুন।
- আক্রান্ত ব্যক্তির আশপাশে ভিড় করা কোনমতে উচিত নয়। কেননা খিচুনিতে আক্রান্ত ব্যক্তির আশপাশের যাতে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে এমন পরিবেশ তৈরি করুন। এটা আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসে সুবিধা হবে যা খুবই জরুরী ৷ একই সঙ্গে টাইট কাপড় পড়া থাকলে অবশ্যই তা ঢিলেঢালা করে রাখুন। আক্রান্ত ব্যক্তি চশমা বা টাই পড়া থাকলে এগুলো খুলে দিতে হবে।
খিচুনি রোগ নিয়ন্ত্রনে ঘরোয়া চিকিৎসা
- খিচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যবস্থা মূলত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ এবং ঝুকি কমাতে উপকারী। এজন্য খাদ্য তালিকায় অবশ্যই ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রাখার চেষ্টা করুন। খিচুনির মত সমস্যা নিয়ন্ত্রনে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরী।
- আপনার কিংবা আপনার পরিবারের কারো খিচুনির সমস্যা থাকলে অবশ্যই মানসিক চাপ এবং দুশ্চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। এমন সমস্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য ধ্যান এবং স্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন। আপনি যাই করেন না কেন খিচুনির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে মানসিক চাপ এবং দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলা খুবই জরুরী।
- শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি সহ খিচুনির সমস্যায় পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা ঘরোয়া চিকিৎসার অন্তর্ভুক্ত। এজন্য দৈনিক ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমান। রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকা থেকে বিরত থাকুন। শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে ভুলবেন না। খিচুনিতে ডায়রিয়া বা বমির উপদ্রব হলে এ সময় লবণ পানির ঘাটতি পূরণে স্যালাইন খেতে পারেন।
খিচুনি রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা
খিচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে কিছু তথ্য ইতিমধ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে। হঠাৎ খিচুনি রোগের উপস্বর্গ কমিয়ে রোগীকে নিরাপদ রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। খিচুনির সমস্যায় অনেকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে চেপে ধরা বা নাকের কাছে জুতোর গন্ধ শুকান,এমনটা করা উচিত না। কারন খিচুনি হলে মৃগী বলে ধরেন অনেকে তবে খিচুনি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। খিচুনি দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসায় এটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্বব। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে খিচুনির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে খুবই কার্যকর। নিজে নিজে কোন প্রকার ওষুধ সেবন করবেন না অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।
খিচুনি রোগীকে নিউরোলজিস্ট চিকিৎসক রোগির সমস্যার ধরন অনুযায়ী, সোডিয়াম ভ্যালপ্রয়েড, কারবামাজেপিন, লেভেটিরাসিটাম, ফেনাইটোইন এবং ল্যামোট্রিজিন ইত্যাদি ওষুধ সেবনে উৎসাহিত করতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতে আপনি এই ধরনের ওষুধ সেবন করা শুরু করুন। এমন ওষুধ খাওয়া শুরু করলে কোন মতেই হঠাৎ করে বন্ধ করা যাবে না। কেননা আপনি যদি হঠাৎ করে খিচুনির ওষুধ সেবন করা বন্ধ করেন সেক্ষেত্রে তীব্রতা বেড়ে অবস্থা আরো খারাপ করে দিতে পারে। তাছাড়া হঠাৎ করে প্রাথমিক পর্যায়ে কারো খিচুনি দেখা দিলে। একই সঙ্গে খিচুনি পাঁচ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে অবশ্যই আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।
বাচ্চাদের খিচুনি রোগের লক্ষণ
খিচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যবস্থা সহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। খিচুনির সমস্যা যেকোনো সময় হঠাৎ করে দেখা দিতে পারে। খিচুনি শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, কোন বাচ্চার মধ্যে খিচুনি রোগের লক্ষণ দেখা দিলে বাচ্চা অস্বাভাবিক আচরণ করা শুরু করে। এ সময় ঘরোয়া চিকিৎসা অবলম্বন শিশু ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বাচ্চাদের খিচুনি রোগের লক্ষণ নির্দিষ্ট করার জন্য চলুন বাচ্চাদের খিচুনি রোগের লক্ষণ সম্পর্কে জানা যাক।
- কোন বাচ্চার মধ্যে খিচুনির সমস্যা দেখা দিলে প্রাথমিক অবস্থায় শরীরে কাপুনি শুরু হয়। শরীরের সমস্ত জায়গা যেমন হাত-পা থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ দেহে অস্বাভাবিক কাপুনি আসে। একই সঙ্গে পুরো শরীর বা নির্দিষ্ট কোনো অংশ শক্ত হয়ে যাওয়ার প্রবণতাও দেখা দেওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। এক কথায় খিচুনির তীব্রতায় শিশুর মধ্যে অস্বাভাবিক লক্ষণ আসে।
- অনেক সময় খিচুনিতে শিশু অজ্ঞান হয়ে যায়। কোন প্রকার ডাকা ডাকিতে সারা পাওয়া যায় না। এ সময় দুশ্চিন্তার কিছু নেই প্রয়োজনীয় প্রাথমিক খিচুনির ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণের দিকে নজর রাখুন। অনেক সময় এমন সমস্যায় বাচ্চার চোখের অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করতে পারেন। যেমন ধরুন চোখ উল্টে যাওয়া, স্থির হয়ে থাকা অথবা ঘন ঘন চোখে পলক ফেলানোর মত লক্ষণ আসতে পারে।
- শুধু এখানেই শেষ নয় খিচুনির সমস্যায় বাচ্চার শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। কেননা খিচুনিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শ্বাস দ্রুত হতে পারে। একই সঙ্গে বাচ্চার মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা বা ফেনা বের হতে পারে। হঠাৎ করে খিচুনির সমস্যায় বাচ্চা আতঙ্কিত অঙ্গভঙ্গি দেখাতে পারে।
- আপনার বাচ্চার মধ্যে এমন খিচুনি দেখা দিলে বাচ্চার শরীরের রং পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে বাচ্চার শরীর, মুখ এবং ঠোঁট নীলচে বা ফ্যাকাসে রংয়ের হয়ে যেতে পারে। সর্বোপরি আপনার বাচ্চার মধ্যে এমন লক্ষণ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে খিচুনির ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
বড়দের খিচুনি হওয়ার কারণ
খিচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্লগটিতে আলোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাচ্চাদের খিচুনি হওয়ার লক্ষণ গুলি তুলে ধরা হয়েছে। ব্লকটিতে এখন আলোচনা করা হবে বড়দের খিচুনি হওয়ার কারণ সম্পর্কে। খিচুনি মূলত স্নায়বিক রোগ এমনটা হওয়ার পেছনে মস্তিষ্কের আঘাত, রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া ইত্যাদি দায়ী থাকতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খিচুনি রোগের কোন কারণ পাওয়া যায় না। চলুন কথা না বাড়িয়ে এখন আমরা জানার চেষ্টা করি বড়দের খিচুনি হওয়ার কারণ সম্পর্কে।
আরো পড়ুনঃ নাকের মাংস কমানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে জানুন।
- বড়দের মৃগীরোগ খিচুনি হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারনের মধ্যে পড়ে। কেননা মৃগী রোগের কারণে মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষের ইলেকট্রিক ভারসাম্য হারায় যার ফলে এমন খিচুনির সৃষ্টি হতে পারে। বড়দের এমন মৃগীর কারণে বারবার খিচুনির মোকাবেলা করতে হতে পারে। আপনি বা আপনার পরিবারের কারো মৃগীর কারণে ঙ্খিচুনি হলে এজন্য ঘরোয়া ব্যবস্থার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী নিউরোলজিস্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রয়োজন।
- বড়দের মধ্যে খিচুনির সমস্যা দেখা দেওয়ার পেছনে মস্তিষ্কের কোন প্রকার আঘাত বা দুর্ঘটনা জড়িত থাকতে পারে। আপনি শিশু বয়সে মস্তিষ্কে কোন প্রকার আঘাত পেলে তা থেকে খিচুনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে বড়দের মধ্যে স্ট্রোক বা মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের ফলে হঠাৎ করে খিচুনি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এক কথায় স্ট্রোক স্নায়ুতান্ত্রিক যার ফলে খিচুনি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- বড়রা হোক কিংবা বাচ্চার তীব্র জ্বরের প্রবণতায় পড়লে খিচুনির দেখা মেলা অস্বাভাবিক কিছু নয়। বিশেষ করে জন্ডিসে হওয়া জ্বর থেকে খিচুনি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। কোন সংক্রমণ যেমন মস্তিষ্কের টিউমার, মেনিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস ইত্যাদি খিচুনির সমস্যা তৈরি করতে পারে। মস্তিষ্কের এমন সংক্রমণের ফলে আপনার খিচুনির সমস্যা ধীরে ধীরে তিব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা বেশি।
- শরীরে ঘুমের অভাব হলে ও অনেক সময় খিচুনির দেখা মেলা স্বাভাবিক ব্যাপার। আপনি যদি অতিরিক্ত মানসিক টেনশন বা উদ্বেগের মধ্যে থাকেন তা থেকে এমনটা হতে পারে। মাদকদ্রব্য ও অ্যালকোহল সেবনে খিচুনির সমস্যা মিলতে পারে। বংশগত বা জেনেটিক কারণে খিচুনি দেখা দেওয়া কোন ব্যাপার নয়। কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া শরীরের পুষ্টি শোষণ করে খিচুনির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
- শরীরে প্রয়োজনীয় কিছু পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিলে খিচুনি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনার শরীরে ক্যালসিয়াম কমে গেলে এমনটা হতে পারে। একই সঙ্গে শরীরে সোডিয়াম কমে গেলে খিচুনির দেখা মেলা স্বাভাবিক। তাছাড়া আপনার রক্তের শর্করা কম বা বেশি হলে ও খিচুনির মত সমস্যার সামনে এসে হাজির হতে পারে। শরীরে পানি শূন্যতার ফলেও শরীরের বিভিন্ন অংশের খিচুনি অনুভব করতে পারেন।
উপসংহার। খিচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যাবস্থা
খিঁচুনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং শিশুদের খিচুনির লক্ষণ বড়দের খিচুনি হওয়ার কারণ ব্লগটিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। একটি দীর্ঘস্থায়ী নাছোড়বান্দা সমস্যা হলো খিচুনি। এমন সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য প্রাথমিক ভাবে ঘরোয়া চিকিৎসার দিকে সঠিক নজর দিন। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির দিকে নজর রাখা এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তনে মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।
আপনার শরীরে বারবার খিচুনির দেখা মিললে সেক্ষেত্রে নিউরোলজিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শে রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন। মৃগীর কারণে আপনার শরীরে খিচুনি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন। আক্রান্ত ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমে এটা খুবই জরুরী।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url