যশোর থেকে ঝিনাইদহ কত কিলোমিটার - বাস ভাড়া কত

যশোর থেকে ঝিনাইদহ কত কিলোমিটার এবং এই দূরত্বে বাস ভাড়া কত এমন কিছু তথ্য জেনে নিন এই ব্লগে। যশোর এবং ঝিনাইদহ দুইটি জেলা খুলনা বিভাগে অন্তগত। যশোর থেকে ঝিনাইদহ জেলার মধ্যে যাতায়াতের সড়ক পথ এবং রেলপথ উভয় বিদ্যমান।  

যশোর

খুলনা বিভাগের যশোর থেকে ঝিনাইদহ যাতায়াত ব্যবস্থা বাণিজ্যিক ভাবে বেশ ভূমিকা রাখে। চলুন তাহলে আজকের এই ব্লগে যশোর থেকে ঝিনাইদহ দূরত্ব এবং বাস ভাড়া সহ বেশ কিছু তথ্য জেনে নিন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ যশোর থেকে ঝিনাইদহ কত কিলোমিটার - বাস ভাড়া কত

যশোর থেকে ঝিনাইদহ কত কিলোমিটার 

যশোর এবং ঝিনাইদহ খুলনা বিভাগের জেলা হয়তো এ ব্যাপারে আপনি আগে থেকেই জানেন। অনেকেই অনেক সময় নানান প্রয়োজনে যাতায়াত কৃত সড়কের দূরত্বের পরিমাপ জানতে চাই। অনেকেই আবার হুট করে নতুন কোন জায়গায় যাওয়ার আগে দূরত্ব কত কিলোমিটার এমন অনুসন্ধান করেন। আজকের ব্লগের অনুসন্ধান কৃত যশোর থেকে ঝিনাইদহ এর দূরত্ব প্রায় ৪৭ কিলোমিটার কিংবা কিছুটা বেশি হতে পারে। 

বর্তমান সময়ে যশোর থেকে ঝিনাইদহ যাওয়ার সড়ক পথটি ৬ লেনের কার্যক্রম চলমান। যশোর এবং ঝিনাইদহ খুলনা বিভাগের বেশ গুরুত্বপূর্ণ দুটি জেলা। বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের যশোর জেলা যেখানে বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর সহ বিমানবন্দর রয়েছে। অন্যদিকে ঝিনাইদহ এই বিভাগের কৃষি এবং বাণিজ্যিক ভাবে অর্থনীতিতে বেশ ভূমিকা রাখে। যশোর থেকে ঝিনাইদহ দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য যশোর শহর থেকে চুড়ামনকাটি হয়ে বড়বাজার কালিগঞ্জ থেকে সোজা ঝিনাইদহ জেলা শহর। ।

 যশোর থেকে ঝিনাইদহ বাস ভাড়া কত

যশোর থেকে ঝিনাইদহ কত কিলোমিটার ব্লগটিতে ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে। ব্লগের এই পর্বে জানুন যশোর থেকে ঝিনাইদহ বাস ভাড়া কত এমন তথ্য। যশোর থেকে ঝিনাইদহ যাওয়ার সড়ক পথের রুট সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন। যশোরের টার্মিনাল বা পালবাড়ি হয়ে সরাসরি ঝিনাইদহ যাতায়াতের বাস পাওয়া যায়। এই রুটে গড়াই পরিবহন, রুপসা পরিবহন এবং শাপলা ডিলাক্স ইত্যাদি বাস জাত্রীসেবা দিয়ে থাকে। যশোর থেকে ঝিনাইদহ এই রুটে যাতায়াতে বাস ভাড়া হতে পারে ৮০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা পর্যন্ত। 

আপনি যদি লোকাল বাসে যাতায়াত করেন তাহলে ভাড়া কিছুটা কম। এছাড়াও দূরপাল্লার পরিবহনে যদি বিরতিহীন ভাবে যেতে চান তাহলে কিছুটা বেশি ভাড়া লাগতে পারে। যশোর থেকে ঝিনাইদহ যাতায়াতে লোকাল বাসের সময় লাগতে পারে সর্বোচ্চ ২ ঘন্টা বা তার কিছুটা বেশি। তবে বিরতিহীন ভাবে যেতে পারলে ১ ঘণ্টার মধ্যে যশোর থেকে ঝিনাইদহ পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে। লোকাল বাসে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ভাড়ার ব্যাপারটা আগে থেকে ঠিক করে নেওয়া উচিত। আপনি চাইলে নির্দিষ্ট কোন কাউন্টার থেকে ভাড়ার ব্যাপারে জেনে নিতে পারেন। 

যশোর থেকে ঝিনাইদহ কালিগঞ্জ কত কিলোমিটার

যশোর থেকে ঝিনাইদহ কালিগঞ্জ কত কিলোমিটার এমন তথ্য জানতে চোখ রাখুন ব্লগের এই পর্বে। খুলনা বিভাগের মোট ১০ টি জেলার মধ্যে যশোর এবং ঝিনাইদহ জেলা সম্পর্কে কিছুটা জেনেছেন। কালিগঞ্জ ঝিনাইদহ জেলার একটি উপজেলা এটি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দক্ষিণে অবস্থিত। কালিগঞ্জ উপজেলা ঝিনাইদহ জেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাণিজ্য এলাকা। এখান থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য সহ অনেক মানুষের যাতায়াত চলমান থাকে। 

যশোর থেকে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ যাতায়াতের জন্য সাধারণ যে রুটটি ব্যবহার করেন সেটি হল যশোর ঝিকরগাছা থেকে সরাসরি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পর্যন্ত যাওয়া যায়। যশোর থেকে ঝিনাইদহ এই পথের দূরত্ব প্রায় ২৮ থেকে ৩০ কিলোমিটার বা ১৭ মাইল এর কিছুটা বেশি হতে পারে। ঝিনাইদহ জেলার এই উপজেলায় মোট ১১ টি ইউনিয়ন রয়েছে। বেশ কিছু লোকাল বাস, সিএনজি এবং অটো রিক্সা এই রুটে যাত্রী সেবা দিয়ে থাকে। ঝিনাইদহ কালিগঞ্জ এতটাই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এখান থেকে ভারতের সাথে বানিজ্য করার জন্য সরাসরি সড়ক পথ রয়েছে।

যশোর থেকে ঝিনাইদহ ট্রেনের সময়সূচী 

যশোর জেলা থেকে আপনি ঝিনাইদহ জেলায় ট্রেনে যাতায়াত করতে পারবেন। এই দুই জেলার মধ্য দিয়ে বহুকাল আগে থেকেই রেল যাতায়াত ব্যবস্থা রয়েছে। তবে আপনি যশোর থেকে সরাসরি ঝিনাইদহ ট্রেনে যেতে পারবেন না। যশোর থেকে ঝিনাইদহ ট্রেনে যাওয়ার জন্য যশোর জংশন স্টেশন থেকে ঝিনাইদহ এর কালীগঞ্জ উপজেলার মোবারকগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত যাওয়া যায়। পরবর্তীতে মোবারকগঞ্জ থেকে বাসে কিংবা ট্যাক্সিতে করে অথবা ব্যাটারি চালিত ইজি বাইক থেকেও ঝিনাইদহ পৌঁছাতে পারবেন। 

আরো পড়ুনঃ এয়ারপোর্ট থেকে মিরপুরের দুরত্ব কত - যেতে কত সময় লাগে জানুন।

যশোর জংশন রেলওয়ে স্টেশন থেকে মোবারকগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৩৮ থেকে ৪০ কিলোমিটার। বিশেষ করে এই রেল পথে সুন্দরবন এক্সপ্রেস, রুপসা এক্সপ্রেস, বেনাপোল এক্সপ্রেস, কপোতক্ষ এক্সপ্রেস সহ সাগরদাড়ি এক্সপ্রেস চলাচল করে। যশোর থেকে ঝিনাইদহ উল্লেখিত ট্রেনগুলো দিনের কয়েকটা সময় যাতায়াত করে। স্বাভাবিক ভাবে সকাল ৭ঃ০০ টা থেকে ৮ঃ০ ০, দুপুর ১ঃ০০ থেকে ২ঃ০০, বিকাল ৩ঃ০ ০ থেকে ৪ঃ০০ এর মধ্যে ট্রেনগুলো যাত্রী সেবা দেয়।

যশোর থেকে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত ট্রেনের যাতায়াত এর সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে। এই রুটের ট্রেনের সময়সূচির সঠিক তথ্য জানার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে এর সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ট্রেনে যাওয়া আসার সঠিক সময় জানতে পারবেন। যশোর থেকে কালিগঞ্জ এর মোবারকগঞ্জ পর্যন্ত রেল পথে দূরপাল্লার রেলগাড়ি গুলো চলাচল করে। এছাড়াও ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত যশোর থেকে যাওয়া যায় তবে দূরত্বটা একটু বেশি।  

যশোর থেকে ঝিনাইদহ ড্রিম ভ্যালি পার্ক 

যশোর থেকে ঝিনাইদহ কত কিলোমিটার, এই রুটের বাস ভাড়া, যশোর থেকে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের দূরত্ব এবং যশোর থেকে ঝিনাইদহ ট্রেনে যাতায়াতের জন্য ট্রেনের সময়সূচি কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যশোর থেকে ঝিনাইদহ ড্রিম ভ্যালি পার্ক যাওয়ার উপায় সহ কিছু তথ্য জানুন এই পর্বে। ঝিনাইদহ জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্ক ঝিনাইদহ জেলার জন্য বেশ জনপ্রিয় একটি বিনোদন কেন্দ্র। এখানে শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক ব্যক্তিদের বিনোদনের জন্য রয়েছে আধুনিক সুবিধা। ঝিনাইদহ জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্ক প্রায় ১০০ বিঘা জমির উপরে নির্মিত। জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্কে বিনোদনের জন্য রাত্রি যাপন করা যায়। 

যশোর

আপনি যদি যশোর থেকে ঝিনাইদহ জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্কে যেতে চান। সেক্ষেত্রে প্রথম অবস্থায় যশোর থেকে ঝিনাইদহ পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে। ঝিনাইদহ শহরের চুয়াডাঙ্গা সড়কের পাশে ড্রিম ভ্যালি পার্কের অবস্থান। অর্থাৎ ঝিনাইদহ শহর থেকে মাত্র ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার দূরত্বে। ঝিনাইদহ থেকে এই পার্কে যাওয়ার জন্য রিক্সা, সিএনজি কিংবা অটোরিকশা পাওয়া যায়। যশোর থেকে ঝিনাইদহ ড্রিম ভ্যালি পার্ক পর্যন্ত দূরত্ব হতে পারে ৪৭ থেকে ৪৮ কিলোমিটার পর্যন্ত। আপনি যদি রেল পথে যান দূরত্বটা একটু বেশি হতে পারে। যশোর থেকে ঝিনাইদহ ড্রিম ভ্যালি পার্কে যাতায়াতের জন্য ১ঃ৩ ০ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ২ ঘন্টা সময় লাগতে পারে। 

যশোর থেকে ঝিনাইদহ মহাসড়কের ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত তথ্য 

যশোর থেকে ঝিনাইদহ মহাসড়কের ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত তথ্য জানুন ব্লগের এই পর্বে। যশোর থেকে ঝিনাইদহ ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত ঝামেলার কারণে ৬ লেনের সড়ক প্রকল্পটি ধীর গতিতে এগোচ্ছে। মূলত বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বেনাপোল স্থলবন্দর এবং মংলা সমুদ্র বন্দরের যানবাহনের যাতায়াত সুবিধার্থে ৬ লেনের এই সড়কের কার্যক্রম শুরু হয়। শুধু এখানেই শেষ নয় কাজের অগ্রগতি না বাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে কোন সংস্কার করা হয়নি। বর্তমান সময়ে যাত্রীরা যশোর থেকে ঝিনাইদহ মহাসড়কে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। 

বিশেষ করে মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, উত্তরবঙ্গ এবং ঢাকাগামী যানবাহন ব্যাপক ঝুকি নিয়ে এই সড়কে চলাচল করছে। এই সড়কের কোন কোন জায়গা ইট এবং বালু দিয়ে সড়কে চলাচলের পথ তৈরি করা হয়েছে যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রতিনিয়ত এখানে যাত্রীরা দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের দাবি ভূমি অধিকগ্রহণ সম্পূর্ণ না হওয়ার কারণে সড়কের এই অবস্থা। ৪,১০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি ৬ লেনের মোট ৪৮ কিলোমিটার। যশোর থেকে ঝিনাইদহ ৬ লেনের এই প্রকল্পটির বেশকিছু ব্রিজ এবং কালভার্ট হলেও ভূমি অধিগ্রহণের কারণে সড়কের কাজ অনিশ্চিত। 

যশোর থেকে কোটচাঁদপুর ট্রেনের সময়সূচি 

যশোর থেকে ঝিনাইদহ কত কিলোমিটার এবং বাস ভাড়া ট্রেনের সময়সূচি সহ বেশ কিছু তথ্য এই ব্লগটিতে তুলে ধরা হয়েছে। ব্লগের এই পর্বে যশোর থেকে কোটচাঁদপুর ট্রেনের সময়সূচি নিয়ে কিছু তথ্য উপস্থাপন করা হবে। কোটচাঁদপুর মূলত ঝিনাইদহ জেলার একটি উপজেলা যেখানে রেলওয়ে স্টেশন রয়েছে। খুলনা বিভাগের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের রেল যোগাযোগের এক গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে স্টেশন এটি। যশোর থেকে ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর ট্রেনের এই পথে সুন্দরবন এক্সপ্রেস, সীমান্ত এক্সপ্রেস, বেনাপোল এক্সপ্রেস এবং চিত্রা এক্সপ্রেস ইত্যাদি যাত্রী সেবা দিয়ে থাকে। 

সাধারণত যশোর জংশন রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার ট্রেন স্টেশনে ট্রেন চলাচলের সময় সূচি বলতে আনুমানিক একটি ধারণা দেওয়া যায়। সাধারণত সকাল ৭ টা থেকে ৮ টার মধ্যে, দুপুর ১ টা থেকে ২ তার মধ্যে, বিকাল ৪ঃ০ ০ থেকে ৫ঃ০ ০ সহ রাত ৮ টা থেকে ৯ টার মধ্যে ট্রেন চলাচল করে। সাধারণত ট্রেনের যাতায়াতের সময়সীমার সঠিক তথ্য পেতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে জেনে নেওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত। কেননা ট্রেনের সময়সীমা পরিবর্তনযোগ্য তবে উল্লেখিত সময়গুলোতে গেলে আপনি ট্রেনে পেতে পারেন। 

যশোর থেকে ঢাকা কত কিলোমিটার 

যশোর থেকে ঢাকা হোক কিংবা ঢাকা থেকে যশোর কত কিলোমিটার এমন তথ্য সম্পর্কে ব্লগের এই পর্বে কিছুটা ধারণা আপনাদের দেওয়া হবে। যশোর থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য সড়ক পথ এবং রেলপথে আপনি যাতায়াত করতে পারবেন। যশোর থেকে ঢাকা পর্যন্ত কত কিলোমিটার এমন অনুসন্ধান অনেকেই করেন। স্বাভাবিক ভাবে বলতে গেলে আপনি যশোর থেকে ঢাকা যেতে চাইলে এর দূরত্ব হতে পারে প্রায় ১৯১ থেকে ১৯২ কিলোমিটার পর্যন্ত। সড়কপথে বাসে করে যাতায়াতের সময় লাগতে পারে প্রায় ৩ ঘন্টা থেকে ৩ ঘন্টা ৩০ মিনিট। 

আরো পড়ুনঃ আলবেনিয়া থেকে ইটালি কত কিলোমিতার-সাগর পথে ইতালি।

এছাড়াও যশোর থেকে ঢাকা পর্যন্ত রেলপথে ট্রেনে করে আপনি যাতায়াত করতে পারবেন। এজন্য ঢাকা টু যশোর পর্যন্ত রেল পথের দূরত্ব প্রায় ৩৫০ থেকে ৩৫২ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। রেলপথের এই দূরত্ব অতিক্রম করতে আপনার ৫ থেকে ৬ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আপনি চাইলে ব্যক্তিগত মোটরবাইক কিংবা নিজস্ব গাড়ি করেও যশোর থেকে ঢাকা পর্যন্ত সড়ক পথে যাতায়াত করতে পারবেন। যশোর থেকে ঢাকা রুটের সড়ক পথের যাতায়াত ব্যবস্থা বেশ আরামদায়ক এবং নিরাপদ। 

যশোর থেকে পদ্মা সেতু কত কিলোমিটার 

যশোর থেকে ঝিনাইদহ দূরত্ব কত, যাওয়ার উপায় সহ নানান তথ্য হয়তো আপনার কাছে এখন পরিষ্কার। ইতিমধ্যে যশোর থেকে ঢাকার দূরত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে। ব্লগটির এই পর্বে যশোর থেকে পদ্মা সেতু কত কিলোমিটার এমন কিছু তথ্য নিয়ে আলোচনা করা হবে। বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের কাছে পদ্মা সেতুর একটি স্বস্তির নাম। যখন পদ্মা সেতু ছিলনা তখন দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের পদ্মা নদী পারাপারের জন্য ফেরির ঝামেলা পোহাতে হত। অনেকের আবার গাড়ির অনেক চাপ থাকার কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়িতেই কাটাতে হতো। 

যশোর

তবে বর্তমানে এই সমস্যার সমাধান হয়েছে শুধুমাত্র পদ্মা সেতুর কারণে। পদ্মা সেতু থেকে খুব সহজেই এবং অল্প সময়ের মধ্যে পদ্মা নদী পারাপার অনেক মানুষের সময় সশ্রয় করে দিচ্ছে। যশোর থেকে পদ্মা সেতু কত কিলোমিটার এমন অনুসন্ধানে আপনার জানা উচিত এই মহাসড়কের দূরত্ব প্রায় ১৩৮ কিলোমিটার থেকে ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। যশোর থেকে পদ্মা সেতু পর্যন্ত যাওয়ার জন্য আপনি বাস পেয়ে যাবেন। যা থেকে যশোর থেকে পদ্মা সেতু পর্যন্ত পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে ২ ঘন্টা থেকে ২ঃ৩ ০ মিনিট পর্যন্ত। 

উপসংহার। যশোর থেকে ঝিনাইদহ কত কিলোমিটার - বাস ভাড়া কত 

যশোর থেকে ঝিনাইদহ কত কিলোমিটার, যশোর থেকে ঝিনাইদহ বাস ভাড়া, যশোর থেকে ঝিনাইদহ ট্রেনের সময়সূচী, যশোর থেকে ঝিনাইদহ কালিগঞ্জের দূরত্ব সহ বেশ কিছু অনুসন্ধানের উত্তর এই ব্লগটিতে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও যশোর থেকে ঢাকা দূরত্ব সহ যশোর থেকে পদ্মা সেতুর দূরত্বের কথা বলা হয়েছে। আমাদের সকলেরই যাতায়াতের জন্য কোন না কোন সড়ক পথ, পানি পথ কিংবা রেল পথ ব্যবহার করতে হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থা আগের থেকে অনেক উন্নত। 

আমাদের আজকের এই ব্লগটিতে উল্লেখিত সকল তথ্যের অনুসন্ধানে আপনি যদি কোন প্রকার উপকৃত অনুভব করেন। সেক্ষেত্রে আমাদের এই ব্লগটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিতে পারেন। একই সঙ্গে ধৈর্য ধরে এতক্ষণ আমাদের এই ব্লগটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url