পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত

পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত জানতে আজকের এই ব্লগটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। পিরিয়ড নারীদের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা প্রতি মাসে একবার হয়ে থাকে। পিরিয়ড যদিও নারীদের নারীদের কাছে খুবই পরিচিত একটা বিষয়। 

পিরিয়ড

তবে অনেক সময় অনেকে সঠিক সময় পিরিয়ড না হওয়ার প্রবণতায় পড়ে থাকেন। নারীদের হঠাৎ  পিরিয়ড বন্ধ হলে অনেকে প্রয়োজনীয় খাবার সম্বন্ধে জানতে চান। আজকের এই ব্লগটিতে জেনে নিন পিরিয়ড না হলে কোন খাবারগুলো উপকারী হতে পারে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত 

আদা ও হলুদ 

নারীদের শারীরিক ভাবে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব। যদি কোন নারীর পিরিয়ড দেরিতে বা অনিয়মিত হয় তাহলে আদা এবং হলুদ খাওয়া বেশ উপকারী। পিরিয়ড না হওয়ার সমস্যায় আদা খেলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে জরায়ুর সংকোচন সহজ করে। এছারাও হলুদে থাকা কারকিউমিন শরীরে অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি হিসেবে কাজ করে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খুবই কার্যকর।

অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় পানির সঙ্গে আদা কুঁচি ফুটিয়ে প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার খেতে পারেন। হলুদ খাওয়ার ক্ষেত্রে এক গ্লাস গরম দুধে এক চা চামচ হলুদ মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আপনি যদি  হঠাৎ  পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সমস্যায় ভোগেন তাহলে আদা এবং হলুদ খাওয়া শুরু করতে পারেন। 

বাদাম ও বীজ 

পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত এমন খাবারের তালিকায় কিছু বাদাম ও বীজ খাওয়া উপকারী হতে পারে। বিশেষ করে কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট, তিসি বীজ, কুমড়ার বীজ এবং সূর্যমুখী বীজ বেশ উপকারী। কেননা এ সকল উপাদান ভিটামিন এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ এগুলো নারীদের হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে খুবই উপকারী।

আপনার হঠাৎ করে পিরিয়ড না হলে খাদ্য তালিকায় এই বাদাম ও বীজের উপকরণ খেলে। এগুলো প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে জরায়ুর রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। আপনি চাইলে সকালে এক মুঠ একত্রে খেতে পারেন, রাতে ভিজিয়ে সকালে খেলেও বেশ ভাল উপকার পাওয়া যায়। 

পেঁপে 

দৈনন্দিনের খাদ্য তালিকায় পেঁপে সবজি হিসেবে হয়তো আপনি অনেকবার খেয়েছেন। আপনি হয়তো নাও জানতে পারেন নারীদের পিরিয়ড না হওয়ার সমস্যায় পরিমাণ মতো পেঁপে খেলে উপকার মেলাতে পারে। বিশেষ করে পেঁপেতে থাকা ক্যারোটিন এবং পাপাইন এনজাইম জরায়ুর পেশীর সংকোচন ঘটিয়ে ঋতুস্রাব নিয়মিত করতে সাহায্য করে। 

তাছাড়া পিরিয়ডের জন্য নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেন নামক হরমোনের মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে পেঁপে। অনিয়মিত ঋতুস্রাবে কাঁচা এবং আধা পাকা পেঁপে রান্না করে অথবা সালাত হিসেবে খেতে পারেন। এ সময় নিয়মিত কয়েকদিন পেঁপে খাওয়ার ফলে এর ভিটামিন, ক্যালসিয়াম এবং পটাশিয়াম নারীদের সার্বিক প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। 

আনারস 

আপনার পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব হঠাৎ করে বন্ধ হলে, আনারস পরিমাণ মতো খাওয়া শুরু করুন। এজন্য দিনে একবার কিছু পরিমাণে আনারস কয়েকদিন খাদ্য তালিকায় রাখুন। পিরিয়ড দেরিতে হওয়ার সমস্যায় আনারস খাওয়া খুবই উপকারী। কেননা এ সময় আনারসে থাকা ব্রোমেলিন এনজাইম জরায়ুর পেশী শিথিল করে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এর ফলে জরায়ুর প্রদাহ কমিয়ে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করে পিরিয়ড শুরু করতে সাহায্য করতে পারে। আনারসে ভিটামিন সি বিদ্যমান, এমন পুষ্টি জরায়ু সুস্থ রাখতে খুবই কার্যকর।

গুড়

গুড় পছন্দ করে না এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া মুশকিল। পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত এমন সমস্যায় আপনি গুড় খেতে পারেন। আমাদের সকলের পরিচিত এই গুড়ে আয়রন বিদ্যমান যা শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে কার্যকর। গুড়ে থাকা এমন খনিজ উপাদান শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে জরায়ুর সংকোচনে সহায়তা করে।

পিরিয়ড

একই সঙ্গে নারীদের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রেখে স্বাভাবিক ঋতুস্রাব ফিরিয়ে আনতে পারে। ঋতুস্রাব না হলে গুড় খাওয়া উপকারী তবু আপনি গর্ভাবস্থায় থাকলে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত। 

পিরিয়ড না হলে কি কি সমস্যা হয় 

পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত উপকারী বেশ কিছু খাবার ইতিমধ্যে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিটা নারীর প্রতি মাসে নির্দিষ্ট একটি সময়ে পিরিয়ড হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। মাঝেমধ্যে অনেকের পিরিয়ড বা ঋতুস্রাবে দেরি হতে পারে। কারো কারো আবার হঠাৎ করে অনেকদিন যাবত পিরিয়ড না হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। হঠাৎ করে নারীদের পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক বিষয় না। হঠাৎ করে পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে বেশ কিছু লক্ষণ উপলব্ধি করতে পারেন। নিচে পিরিয়ড না হলে কি কি সমস্যা হয় সে ব্যাপারে তুলে ধরা হলো। 

আরো পড়ুনঃ রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত জানুন এখানে।

  • কোন নারীর হঠাৎ করে মাসিক চক্র বন্ধ হওয়ার ফলে তার হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। কেননা নারীদের পিরিয়ডে ইস্ট্রোজেন হরমোন বেশ ভূমিকা পালন করে। এ সময় নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের ঘাটতি দেখা দিলে অস্টিওপোরোসিস অর্থাৎ হাড়ের ভঙ্গুরতা দেখা দেয়। ইস্ট্রোজেন হরমোন হাড়ে ক্যালসিয়াম ধরে রাখে। দীর্ঘদিন এমন হরমোনের ঘাটতিতে ঘনত্ব কমে ভঙ্গুরতা দেখা দেয় সঙ্গে জয়েন্ট এবং পেশিতে ব্যথা অনুভব হতে পারে। 
  • হঠাৎ করে পিরিয়ড অনেক দিন যাবত বন্ধ থাকার ফলে নারীদের মাথা ব্যথার প্রবণতা দেখা দেওয়া খুবই সাধারণ। কেননা এ সময় হরমোনের ভারসামহীনতা নষ্ট হয় এর ফলে শরীরে রক্তস্বল্পতা এবং আয়রনের ঘাটতি আসে। পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব নারীদের শারীরিক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা ব্যাহত হলে ক্লান্তি ও দুর্বলতা আসতে পারে। এছাড়াও এ সময় নারীদের মানসিক চাপ এবং দুশ্চিন্তা আসে। আপনি এমন সমস্যা লক্ষ্য করলেন মাইগ্রেনের মতো তীব্র মাথাব্যথা হতে পারে। 
  • পিরিয়ড না হলে কি কি সমস্যা হয় এমন সমস্যায় মাথার চুল পড়ে যাওয়ার লক্ষণ খেয়াল করতে পারেন। ঋতুস্রাব বা মাসিক না হলে ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন হরমোন কমে যায়। একই সঙ্গে থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দেওয়া সম্ভাবনা থাকে। এমন সমস্যা একত্রিত হয়ে মানসিক চাপের সৃষ্টি করে এবং পুষ্টির অভাব দেখা দেয়। যা চুল পড়ার মত প্রবণতা সৃষ্টিতে দায়ী হতে পারে। তাছাড়া এ সময় হরমোনের ভারসাম্যহীনতায় শরীরের ওজন কমে বা বেড়ে যেতে পারে। 
  • নারীদের পিরিয়ডের স্বাভাবিক চক্রের তারতম্যে হরমোনের ভারসাম্যহীনতায় মুখে অতিরিক্ত লোম কিংবা ব্রণের সৃষ্টি করতে পারে। কেননা এ সময় নারীদের শরীরে পুরুষ হরমোন বেড়ে যায় অর্থাৎ ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স যা এমন সমস্যা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন পিরিয়ড বন্ধ থাকায় নারীদের মুখে, পিঠে, পেটে, উরুতে কালো লোম গজানোর লক্ষণ খেয়াল করতে পারেন। আপনি যদি পিরিয়ড বন্ধ থাকায় এমন লক্ষণ অনুভব করেন তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। 
  • নারীদের পিরিয়ড না হলে কি কি সমস্যা হয় এরমধ্যে তলপেটে ব্যথার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে হঠাৎ পিরয়ড বন্ধ হওয়া অনেক সময় গর্ভাবস্থার প্রথম লক্ষণ হতে পারে। এ সময় মূত্রনালীর সংক্রমণ, হরমোনের ভারসাম্যহিনতা সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে হরমোনের ভারসাম্যহীনতার ফলে ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে মাসিকের ব্যথার মতো উপলব্ধি হতে পারে। কখনো কখনো কোনো নারীর মধ্যে স্থন থেকে সাদা তরল নিঃসরণ হতে পারে। 
  • নারীদের মধ্যে পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া মানে হরমনের ভারসাম্যহীনতা। যা শরীরের বেশ কিছু সমস্যার সৃষ্টি করতে ভূমিকা রাখে। ঠিক তেমনি হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেলে অনেকের চোখে সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় চোখ শুস্ক হওয়া, চোখে জ্বালা, ঝাপসা দৃষ্টি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের তারতম্যে এমনটা হয়। তাছাড়া পিরিয়ড বন্ধ হলে শরীরে সার্বিক স্বাস্থ্যের অবনতি আসে। কোন নারীর বয়স ৪৫ থেকে ৫০ হলে হরমোনের তারতম্যে দীর্ঘমেয়াদি চোখের শুষ্কতা সহ দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া স্বাভাবিক বিষয়। 

হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার কারণ 

পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত, পিরিয়ড না হলে কি কি সমস্যা হয় এমন তথ্য ব্লগটিতে তুলে ধরা হয়েছে। ব্লকের পূর্বে বলা হয়েছিল পিরিয়ড নারীদের স্বাভাবিক প্রজনন তন্ত্রের প্রক্রিয়া। একজন নারীর গড় পিরিয়ডের সময়সীমা মূলত ২৮ দিন যা সর্বোচ্চ ৭ দিন স্থায়ী হতে পারে। তবে যদি ৩৫ দিনের বেশি মাসিক বা ঋতুস্রাব না হয়, এমনটা মূলত চিন্তার বিষয়। হঠাৎ করে কোনো নারীর পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়া পিছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। নিচে হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার কারণগুলি তুলে ধরা হলো। 

  • হঠাৎ নারীদের পিরিয়ড বা মাসিকের স্বাভাবিক চক্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম। নারীদের শরীরে এমন সমস্যায় ডিম্বাশয় একাধিক ছোট সিস্ট তৈরি করে যার ফলে ডিম্বানু ঠিকমতো বের হয় না। পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। কোন নারীর এমন সমস্যায় অনিয়মিত পিরিয়ডে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হরমোনের ভারসাম্য ফেরানো খুবই জরুরী। 
  •  হঠাৎ করে নারীদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার কারণের মধ্যে থাইরয়েড সহ বিভিন্ন হরমোন দায়ী থাকতে পারে। বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজম, হাইপারথাইরয়েডিজম অর্থাৎ থাইরয়েড কম বা বেশি হলে পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে প্রল্যাকটিন হরমোন, ইনসুলিন হরমন এবং প্রজেস্টেরন এবং ইস্ট্রোজেনের তারতম্যে জরায়ুর স্বাভাবিক চক্র ভেঙ্গে মাসিক বন্ধ হতে পারে। 
  • একজন নারীর মাতৃত্বের সাধ নিতে হলে পিরিয়ড চক্রকে স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত জরুরী। তবে অনেক নারীর মধ্যে অনেক সময় ওভারি সিস্ট বা ডিম্বাশয় সিস্ট লক্ষ্য করা যায়। এর ফলে প্রয়োজনীয় হরমোন যেমন ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরনে তারতম্য দেখা দেয়। এর ফলে ডিম্বাণু নিঃসরণ বন্ধ হয়ে মাসিক চক্র ব্যাহত হতে পারে। ওভারি সিস্ট দেখা দিলে মাসিক বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি তলপেটে ব্যথা, পেট ফুলে যাওয়া এবং পেটে ভারী ভাব অনুভূতি হতে পারে। 
  • সাধারণভাবে একজন নারীর মাসিক চক্র বন্ধ হওয়ার পেছনে শরীরের অতিরিক্ত ওজন দায়ী থাকতে পারে। এখানেই শেষ নয় হঠাৎ করে কোন নারী শরীরের ওজন কমে গেলে এমনটা হতে পারে।  শরীরের প্রয়োজনীয় কিছু পুষ্টির অভাবে মাসিক বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। তাছাড়া আপনি যদি খুব অল্প পরিমাণে খাবার গ্রহণ করেন তাও ঋতুস্রাব বন্ধ করতে কার্যকর। 
পিরিয়ড
  • অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং হতাশা থেকে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা মানসিক চাপ এবং হতাশা শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে মাসিক চক্র সাময়িক ভাবে বন্ধ হতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে মাসিক চক্র বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এমনটা বিশেষ করে জন্ম নিয়ন্ত্রণের ওষুধ ব্যবহারের ফলে দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। 

উপসংহার। পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত 

পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত, পিরিয়ড না হলে কি কি সমস্যা হয় এবং হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার কারণ সম্পর্কে উপস্থাপন করা হয়েছে। নারীদের পিরিয়ড বা মাসিক চক্র পরিবর্তনে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন প্রযোজ্য। এমন সমস্যায় আপনি প্রয়োজনীয় উপযুক্ত খাবার গুলির দিকে নজর দিতে পারেন। তবে আপনার যদি সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ মাসের বেশি সময় ধরে পিরিয়ড বন্ধ থাকে। সেক্ষেত্রে কোনমতে অবহেলা চলবে না অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 

একজন নারীর জন্য সময় মত পিরিয়ড বা মাসিক প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য খুবই জরুরী। দীর্ঘস্থায়ী পিরিয়ড বন্ধ থাকায় আপনাকে খুবই সমস্যার সম্মুখীন করতে পারে। এজন্য শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা প্রতিরোধে পিরিয়ডের স্বাভাবিক চক্র বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। এতক্ষন পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত ব্লগটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 

                              (খোদা হাফেজ)

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url