রক্ত আমাশা হলে কি খাওয়া উচিত
আমাশয়ের কথা আসলেই, মনে পড়ে যায় শারীরিক দুর্বলতা ও শরীরে পানি শূন্যতার অভাব। তবে যদি এর সাথে দেখা দেয় রক্ত আমাশ, তাহলে তো দুঃখের আর শেষই নেই। আমাশয় মূলত এন্টামিবা হিষ্টোলাইটিকার এক ধরনের সংক্রমনের কারণে হয়ে থাকে। আমাশয় বা অ্যামিবিয়াসিস ডিসেন্ট্রি, হওয়ার কারণ হলো, পাকস্থলীর অন্ত্রে, ক্ষত বা আলসারের সমস্যা দেখা দেয় এবং অনেক সময়, পরিপাকতন্ত্র থেকে রক্তকরণ হয়ে, এই রক্ত আমাশয়ের সৃষ্টি হয়। এন্টামিবা মূলত স্বচ্ছ এক ধরনের জেলির মতো এককোষী জীবানু,এদের খালি চোখে দেখা যায় না।
রক্ত আমাশয় নিয়ে ভয়ের কিছু নেই, আজকের আর্টিকেলটিতে, আপনাদের সাথে আলোচনা করার চেষ্টা করব। রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত, এবং রক্ত আমাশয় হওয়ার কারন সহ বিস্তারিত। আপনি যদি, আমাশয় বা রক্ত আমাশার কবলে পড়লে, তাহলে আজকে আর্টিকেলটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে।
পোস্ট সূচিপত্রঃ রক্ত আমাশা হলে কি খাওয়া উচিত
- রক্ত আমাশয় হওয়ার কারণ
- দূষিত পানি এবং খাবারের ফলেঃ
- সংক্রামিত জীবাণু ও পরজীবির ফলেঃ
- সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলেঃ
- স্যানিটাইজেশন ব্যবস্থা ভালো না থাকার ফলেঃ
- রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত
- পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল পান করুনঃ
- দ্রুত হজম হয় এমন খাবার উপযুক্তঃ
- যেকোনো স্যুপ খাওয়া যেতে পারেঃ
- সেদ্ধ ডিম এবং মাছঃ
- রক্ত আমাশয় হলে, যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উপযুক্ত
- উপসংহার। রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত
রক্ত আমাশয় হওয়ার কারণ
রক্ত আমাশয় অনেকের জন্য খুবই চিন্তার একটি সমস্যা। এটি যদি একটি সংক্রমণ জাতীয় রোগ, রক্ত আমাশয় হলে, মলের সাথে রক্ত এবং শ্লেষ্মা মিশ্রিত ডায়রিয়া হয়ে থাকে। রক্ত আমাশয় হওয়ার সবচেয়ে অন্যতম প্রধান কারণ হলো, দূষিত পানি পান করা অপরিষ্কার স্যানিটাইজেশন ব্যবহারের কারনে। এছাড়াও কোন ব্যক্তি সংস্পর্শ থেকে, এন্টামোইবা হিস্টোলিকা নামক জিবানু, অন্য কারো শরীরে প্রবেশ করলেও এই সমস্যা হতে পারে। চলুন আর্টিকেলটি শুরুতে জানার চেষ্টা করি, রক্ত আমাশয় হওয়ার কারণগুলি সম্পর্কে।
দূষিত পানি এবং খাবারের ফলেঃ
সুস্বাস্থ্য এবং শারীরিক সুস্থতার জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন খাবার খাওয়ার গুরুত্ব আমরা সকলেই হয়তো জানি। সবাই চাইলেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকতে পারেন, এবং খাবার এবং পানিও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নভাবে খাওয়া সম্ভব। এ ব্যাপারে সর্বদা নজর রাখবেন কেননা, দূষিত খাবার এবং পানি খাওয়ার ফলে, ব্যাকটেরিয়া বা পরজীবী সংক্রমণের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই জীবাণু বিশেষ করে অপরিষ্কার হাতে খাবার খাওয়া, দূষিত পানি ও খাবারের মধ্যে ছড়ানো, খুবই অন্যতম কারণ। এই ব্যাপারে আমাদের সকলেরই সর্বদা সতর্ক থাকা উচিত। খাবার খাওয়ার আগে সুন্দরভাবে, সাবান দিয়ে হাত ভালোভাবে জীবনমুক্ত করে নেওয়া জরুরি।
সংক্রামিত জীবাণু ও পরজীবির ফলেঃ
রক্ত আমাশয় হওয়ার সবথেকে অন্যতম এবং সাধারণ কারণ হলো, শিগেলা নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনের কারণে। এটি আবার ব্যাসিলারি ডিসেন্টি নামেও পরিচিত। অন্যদিকে রক্ত আমাশা বা আমাশা হওয়া অন্য আরেকটা অন্যতম কারণ হলো পরজীবীর কারণে। সাধারনত রক্ত আমাশয় হওয়া এই পরজীবী, এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা নামক এক ধরনের পরজীবী। এর কারনে অ্যামিবিক ডিসেন্ট্রি বা রক্ত আমাশয় হওয়া সাধারণ ব্যাপার। এছাড়াও অন্যান্য কিছু ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস বা পরজীবীর কারণেও এই আমাশয়ের সৃষ্টি হতে পারে।
সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলেঃ
আর্টিকেলটির উপরে বলা হয়েছিল, রক্ত আমাশয় হওয়ার জন্য জীবানু ও পরজীবীর কথা। আমাশয় সৃষ্টির করার এই জীবাণু, মানুষের শরীরের বাইরে ও তিন মাসের বেশি সময় বেঁচে থাকতে পারে। এজন্য একজন সংক্রামিত ব্যক্তির, খুবই সতর্কতার সাথে নিজেকে পরিষ্কার রাখা জরুরি। কেননা সংক্রমিত ব্যক্তির, থেকে এই জীবানু পরিবারের অন্য কারো, সংস্পর্শে গেলে সংক্রমনের কবলে পড়তে পারে।
এজন্য অবশ্যই একজন সংক্রামিত ব্যক্তির, মলত্যাগের পরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সাথে, খাবার বা পানি খাওয়া, বা পরিবারের কোনো, সদস্যদের সংস্পর্শে আসলে, জীবনু মুক্ত হয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি। মাথায় রাখবেন আপনার থেকে, আপনার রক্ত আমাশয়ের জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো পরিবারের সকলের মধ্যে।
স্যানিটাইজেশন ব্যবস্থা ভালো না থাকার ফলেঃ
সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য, আমাদের সকলেরই, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর স্যানিটাইজেশনে মলত্যাগ করা জরুরী। বিশেষ করে যাদের স্যানিটাইজেশন ব্যবস্থা খুবই দুর্বল, অনেক সময় বাইরের খোলা জায়গায় মলত্যাগ করতে হয়। এ সকল অপরিষ্কার পরিবেশ থেকেও আমাশয়ের সাথে রক্ত আমাশয়ের হওয়া খুবই সাধারণ ব্যাপার।
আমাদের সকলেরই, রক্ত আমাশয়ের থেকে বাঁচতে এবং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো এমন জায়গায় মলত্যাগ করা উচিত। রক্ত আমাশয় সৃষ্টিকারী জীবাণু ও পরজীবী, পানি, মাটি শাকসবজি, ফলমূল ও খাদ্য সামগ্রীতে, অনেকদিন ধরে বেঁচে থাকতে পারে।এজন্য সর্বদা সতর্ক থাকার চেষ্টা করবেন।
রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত
রক্ত আমাশা হওয়ার বেশ কিছু কারণ ইতি মধ্যেই আলোচনা করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে রক্ত আমাশয়ের ছড়ানোর যে সকল কারণ রয়েছে সেগুলো থেকে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। তবে আজকের আর্টিকেলটির মূল বিষয়, রক্ত আমাশা হলে কি খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে। রক্ত আমাশা কিংবা আমাশয় হলে বেশ কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো, সহজ পাচ্য এবং উপযুক্ত। আবার এমন কিছু খাবারও রয়েছে যেগুলো এড়িয়ে চলা উত্তম। চলুন তাহলে জানার চেষ্টা করি, রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত।
পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল পান করুনঃ
একজন রক্ত আমাশয়ের রোগীর জন্য, পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল পান করা অত্যন্ত জরুরি। কেননা রক্ত আমাশয় কিংবা আমাশয়ের ক্ষেত্রে, শরীরে পানি শূন্যতার প্রভাব দেখা দেওয়া সাধারণ। তবে শরীরের পানি শূন্যতা পূরণের জন্য এবং শরীরের প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইট প্রতিস্থাপনের জন্য, বিশেষভাবে কার্যকর পর্যাপ্ত তরল পান।
আরো পড়ুনঃ কিডনির সমস্যা হলে কি খাওয়া উচিত এবং কি উচিত না।
পর্যাপ্ত পানি শূন্যতা পূরণের জন্য, আপনি চাইলে, পাতলা ঝোল, তাজা ফলের রস, এবং ভাতের মারও খেতে পারেন। অন্যদিকে আমাশয়ে স্বস্তি পেতে চাইলে স্যালাইন ও খাওয়া যেতে পারে, এজন্য ওর স্যালাইন খুবই উপযুক্ত।
দ্রুত হজম হয় এমন খাবার উপযুক্তঃ
শরীরে আমাশয়ের সমস্যা দেখা দিলে, দ্রুত হজম হবে এমন খাবার অত্যন্ত উপযোগী। এজন্য আপনি চাইলে সেদ্ধ ভাত, পাতলা ডাল খেতে পারেন এগুলো, দ্রুতই হজম হয়। এছাড়াও মুগ ডাল থেকে তৈরি কৃত খিচুড়ি, সিদ্ধ আলু, মুরগির ঝোল, সাদা রুটি, সিদ্ধ করা শাকসবজি ইত্যাদি সহজ পাচ্য খাবার খুবই উপযুক্ত।
অন্যদিকে আমাশয় হলে আপনি দই ও খেতে পারেন। কেননা দইতে প্রোবায়োটিক নামে উপকারী ব্যাকটেরিয়া হজম তন্ত্রের উন্নতি ঘটায়। কলাও খাওয়া যেতে পারে, কেননা কলায় থাকা পটাশিয়াম ইলেক্ট্রোলাইট পূরণ করার জন্য উপযুক্ত পুষ্টি সরবরাহ করে।
যেকোনো স্যুপ খাওয়া যেতে পারেঃ
আপনার যদি রক্ত আমাশয় বা আমাশয়ের সমস্যা হয়ে থাকে, যেকোনো ধরনের কম মসলাযুক্ত স্যুপ খাওয়া উপযুক্ত। আপনি যদি সবজির স্যুপ, খেয়ে থাকেন তাহলে খেয়াল রাখবে হবে উচ্চ ফাইভার যুক্ত সবজি জানো না হয়। অবশ্যই কম ফাইবার যুক্ত সবজি ব্যবহার করতে পারেন। আপনি চাইলে চাল দিয়েও সুপ তৈরি করতে পারেন, এটিও খুব সহজে হজম হয়। অন্যদিকে আপনি যদি স্যুপ খেতে পারেন তাহলে এটি আপনাকে, অতিরিক্ত মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলতেও সাহায্য করবে। এছাড়াও স্যুপ খেলে এটি আপনার তরলের চাহিদাও পূরণ করতে ভূমিকা রাখে।
সেদ্ধ ডিম এবং মাছঃ
রক্ত আমাশয় শরীরে দেখা দিলে সেদ্ব ডিম ও মাছ খাওয়া যেতে পারে। তবে মাছ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতাও রয়েছে, মাছ খাওয়ার সময় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া এবং তেল মসলাযুক্ত ও ভাজা মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। অবশ্যই অল্প পরিমাণে, সাধারণভাবে সেদ্ধ করে, কোন মতে খাওয়ার উপযুক্ত করে খাওয়া যেতে পারে। ডিমের ক্ষেত্রে কোন সতর্কতা নাই এটি নিরাপদ, ডিম সাধারণত নরম, সহজে হজম যগ্য তাই রক্তমাশার ক্ষেত্রে এটি উপযুক্ত।
রক্ত আমাশয় হলে, যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উপযুক্ত
আর্টিকেলটিতে ইতিমধ্যে রক্ত আমাশয়ের ক্ষেত্রে উপযুক্ত, বেশ কিছু খাবার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত আর্টিকেল টিতে, এখন জানার চেষ্টা করব, রক্ত আমাশয়ে আমাদের যে সকল খাবার এড়িয়ে যাওয়া উপযুক্ত সেগুলো সম্পর্কে। কেননা এই সকল খাবার, রক্ত আমাশয়ের রোগীর জন্য শারীরিকভাবে খুবই খারাপ প্রভাব ফেলোটে পারে।
আরো পড়ুনঃ কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কি করতে হবে,তা জানুন।
- রক্ত আমাশয়ের রোগীর জন্য অতিরিক্ত মসলাদার এবং তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলা সবথেকে উত্তম। কেননা অতিরিক্ত তেল চর্বি ও মসলাদার খাবার, পেটে অস্বস্তি বাড়িয়ে দিতে পেরে, এজন্য আমাশয় সমস্যা আরো বাড়ে যেতে পারে।
- দুধ থেকে তৈরিকৃত পণ্য, খাওয়া থেকেও, বিরত থাকা ভালো। দুধ থেকে তৈরি দই আপনি খেতে পারেন তবে, দুধের তৈরি ঘি এবং মাখন সহ অন্যান্য দুগ্ধ জাত, সাময়িকভাবে এরিয়ে চলাই উত্তম, কেননা এগুল হজমের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।
- কাঁচা সবজি খাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। আপনি যদি কাঁচা সবজি এবং খোসাযুক্ত ফল খান, তাহলে এগুলো হজম হতে সময় লাগে। ফল খেলে অবশ্যই তার খোসা ছাড়িয়ে তারপর খেতে হবে, তবে সেদ্ধ করে খাওয়া সব থেকে উপযুক্ত, যেমন খোসা বিহীন সিদ্ব আপেল খাওয়া উপযুক্ত।
- ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল জাতীয় খাবার থেকেও দূরে থাকবেন। কেননা ক্যাফেইন যুক্ত খাবার যেমন চা, কফি এবং সোডা সহ অ্যালকোহল পেটে গন্ডগোলের সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে ভাজাপোড়া খাবারও হজমে সমস্যা ঘটাতে পারে তাই এ ব্যাপারেও নজর রাখবেন।
- উচ্চ আশযুক্ত খাবার যেমন ডাল মটরশুটি ভুট্টা বা গোটা শস্যের মত খাবার খাওয়া থেকেও সাময়িকভাবে দূরে থাকবেন। কেননা রক্ত আমাশয়ের ক্ষেত্রে উচ্চ আশ যুক্ত খাবার, এবং উচ্চ ফাইভার যুক্ত খাবার আমাশয়ের লক্ষণ আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।
উপসংহার। রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত
রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত আর্টিকেলটিতে, ইতিমধ্যে রক্ত আমাশয়ের বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আপনি যদি রক্তমাশায় ভুগে থাকেন, এবং আমাশয়ের ক্ষেত্রে শরীরে জ্বর, পেটে তীব্র ব্যথা, মলের সাথে রক্তপাত বন্ধ না হয় । এবং ঘরোয়া প্রতিকার যদি কোন প্রকার ফলাফল না মেলে,তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের স্বর্ণপর্ণ হবেন। কেননা এটি আপনার শরীরে গুরুতর কোন সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। গুরুতর অবস্থায় কোনমতেই অবহেলা করলে চলবে না।
তবে অবশ্যই আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে, রক্ত আমাশয় বা আমাশয়ের সমস্যা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে, সতর্কতা মেনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, বাথরুম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পরিবেশ দূষণ থেকেও বিরত থাকবেন। রক্ত আমাশা হলে কি খাওয়া উচিত আর্টিকেলটি, এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url