পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
আমাশয়ের সমস্যা আমাদের সকলের কাছেই পরিচিত। কেননা আমরা হয়তো সকলেই কমবেশি আমাশয়ের সমস্যায় পড়েছি। আমাশয় সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে, এর মধ্যে একটি হল ব্যাসিলারি এবং অন্যটা অ্যামিবিক নামে পরিচিত। শরীরে আমাশয় হওয়ার মূল কারণ হলো, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের শিগেলা ব্যাকটেরিয়া এবং এন্টামোয়েবা হিস্টোলিটিকা নামক অ্যামিবার সংক্রমনের ধারা। এই আমাশয় যদি পুরনো হয় অর্থাৎ দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে শারীরিক বড় ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যার দেখা দিতে পারে।
আপনার যদি আমাশরের সমস্যা থেকে থাকে তাহলে, এর সঠিক চিকিৎসা করা অত্যন্ত জরুরি ও প্রয়োজনীয়। কেননা আমাশয়ের সমস্যা একজন মানুষের জন্য খুবই, কষ্টকর এবং বিরক্তিকর। যাইহোক আজকের আর্টিকেলটিতে, পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করার চেষ্টা করব।
পোস্ট সূচিপত্রঃ পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
- আমাশয় হওয়ার কারণ
- শরীরে আমাশয় হওয়ার লক্ষণ
- ব্যাসিলারি আমাশয় দ্বারা সংক্রামিত লক্ষণঃ
- অ্যামিবিক দ্বারা সংক্রামিত আমাশয়ের লক্ষণঃ
- পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
- পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুনঃ
- আদা ও পুদিনা চা উপকারি হতে পারেঃ
- সহজে হজম হয় এমন খাবার খানঃ
- পুরনো আমশায় হলে যে সকল খাবার এড়িয়ে চলা উচিতঃ
- পুরনো আমাশয়ের ক্ষেত্রে উপযুক্ত চিকিৎসা
- উপসংহার। পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
আমাশয় হওয়ার কারণ
আর্টিকেলটির পূর্বেই বলা হয়েছিল, আমাদের কারো কাছে আমাশয় অপরিচিত কোন রোগ নয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমাশয় সমস্যা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। কেননা শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই কম থাকে। আমাশয়ের বেশ কিছু কারণ রয়েছে এর মধ্যে সব থেকে অন্যতম জীবাণু সংক্রমণের মাধ্যমে। চলুন তাহলে আর্টিকেলটি শুরুতেই আমাশয় হওয়ার কারণগুলি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
- আমাশয় সমস্যা দেখা দেওয়ার সব থেকে প্রধান কারণ হলো, শিগেলা ব্যাকটেরিয়া অর্থাৎ ব্যাসিলারি ডিসেন্ট্রি। এছাড়াও এন্টামিবা হিস্টলিটিকা নামাজ পরজীবী অ্যামিবিয়াসিসের ফলে। এগুলো সাধারণত দূষিত পরিবেশের কারণে শরীরে দেখা দিতে পারে।
- পানি আমাদের শারীরিক সুস্থতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে আপনি যদি দূষিত কোনো, পরজীবি যুক্ত পানি পান করেন তাহলে আমাশয় সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- দূষিত ও অপরিষ্কার খাবার খাওয়া থেকেও বিরত থাকা সব থেকে উত্তম। আপনি যদি, রাস্তার খাবার, আদা পাকা, বা সংরক্ষণ করা খাবার ঠিকমতো রান্না না করে খান, সে ক্ষেত্রেও আমাশয়ের সমস্যা লক্ষ্য করতে পারেন।
- যে সকল এলাকায় স্যানিটাইজেশন ব্যবস্থা ভালো নয়। সে সকল জায়গায় আমাশা ছড়ানো সম্ভাবনা অনেক বেশি। একজন আমাশয় আক্রান্ত ব্যক্তির, মলের ধারাও অন্য আরেকজন ব্যক্তি, এই সংক্রমণের কবলেই পড়তে পারে।
- সঠিক স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার জন্য, অবশ্যই সকলকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাস করা অত্যন্ত উপযোগী। অপরিষ্কার পরিবেশ, যেখানে পরিবেশ দূষণ রয়েছে, মশা মাছির উপদ্রব অনেক বেশি একই সঙ্গে দূষিত নালা বা নর্দমা রয়েছে সেখানে আমাশয় হওয়ার সম্ববনা অনেক বেশি।
- বাচ্চাদের এবং বৃদ্ধ মানুষদের, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই দুর্বল থাকে। যার ফলে এদের শরীরে খুব সহজেই আমাশয়ের সংক্রামন দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে একজন আক্রান্ত ব্যক্তি যদি, নিজেকে সম্পূর্ণরূপে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখে, সে ক্ষেত্রেও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সমস্যা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
শরীরে আমাশয় হওয়ার লক্ষণ
পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা, আর্টিকেলটিতে ইতিমধ্যেই আমাশয় হওয়ার বেশ কিছু কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে। আমাশয় সাধারণত দুই প্রকার তা আমরা উপরে জেনেছি, কথা না বাড়িয়ে চলুন তাহলে, পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা আর্টিকেলটিতে, আমাশয় হওয়ার লক্ষণ গুলি জানার চেষ্টা করি।
ব্যাসিলারি আমাশয় দ্বারা সংক্রামিত লক্ষণঃ
আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা আমাশয়ের প্রকারভেদ সম্পর্কে জেনেছি। আমাশয় সাধারণত দুই প্রকার তা কারোই এখন অজানা নয়। এরমধ্যে একটি হল, ব্যাসিলারি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত আমাশয়। চলুন এখন এই ব্যাসিলারি ব্যাকটেরিয়া ধারা সংক্রামিত আমাশয়ের লক্ষণ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
- ব্যাসিলারি আমাশয়ের ক্ষেত্রে ঘন ঘন পাতলা মল হওয়া, মলের সাথে শ্লেষ্মা যুক্ত মল বের হওয়া একই সঙ্গে পাতলা মলের সাথে রক্ত বের হওয়ার লক্ষণ অনুভব করতে পারেন। এর সঙ্গে তীব্র পেট ব্যথা এবং পেটে মোছরানো ভাব ও অনুভব হতে পারে।
- এ সময় পেটে তিব্র ব্যাথা এবং খিচুনির দেখা মিলতে পারে। পেটে ফোলাভাব অনুভূতি হওয়া ও সাধারণ ব্যাপার। এ সকল সমস্যার পাশাপাশি আপনার শরীরে প্রায় সময় জ্বরের প্রবণতাও লক্ষ্য করা যেতে পারে।
- শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেওয়া, এ সময় খুবই সাধারণ ব্যাপার। কেননা আমাশয় ফলে শরীরে পানি শূন্যতার অভাব দেখা দেয়, যার ফলে এই শারীরিক দুর্বলতার দেখা মেলে। একই সঙ্গে বমি বমি ভাব সহ কোন কোন ক্ষেত্রে বমিও হতে পারে।
- বারবার মল ত্যাগের চাপ আসতে পারে তবে, টয়লেটে যাওয়ার পরে মলত্যাগ না হওয়ার মত সমস্যা হতে পারে। মলত্যাগ করার পর মনে হতে পারে, পেটের ভেতরে পরিপূর্ণ মল এখনো রয়েছে।
- ব্যাসিলরি আমাশয়ের লক্ষণের মধ্যে, শিশুদের খেতে না চাওয়া, অতিরিক্ত কান্নাকাটি করা একই সঙ্গে রক্ত মিশ্রিত মলও বের হতে পারে। শরীরকে ডি হাইড্রেট করে দিতে পারে আমাশয়ের সমস্যায়।
অ্যামিবিক দ্বারা সংক্রামিত আমাশয়ের লক্ষণঃ
আজকের আর্টিকেলটি, পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে। তবে ইতিমধ্যেই, ব্যাসিলারি আমাশয় দ্বারা সংক্রমিত বেশ কিছু লক্ষণ সম্পর্কে, বলা হয়েছে। এখন অ্যামিবিক ( এন্টোমোইবা হিস্টোলাইটিকা) নামক পরজীবী ধারা সৃষ্ট আমাশয়ের লক্ষণ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
আরো পড়ুনঃ রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত জানুন।
- অ্যামিবিক অর্থাৎ পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট আমাশয়ের লক্ষণ গুলির মধ্যে, ঘন ঘন ডায়রিয়া হওয়া, একই সঙ্গে সামান্য রক্ত সহ শ্লেষ্মা যুক্ত মল দেখা দিতে পারে। প্রচন্ড পরিমাণে পেতের ডান দিকে ব্যথা অনুভব হতে পারে এ সময়।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে জ্বর এবং ঠান্ডা লাগার মতো অনুভূতি হতে পারে। বারবার এবং ঘন ঘন মলত্যাগের অনুভূতি হওয়া খুবই সাধারণ ব্যাপার। এ সময় পেটে গ্যাস এবং পেট ফাপার মত সমস্যার দেখা ও মিলতে পারে।
- পরজীবী ধারা সৃষ্ট আমাশয়, পুরনো আমাশয় হলে শরীরের ওজন কমে যাওয়ার মত সমস্যার দেখা মিলতে পারে। বমি বমি ভাব সহ বমিও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় শরীরে ক্লান্তি অনুভব করা খুবই সাধারণ ব্যাপার, কেননা আমাশয় হলেই শরীরে পানি শূন্যতার অভাব দেখা দেয়।
- শরীরে অনেক সময় মৃদু জ্বর থাকতে পারে, একই সঙ্গে যকৃত ফুলে যাওয়ার মত লক্ষণ অনুভব হতে পারে, তবে যদি লিভারে অ্যাবসেস হয়। শিশুদেরও এ সময় পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, মলের সাথে রক্ত, জ্বর ও ঠান্ডা লাগা সহ দুর্বলতা ও ক্লান্তির দেখা মিলতে পারে।
পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
আজকের আর্টিকেলটির মূল বিষয়, পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে। আর্টিকেলটিতে ইতিমধ্যে আমাশয় হওয়ার কারণ এবং লক্ষণ সম্পর্কে আমরা জেনেছি। আমাদের মধ্যে কারো আমাশয়ের সমস্যা হলে, শারীরিক বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়।
তবে এই আমাশয় যদি হয় পুরনো, অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি আমাশয় ফলে শরীরে (IBS, IBD) এর মত স্বাস্থ্য সমস্যা সহ অন্ত্রের ছিদ্র হওয়ার মতো বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এখন তাহলে পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা সহ, এর সমাধান করার ব্যাপারে জানার চেষ্টা করি।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুনঃ
আমাশয় রোগির জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। কেননা একজন আমাশয়ের রোগীর, ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যায়। যার ফলে পানি শূন্যতার দেখা মেলে, এজন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে পানি শুন্যতার অভাব পূরণ হয়
তবে সব থেকে উপযুক্ত হল স্যালাইন পানি পান করা। কেননা ওরাল রিহাইড্রেসন সলিউশন পান করার ফলে শরীরের ইলেকট্রোলাইট এবং খনিজ লবণের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। আমাশয় রোগের জন্য যা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান।
আদা ও পুদিনা চা উপকারি হতে পারেঃ
আপনার যদি আমাশয়ের ফলে, পেট ফাপা, পেটে ব্যথা সহ অস্বস্তি কাজ করে সেক্ষেত্রে আদা চা খুবই উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে। কেননা আদা হজম প্রক্রিয়াকে, উন্নত করতে সাহায্য করে, চাইলে গরম পানির সঙ্গে আদার রস, লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে একসঙ্গে পান করতে পারেন, আমাশয় সমস্যায় ভালো ফলাফল মিলতে পারে।
অন্যদিকে আপনার যদি, পুরনো আমাশয়ের ফলে, বমি বমি ভাব দেখা দেয়, সে ক্ষেত্রে পুদিনা চা খেতে পারেন এ সময় এটা উপকারী । যদিও এটি সরাসরি আমাশা নিরাময় করে না তবে আপনার, বমির উপসর্গ থাকলে, খুবই উপকারী হবে।
সহজে হজম হয় এমন খাবার খানঃ
আমাশয় হোক কিংবা পুরানো আমাশয়, এই রোগের জন্য, নরম এবং সহজ পচ্য খাবার খুবই উপকারী। কেননা এটি শরীরকে, তরল সরবরাহ করে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। এ সকল খাবার মধ্যে আপনি, ভাত, রুটি ও কলা, ইসবগুলের ভুষি, ডাবের পানি, ভাতের মাড় ও ডালিমের রস খেতে পারেন।
পুরানো আমাশয় হলে, দই খাওয়া উপকারী, কেননা দইতে প্রোবায়োটিক থাকে যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে। এছাড়াও সেদ্ধ সবজি খাওয়া এ সময় খুবই উপকারী।
পুরনো আমশায় হলে যে সকল খাবার এড়িয়ে চলা উচিতঃ
পুরনো আমাশয়ের ক্ষেত্রে, সহজে হজম হয় এমন খাবার যেমন উপকারী। ঠিক তেমনি কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো এড়িয়ে চলার সবথেকে উত্তম। এই খাবার গুলোর মধ্যে তৈলাক্ত ও মসলা খাবার, খাওয়া থেকে এগিয়ে চলা সব থেকে উত্তম।
আরো পড়ুনঃ হাত পা চাবানোর ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে জানুন।
কেননা এগুলো হজম প্রক্রিয়াকে কঠিন করে তোলে। দুগ্ধ জাত পন্য যেমন, দুধ, পনির, চর্বিযুক্ত দই, কাঁচা বা অপরিপক্ক খাবার সহ প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা আমাশয় রোগের জন্য উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে।
পুরনো আমাশয়ের ক্ষেত্রে উপযুক্ত চিকিৎসা
পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে, বেশ কিছু তথ্য ইতি মধ্যেই তুলে ধরা হয়েছে। আমশয় যদি দীর্ঘস্থায়ী বা পুরনো হয়, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, রোগের সঠিক অবস্থা নির্ণয় করে, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একজন আমাশয় রোগীর দৈনন্দিন জীবনযাপন, খুবই দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।
খাবার খাওয়াতে অনিহা ও বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়, তা আমরা আর্টিকেলটির উপরে জেনেছি। আপনার যদি আমাশয় পুরনো বা দীর্ঘস্থায়ী হয়, সে ক্ষেত্রে ঘরোয়া প্রতিকারের পাশাপাশি অবশ্যই একজন দক্ষ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
উপসংহার। পুরনো আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
আজকের আর্টিকেলটিতে, পুরনো আমাশা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা সহ এর কারণ ও লক্ষণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আমাশয়ের দীর্ঘস্থায়ী হলে, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী। চিকিৎসক যদি আপনার অবস্থা বুঝে, অ্যান্টিবায়োটিক বা প্যারোমোমাইসিনের মত, ওষুধ দিলে তা সেবন করুন। একই সঙ্গে পুরনো আমাশয়ের ঘরোয়া চিকিৎসার ব্যাপারেও সতর্ক থাকুন। আমাশয় এমন একটি অসুস্থতা, যা দীর্ঘস্থায়ী হলে আপনার শারীরিক, স্বাস্থ্য সহ জীবন যাপন কঠিন করে তুলতে পারে।
এজন্য অবশ্যই, আপনার স্বাস্থ্য ও জীবনকে সুন্দর করার জন্য, এর সঠিক চিকিৎসা নেওয়ার চেষ্টা করুন। পুরনো আমশার রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা আর্টিকেলটি, এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url