কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারন
শিশুদের মধ্যে কানে ব্যাথার সমস্যা সব থেকে বেশি লক্ষ্য করা যায়। তবে কানে ব্যথার সমস্যা যে কোন বয়সের মানুষের যে কোন সময় হতে পারে। কানে ব্যথা বিভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে, তবে সব থেকে অন্যতম কারণ হলো কানের সংক্রমণ দেখা দেওয়া সহ কানে অতিরিক্ত মোম জমে যাওয়া। কানের ব্যথার সমস্যা অনেকের এক কানে হয়ে থাকে আবার অনেকের দুই কানেই। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করা যায়, এক কানে ব্যথা হওয়ার প্রবণতায় বেশিরভাগ মানুষ ভুগে থাকেন।
কানের ব্যথা খুবই বিরক্তিকর একটি সাধারণ সমস্যা। প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরোয়া চিকিৎসার মাধ্যমে, সমাধানে আনা সম্ভব হতে পারে। চলুন তাহলে আজকের ব্লগটিতে, কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা সহ এর কারণ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। আপনার এমন সমস্যা থাকলে, আজকের ব্লগটি আপনার জন্য খুবই উপকারী হতে পারে।
পোস্ট সূচিপত্রঃ কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারন
- কানে ব্যথা হওয়ার যে সকল কারণ রয়েছে
- কানে ব্যথার সাধারণ লক্ষণ
- কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা
- রসুনের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে ব্যবহারঃ
- আদা এবং তুলসী পাতার রসের ব্যবহারঃ
- মাথা উঁচু করে ঘুমানোঃ
- কানে গরম সেক দেওয়া উপকারীঃ
- বাম্প নেওয়াও উপকারী হতে পারেঃ
- সরিষার তেলের ব্যবহারঃ
- কানের ব্যথায় সতর্কতা
- উপসংহার। কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারণ
কানে ব্যথা হওয়ার যে সকল কারণ রয়েছে
কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্লগটিতে, আমরা শুরুতে জানার চেষ্টা করব কানে ব্যথা হওয়ার কারণগুলি সম্পর্কে। ব্লগের শুরুতেই বলা হয়েছিল কানে ব্যথা বিভিন্ন কারনে হতে পারে ,এটি আমাদের জন্য একটি সাধারণ সমস্যা। কথা না বাড়িয়ে চলুন তাহলে, কানে ব্যথা হওয়ার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্লগটির, শুরুতেই কানে ব্যথা হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
- আমাদের মধ্যে কারো কানে ব্যথা হওয়ার সব থেকে অন্যতম, প্রধান হল কানের ইনফেকশন। সাধারণত মধ্যকানে (Otitis media) সংক্রামন ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার ফলে কানের ভেতরে মোম জমে যায়, যার ফলে সর্দি-কাশি সহ, ব্যথার অনুভব হতে পারে। এই সংক্রমণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, শিশুদের মধ্যে বেশি লক্ষ্য করা যায়।
- অন্যদিকে কানের ভিতরে মোম জমে যাওয়ার ফলেও, কানে ব্যথা অনুভব হয়। কেননা আমাদের কানে যদি মম জমে যায় সেক্ষেত্রে, কান বন্ধ লাগা, ঠিকমতো শব্দ শুনতে না পাওয়া সহ ব্যথা ও চাপ অনুভব হওয়া খুবই সাধারণ ব্যাপার।
- আমাদের কানের ভিতর একটি পর্দা থাকে তা হয়তো সকলেই জানি। যদি এই পর্দা কোনভাবে ফুলে বা ছিদ্র হয়ে যায়, তাহলেও কানে ব্যাথার সৃষ্টি হতে পারে। সাধারণ ভাবে কানে পানি ঢোকা, হঠাৎ জোরে শব্দসহ আঘাত ও ইনফেকশনের কারণে এমনটা হতে পারে।
- গলায় যেকোনো সমস্যা দেখা দিলেও, কানে ব্যথা অনুভব হতে পারে। আমাদের যদি টনসিলের সমস্যা হয়, তাহলে এই ব্যথা গলা থেকে কানেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে দাঁতের ব্যথার ক্ষেত্রেও, ব্যথা কানে ছড়িয়ে পড়া সম্ভাবনা রয়েছে। যাদের আক্কেল দাঁত, গজিয়েছে তারা হয়তো এই ব্যথা অনুভব করতে পেরেছে।
- জ্বর, সর্দি-কাশি সহ সাইনাসের সমস্যা দেখা দিলে, কানে ব্যথা অনুভব হতে পারে। কেননা সাধারণত সাইনাসের সমস্যা বন্ধ হয়ে গেলে তা কানের উপরে চাপের সৃষ্টি করে এবং ব্যথা অনুভব হয়। এ ব্যাপারে ঘাবড়ানোর কিছু নেই, সাধারণ ভাবেই আবার কমে যেতে পারে।
- অন্যদিকে এলার্জির কারণেও, কানের ব্যাথার দেখা মিলতে পারে। কেননা এলার্জি হলে নাক, কান, গলার সংযোগস্থল ফুল গিয়ে, এই ব্যথার সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া সাঁতার কাটার সময়, কানে পানি ঢুকে গেলে ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে, এটাও খেয়াল রাখবেন।
কানে ব্যথার সাধারণ লক্ষণ
কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারন, ব্লগটিতে ইতিমধ্যে কানে ব্যথার বেশ কিছু কারণ সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আমাদের মধ্যে কেউ যদি কানে ব্যাথার, পড়ে থাকেন তাহলে কানে ব্যথার সঙ্গে বেশ কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এখন কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারন, ব্লগটিতে কানে ব্যথা হওয়ার সাধারণ লক্ষণ গুলি জানার চেষ্টা করব।
- সাধারণত কানে ব্যাথার সমস্যায় কানে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভূতি হতে পারে। এ সময় হালকা-তিব্র ব্যথা সহ কানে চাপ দিলে, ব্যথা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কানের ভেতরটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত অনুভূতিও হতে পারে, যে কারণে আপনি শব্দ স্বাভাবিকের তুলনায় কম শুনতে পারেন।
- কানের ভেতর থেকে পুজ বা পানি বের হতে পারে, যদি আপনার ব্যথা সংক্রমণের কারণে দেখা দেয় সেক্ষেত্রে। কানের ইনফেকশনের কারণে, শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে জ্বরের ও দেখা মিলতে পারে।
- কানের ব্যথায় একজন মানুষের, মাথা ব্যথা বা মাথা ঘোরার মত লক্ষণও অনুভব করতে পারে। অনেক সময় এই ব্যথার কারণে, মুখের চোয়াল নাড়ালেও ব্যথা অনুভব হতে পারে, এটিও কানের ব্যাথার অন্যতম লক্ষণগুলির মধ্যে পড়ে।
- কানের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের শব্দ অনুভব হতে পারে, যে শব্দ কানের ভিতর হচ্ছে বলে আপনার অনুভব হওয়া সাধারণ ব্যাপার। টনসিল বা গলার ইনফেকশনের কারণেও কানে ব্যথা একসাথে দেখা দিতে পারে।
- এছাড়াও শিশুদের ক্ষেত্রে, কানের ব্যথায় ঘুম কম হওয়া, খাবারে অনীহা, অতিরিক্ত কান্নাকাটি সহ কান বারবার টেনে ধরার লক্ষণও অনুভব করতে পারেন। আপনার শিশুর যদি কানে ব্যথার এমন লক্ষণ অনুভব হয়, তাহলে অবশ্যই এর যথাগত ব্যবস্থা নিবেন।
কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা
আজকের ব্লগের মূল বিষয় কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে। কানে ব্যথার বেশ কিছু কারণ এবং লক্ষণ সম্পর্কে ইতিমধ্যেই আলোচনা করা হয়েছে। আপনার যদি কানে ব্যথার সমস্যায় এমন লক্ষণ অনুভব হয় তাহলে, অবশ্যই এর সঠিক কারণ নির্ণয় করে যত্ন করা অত্যন্ত জরুরি। আপনার কানে ব্যথা সাধারণভাবে হলে এর ঘরোয়া কিছু চিকিৎসার মাধ্যমে, সমাধানে আনা সম্ভব হতে। চলুন তাহলে ব্লগটির মূল বিষয়, কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
রসুনের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে ব্যবহারঃ
কানের ব্যথা হলে, রসুনের সাথে অলিভ অয়েল তেল মিশিয়ে ব্যবহার করলে প্রাকৃতিকভাবে উপকার মিলতে পারে। কেননা রসুনে প্রদাহ বিরোধী, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং এন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান বিদ্যমান। এজন্য, অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল, তেল গরম করে তার ভিতরে রসুন থেতো করে দিয়ে দিন। এরপর এই তেল এবং রসুনের মিশ্রণ গরম করুন।
গরম করা হয়ে গেলে, একদিন পর সেকে সম্পন্ন তেল বের করে নিন। সবশেষে এ তেল একটি কটন বাডে লাগিয়ে, কানের ভিতরে এবং বাইরে কয়েক ফোটা লাগিয়ে দিতে পারেন। তবে মাথায় রাখবেন আপনার যদি, কানের পর্দা ফেটে যাওয়া বা কানে আঘাত থাকে, তাহলে এই উপকরন ব্যবহার উচিত নয়।
আদা এবং তুলসী পাতার রসের ব্যবহারঃ
কানে ব্যথার ক্ষেত্রে আদা ও তুলসী পাতার রসের ব্যবহার উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে। আধা থেঁতো করে এর রস কানের বাইরে অংশে লাগালে, কানের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করবে। অন্যদিকে তুলসী পাতার রসও থেঁতো করে, কানের বাইরের অংশে লাগালে আরাম পাওয়া যায়।
তবে এখানেও সতর্কতা রয়েছে, আপনার যদি কানের পর্দা ছিড়ে যাওয়াসহ কানে কোন সংক্রমণের দেখা মেলে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবথেকে উত্তম। তাছাড়া আদা এবং তুলসী পাতার রস, কানের ভেতরে ব্যবহার না করাই ভালো।
মাথা উঁচু করে ঘুমানোঃ
কানের ব্যথার সমস্যায়, মাথা উঁচু করে ঘুমানো অনেক সময় উপকারী হতে পারে। বিশেষ করে যদি আপনার কানের ব্যথা কানের ভিতরে তরল জমা হওয়ার কারণে হয়, একই সঙ্গে কান বন্ধ থাকা অনুভব হয়,তাহলে মাথা শরীরের থেকে উঁচু করে রাখা, খুবই উপকারী প্রভাব ফেলে।
কেননা কানে তরল জমা হলে, মাথা উঁচু করে রাখলে তা, বের হতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে। কানে তরল জমা হওয়ার কারণে যদি কান বন্ধ হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে চাইলে চুইংগাম চাবাতে পারেন। কেননা ঘন ঘন ঢোক গিললে কানের ব্লক খুলতে সাহায্য করতে পারে।
কানে গরম সেক দেওয়া উপকারীঃ
আপনার যদি কানের ভেতরে অতিরিক্ত পুজ বা মোম জমে, ব্যথার সৃষ্টি হয় তাহলে গরম সে দেওয়া উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে। এজন্য এ সময় আপনি , পরিষ্কার কিছু পানি নিয়ে তা গরম করুন। পানি গরম করা হয়ে গেলে এর ভিতর একটি কাপড় ভিজিয়ে, পানি নিংড়ে কাপড়টি গরম থাকা অবস্থায় কানের উপরে কয়েক মিনিটের জন্য রেখে দিন।
এটি আপনার কানের ভিতরে জমে থাকা পুজ এবং মোম বের করে দিতে সাহায্য করবে। প্রয়োজন হলে কানের উপরে একটি শুকনো কাপড় রেখে তারপর ভেজা কাপড়টি রাখতে পারেন। একই সঙ্গে কানের পুজ ও মোম বের করে দেওয়ার জন্য, মাথা কাথ করে রাখতে পারেন।
বাম্প নেওয়াও উপকারী হতে পারেঃ
কানের ব্যথা যদি কোন প্রকার সংক্রমণ অর্থাৎ সর্দি কাশি জনিত সমস্যার ফলে দেখা দেয়,তাহলে বাম্প নেওয়া উপকারী হতে পারে। কেননা নাক, কান, গলার ব্লক, বা ঠান্ডা কাশির কারণে ব্যথা হলে, বাম্প নেওয়ার ফলে মধ্য কর্ণের চাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে।
আরো পড়ুনঃ নাক বন্ধ হলে ঘরোয়া উপায়ে প্রতিকার সম্পর্কে জানুন।
এছাড়াও সর্দি কাশি ঠান্ডা জনিত সমস্যার ফলে, বাম্প নিলে আরাম পাওয়া যায়। আপনি যদি চান কানের ব্যথায়, সাধারণভাবে অলিভ অয়েল তেল গরম করে কয়েক ফোটা কানের ভিতরে ব্যবহার করতে পারেন। কানে কোন প্রকার ইনফেকশন থাকলে, এটি ব্যবহার উচিত নয়।
সরিষার তেলের ব্যবহারঃ
আপনার যদি সাধারন কোন কারনে কানের ব্যথা হয়, তাহলে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। সামান্য পরিমাণে সরিষার তেল কানে লাগালে, এটি কান পরিষ্কার রাখা সহ প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে অবশ্যই কানের ব্যথার জন্য আপনি যেকোনো তেল ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিয়ে নিবেন।
কানের মধ্যে কোন কিছু, ঢুকানো যেমন কটন বাড থেকে অবশ্যই বিরক্ত থাকা উচিত। এছাড়া গোসল করার সময় সাবধানে করুন, কানের ভেতরে যেন পানি প্রবেশ না করে।
কানের ব্যথায় সতর্কতা
কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারন, ব্লগটিতে ইতিমধ্যে, কানে ব্যথার বেশ কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে। আপনার কানে ব্যথা সাধারণ কোনো কারণে হয়ে থাকলে, ঘরোয়া ভাবে প্রতিকারের চেস্টা করতে পারেন। আমাদের সকলের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংগ কান। তবে কানের ব্যথা সব থেকে নিরাপদ, চিকিৎসা হলো, একজন নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
চিকিৎসক যদি আপনার অবস্থার, পর্যবেক্ষণ করে কোন প্রকার তেলের ব্যবহার সহ ঘরোয়া প্রতিকারের নির্দেশ দেয়। সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে, কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা অনুসরণ করতে পারেন। কানে কোন প্রকার তেল ব্যবহারের ফলে, সংক্রমণের ঝুকিও বেড়ে যেতে পারে। মাথায় রাখবেন কান আপনার, ব্যথা আপনার একই সঙ্গে কানের স্বাস্থ্য ভালো রাখাও আপনার জন্য জরুরী।
উপসংহার। কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারণ
কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারণ, ব্লগটিতে ইতিমধ্যে, কানে ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারণ সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। কানে ব্যথার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা মেনে চলার চেষ্টা করবেন। পরিবারের মধ্যে যদি কোন শিশুর কানে ব্যথা লক্ষ্য করেন। সেক্ষেত্রে শিশুর জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
তাছাড়া আপনার ব্যথা যদি দীর্ঘদিন যাবত অনুভব হয়, এজন্য সর্বদা সতর্ক থাকা সব থেকে উত্তম। আজকের ব্লগটি কানে ব্যাথার ঘরোয়া চিকিৎসা এবং কারন সম্পর্কে, এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url