জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না
শরীরের রক্তে বিলিরুবিন নামক হলুদ রঞ্জক পদার্থের মাত্রা বেড়ে গেলে, জন্ডিসের মতো সমস্যার দেখা মিলতে পারে। জন্ডিস সাধারণত কোন রোগ নয়, এটি লিভারের সমস্যা, পিত্তনালীতে বাধা সহ রক্তজনিত সমস্যার লক্ষণ। শরীরের জন্ডিসের সমস্যা দেখা দিলে, ত্বক, চোখ ও নক হলুদ বর্ণ ধারণ সহ প্রস্তাবের রং গারো হলুদ এবং বাদামি রঙের হয়ে যেতে পারে। জন্ডিসের সমস্যায়, লিভার, পিত্তথলি এবং পিত্তনালির উপড়ে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পরে।
লিভার, পিত্তথলি এবং পিত্তনালির উপর বাড়তি চাপ কমাতে, জন্ডিসের সমস্যায় দৈনন্দিনের খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন জরুরী। চলুন তাহলে আজকের এই ব্লগটিতে,জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না, এবং যেগুলো খাওয়া উপকারী হবে তা জানার চেষ্টা করি।
পোস্ট সূচিপত্রঃ জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না
- শরীরের জন্য জন্ডিসের সমস্যায়, যে সকল লক্ষণ উপলব্ধি হতে পারে
- শরীরের জন্ডিসের সমস্যা হওয়ার কারণ
- জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না
- অতিরিক্ত মিষ্টি ও চিনি জাতীয় খাবারঃ
- অতিরিক্ত তেল ও মসলাযুক্ত খাবারঃ
- রেড মিট অর্থাৎ লাল মাংস এড়িয়ে চলুনঃ
- অতিরিক্ত লবণ ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুনঃ
- ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট যুক্ত খাবারঃ
- জন্ডিসের সমস্যায় যে সকল খাবার উপকারী হতে পারেঃ
- উপসংহার। জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না
শরীরের জন্য জন্ডিসের সমস্যায়, যে সকল লক্ষণ উপলব্ধি হতে পারে
বিলিরুবিন নামক রঞ্জক পদার্থ, যা লোহিত রক্ত কণিকা ভাঙার ফলে তৈরি হয়। সাধারণত রক্তে অল্প পরিমাণে বিলিরুবিন থাকে। তবে যদি এর মাত্রা বেড়ে যায়, একই সঙ্গে লিভার সঠিকভাবে নিষ্কাশন না করতে পারে। সেক্ষেত্রে জন্ডিসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনার এমন সমস্যা দেখা দিলে বেশ কিছু লক্ষণ উপলব্ধি হতে পারে। চলুন তাহলে আর্টিকেলটির শুরুতেই, জন্ডিসের সমস্যায় যে সকল লক্ষণ উপলব্ধি হতে পারে তা জানার চেষ্টা করি।
- আপনার শরীরে জন্ডিসের সমস্যা দেখা দিলে, চোখের সাদা অংশ, ত্বক এবং জিব্বা হলুদ হয়ে যাওয়ার মত লক্ষণ উপলব্ধি হতে পারে। জন্ডিসের প্রধান লক্ষণ বলে বিবেচনা করা হয় শরীরের এমন হলুদ বর্ণ ধারণ করাকে।
- এমন সমস্যায় প্রস্রাবের রং ও গাড়ো হলুদ বর্ণ সহ বাদামী বা চায়ের রংয়ের হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে আপনার অন্ত্রে থাকা মলের রঙ ধূসর মাটি বা ফ্যাকাসে হতে পারে।
- শরীরে জন্ডিসের সমস্যায় আপনার অতিরিক্ত দুর্বলতা ও ক্লান্তির দেখা মেলাও সাধারণ লক্ষণ গুলির মধ্যে পড়ে। এমন সমস্যার ফলে আপনার শরীরের ক্ষুধা কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে দেখা মিলতে পারে বমি বমি ভাবের।
- আপনার যদি হেপাটাইটিসের কারণে জন্ডিসের দেখা মেলে। তাহলে শরীরে তীব্র জ্বর এবং কাপুনির দেখা মিলতে পারে। এমন সমস্যায় অনেক সময়, পেটের উপরে অংশে, অর্থাৎ লিভারের দিকে হালকা থেকে তীব্র ব্যথা উপলব্ধি হতে পারে।
- জন্ডিসের সমস্যা, তীব্র আকার ধারণ করলে, শরীরের ওজন দ্রুত কমে যেতে পারে। আপনার পা সহ পেট ফুলে যাওয়ার মত লক্ষণ দেখা দিতে পারে। মানসিক বিভ্রান্তি সহ ঘুম ঘুম ভাব অনুভূতি তিব্র আকারে হওয়া অসম্ভব কিছু না। তাছাড়া আপনার পিত্তে লবণ জমা হলে, ত্বকে চুলকানির মত সমস্যার দেখাও মিলতে পারে।
শরীরের জন্ডিসের সমস্যা হওয়ার কারণ
আজকের এই ব্লগটি, জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না, এ ব্যাপারে। ইতিমধ্যে জন্ডিসের বেশ কিছু লক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির রক্তে মোট বিলিরুবিনের পরিমান ০.১ থেকে ১.২ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের মধ্যে থাকে। ব্যক্তি ভেদে বিলিরুবিনের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। সঙ্গে এর পরিমাণ, সামান্যতম বৃদ্ধি পেলে জন্ডিস দেখা দেয়।
তবে শরীরে যদি, বিলিরুবিনের পরিমান ২ থেকে ৩ মিলিগ্রাম /ডেসিলিটার বা তার বেশি হলে উপসর্গগুলি দেখা দেওয়া শুরু করে। এখন তাহলে, শরীরে বিলিরুবিনের পরিমাণ বেড়ে জন্ডিস হওয়ার কারণ গুলি সম্পর্কে, জানার চেষ্টা করি চলুন।
আরো পড়ুনঃ স্কাবিস হলে কি কি খাওয়া যাবে না ? জানতে ক্লিক করুন।
- জন্ডিস হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো লিভারের সমস্যা। সাধারণত হেপাটাইটিস, নামক লিভারের ভাইরাস সংক্রমণ হলে এমন সমস্যার দেখা মেলে। অন্যদিকে ফ্যাটি লিভার,লিভার ক্যান্সার সহ লিভার সিরোসিসের সমস্যায় জন্ডিস হওয়া সাধারণ ব্যাপার।
- আপনি যদি দীর্ঘস্থায়ী মদ্যপানের অভ্যাসে অভ্যস্ত থাকেন। লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জন্ডিসের মতো সমস্যা সৃষ্টিকর্তে পারে। দীর্ঘস্থায়ী ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, লিভারের কার্যকারিতা দুর্বল করে এমন সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
- শুধু লিভারের সমস্যা নয়, দ্রুত লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়ার ফলেও ঘততে পারে এমন সমস্যা। ম্যালেরিয়া সহ থ্যালাসেমিয়ার মত, রক্ত রোগের সমস্যা ও শরীরে জন্ডিসের সৃষ্টি করতে বেশ কার্যকরী।
- আপনার শরীরে দীর্ঘস্থায়ী জ্বর নামক সংক্রমনের, প্রভাবে লিভারের কার্যকারিতা কমে জন্ডিস দেখা দিতে পারে। তাছাড়া দূষিত খাবার সহ পানি থেকে হেপাটাইটিস A ও E দেখা মিলতে পারে।
- পিত্তোনালীর সমস্যা যেমন, পিত্তথলিতে পাথর পিত্তনালিকে আটকে দিলে বিলিরুবিন বের হতে পারে না। অন্যদিকে পিত্তনালীর ক্যান্সার বা টিউমার, বিলিরুবিন নিষ্কাশনে বাধার সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলে দেখা দিতে পারে জন্ডিসের মত সমস্যা।
- নবজাতকের জন্ডিস, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণ ভাবে দেখা দিতে পারে। কেননা জন্মের পর একজন নবজাতকের লিভার পুরোপুরি কাজ করে না, যার ফলে রক্তের বিলিরুবিন জমে জায়।
- আপনি যদি দীর্ঘদিন ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া না করেন, এর ফলে অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দিয়ে, লিভারের কার্যকারিতা কমে জন্ডিসের সৃষ্টি করতে পারে। শরীরে তীব্র সংক্রমণ সহ জেনেটিক সমস্যার ফলে এমন সমস্যা অনেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে।
জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না
জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না, আজকের ব্লগটির মূল বিষয় এটি। বিশেষ করে জন্ডিসের সমস্যায় লিভারের উপরে চাপের সৃষ্টি করে। এমন সমস্যা মূলত, রক্তে বিলিরুবিনের উৎপাদন সঠিক ভাবে শরীর থেকে বের না হলে দেখা মিলতে পারে। জন্ডিস হলে সাধারণত লিভারের উপরে চাপ বাড়াতে পারে, এমন খাবার খাওয়া যাবে না।
সঙ্গে যে খাবার গুলো, লিভারের উপর চাপ কমায় এবং সহজে হজম হয়, এমন খাবার বেশ উপকারি। কথা না বাড়িয়ে চলুন তাহলে, জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না এবং যেগুলো উপকারী তা জানার চেষ্টা করি।
অতিরিক্ত মিষ্টি ও চিনি জাতীয় খাবারঃ
আমাদের মধ্যে কারো জন্ডিসের সমস্যা দেখা দিলে, এ সময় অতিরিক্ত মিষ্টি ও চিনি জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা ভালো। কেননা অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবারের ফলে, এটি লিভারের উপরে চাপ বাড়িয়ে তোলে এবং চর্বি প্রক্রিয়া করণে বাধ্য করে। অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে এটি রক্তে ফ্যাট হিসেবে জমা হয়।
জন্ডিসের সমস্যায় অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার, লিভারের কার্যকারিতা ব্যাহত করে। যার ফলে জন্ডিসের সমস্যা সমাধানে বাধার সৃষ্টি করে। তাছাড়া এমনিতেই অতিরিক্ত চিনি এবং মিষ্টি খাবার লিভারের জন্য ক্ষতিকর।
অতিরিক্ত তেল ও মসলা যুক্ত খাবারঃ
অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার, হজম প্রক্রিয়াকে ধির করে দেয়। জন্ডিসের সমস্যা হলে, অতিরিক্ত তেল ও মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরী। কেননা জন্ডিসের ফলে যকৃত দুর্বল থাকে, যার ফলে এমন খাবার হজম করা কঠিন হয়। একই সঙ্গে প্রদাহের সৃষ্টি করে লিভারের কার্যকারিতা আরো খারাপ করে তুলতে পারে।
তাছাড়া আমরা হয়তো সকলেই জানি, অতিরিক্ত তেল চর্বি ও ভাজাপোড়া খাবার, গ্যাস্ট্রিক, অ্যাসিডিটি সহ বদহজম বাড়িয়ে তোলে। জন্ডিসের সমস্যায় এমন, চর্বি যুক্ত খাবার যকৃতে জমা হয়ে, সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়াকে আরো ধীর করে দিতে পারে।
রেড মিট অর্থাৎ লাল মাংস এড়িয়ে চলুনঃ
জন্ডিসের সমস্যা সরাসরি লিভারের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে, যার ফলে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন সমস্যায় হালকা সহজ পচ্য খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি ও প্রয়োজনীয়। আপনি যদি জন্ডিসের সমস্যায় রেড মিট অর্থাৎ লাল মাংস খেতে চান, সে ক্ষেত্রে এগুলো লিভার উপরে বাড়তি চাপের সৃষ্টি করে।
কেননা লাল মাংসের উচ্চ প্রোটিন এবং চর্বি লিভারের জন্য প্রক্রিয়াকরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত লিভারের উপর অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি হয়। লাল মাংস খাওয়ার ফলে হজমে, খুবই সময়ের প্রয়োজন পড়ে, সঙ্গে অস্বস্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে।
অতিরিক্ত লবণ ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুনঃ
অতিরিক্ত লবণ ও অ্যালকোহল জন্ডিসের সমস্যার ক্ষেত্রে, এড়িয়ে চলা খুবই উপযুক্ত। আপনি হয়তো জানেন অ্যালকোহল সাধারণত, আমাদের লিভারের উপরে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। লিভারের কার্যকারিতা সঠিক রাখতে অ্যালকোহলকে না বলুন। জন্ডিসের সমস্যায় তো কোন ক্রমেই খাওয়া চলবে না।
আরো পড়ুনঃ কি খেলে পাইলস ভাল হয়, উপযুক্ত খাবার।
অন্যদিকে অতিরিক্ত লবণ অর্থাৎ সোডিয়াম সম্পৃক্ত খাবার। অতিরিক্ত পানি শোষণ করে যার ফলে লিভারের কার্যকারিতা বেড়ে যায়। জন্ডিসের সমস্যা সমাধানের জন্য, প্রসেসড ফুড, টিনজাত খাবার ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চললে, আরোগ্য পাওয়া সহজ হতে পারে।
ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট যুক্ত খাবারঃ
জন্ডিসের সমস্যার ক্ষেত্রে ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা খুবই উপযুক্ত। এই সকল খাবারের মধ্যে, ফাস্টফুড, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, সিঙ্গারা সহ পুরি জাতীয় ভাজা খাবার এরিয়ে চলুন। অন্যদিকে স্যাচুরেটেড ফ্যাট যেমন, মাখন, চিজ, ক্রিম এবং যে কোন প্রক্রিয়াজাত খাবার, সাময়িক সময়ের জন্য হলেও বন্ধ করুন।
কেননা এ ধরনের খাবার, হজম প্রক্রিয়া দুর্বল করে লিভারের কার্যকারিতা নষ্ট করে। শরীরে জন্ডিসের সমস্যা দেখা দিলে এমনিতেই লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন খাবারের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত লিভারের উপরে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। যার ফলে এমন খাবার সম্পূর্ণ বর্জন করা উচিত।
জন্ডিসের সমস্যায় যে সকল খাবার উপকারী হতে পারেঃ
আজকের এই ব্লকটিতে, জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না, এ ব্যাপারে কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। জন্ডিসের সমস্যায় এমন খাবার এড়িয়ে কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো খাওয়া খুবই উপযুক্ত। সাধারণত জন্ডিস হলে, সহজে হজম হয় এমন খাবার উপযুক্ত, যা লিভারের উপর থেকে বাড়তি চাপ কমায়। এখন তাহলে, জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না আর্টিকেলটিতে, জন্ডিসের সমস্যায় উপযুক্ত খাবার গুলি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি চলুন।
- আপনার শরীরে জন্ডিসের সমস্যা দেখা দিলে, সহজ পচ্য সবজি যেমন, লাউ, কুমড়া, পটল, গাজর, বিট, মিস্টি আলু, ঝিঙে সহ হালকা পরিমাণে করলা খেতে পারেন। এই সবজিগুল সহজে হজম হয়, একই সঙ্গে লিভারকে শান্ত রাখে।
- ফলের মধ্যে আপনি খেতে পারেন, পাকা পেঁপে, পাকা কলা, আপেল, আঙ্গুর, তরমুজ, কমলা, নাশপাতি ও ডাবের পানি। এই ফলগুলি ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা লিভারকে সুস্থ রাখা সহ কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
- শরীরে জন্ডিসের সমস্যায়, ডাবের পানি, হালকা লেবুর রস মেশানো পানি সহ প্রয়োজন মত বিশুদ্ধ পানি পান জরুরি। কেননা এমন সময় শরীরকে হাইড্রেট রাখা খুবই উপকারী। আপনি চাইলে হালকা সাদা ভাত ও নরম রুটি খেতে পারেন।
- জন্ডিসের সমস্যায় শরীরে প্রোটিনের চাহিদা পূরণে, সিদ্ধ করা ডাল, সিদ্ধ ডিমের সাদা অংশ এবং কম চর্বিযুক্ত মাছ খেতে পারেন। তবে এগুলো খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উপযুক্ত।
- কিছু ভেষজ ও প্রাকৃতিক খাবার জন্ডিসের সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারে। এজন্য উপকারিতা পেতে অল্প পরিমাণে আদা, তুলসী পাতা সহ পরিষ্কার আখের রস খেতে পারেন।
উপসংহার। জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না
জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না, ব্লকটিতে ইতিমধ্যে জন্ডিস হওয়ার কারণ, লক্ষণ সহ কি খাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে এ সময় কি উপকারি এগুলো আলোচনা করা হয়েছে। জন্ডিসের সমস্যায় বেশিরভাগ শরীরে জ্বরের দেখা মেলে। সাধারণ জ্বর ভেবে আমরা অনেকেই ভুল করে, ভুলভাল ওষুধ খেয়ে লিভারের খুব বড় ধরনের ক্ষতি করে ফেলি। আপনার শরীরে জন্ডিস তীব্র আকারে দেখা দিলে, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরী।
আপনার শরীরে, জন্ডিসের উপসর্গগুলি লক্ষ্য করলে, সতর্কতা অত্যন্ত জরুরী। এমন সময় দৈনন্দিনের খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন সহ যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ভুলবেন না। আজকের, জন্ডিস হলে কি খাওয়া যাবে না, আর্টিকেলটি এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url