হরমোন বেড়ে গেলে কি হয়

আমাদের শারীরিক সুস্থতার জন্য, হরমোনের গুরুত্ব অপরিসীম। হরমোন হলো এক ধরনের জৈব রাসায়নিক তরল, এগুলো শরীরের, কোন কোষ বা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে, রক্তের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন, অংশে পৌঁছে, শরীরের শক্তি উৎপাদন, শারীরিক বৃদ্বি বিকাশ, আচরণ নিয়ন্ত্রণ সহ, বিভিন্ন কিছু নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের শরীরে যদি হরমোনের মাত্রা, কমে যায় বা অনেক বেশি বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে  বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

হরমোন

আমাদের শারীরিক সুস্থতা, এবং সঠিক জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করার জন্য, বেশ কিছু হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে আজকের ব্লগটিতে আমরা জানার চেষ্টা করব, শরীরে হরমোন বেড়ে গেলে কি হয় তা সম্পর্কে। কথা না বাড়িয়ে, হরমোন বেড়ে গেলে কি হয়, ব্লগটি মনযোগ সহকারে পড়ুন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ হরমোন বেড়ে গেলে কি হয় 

শরীরের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ হরমোন এবং কার্যকারিতা 

শারীরিক সুস্থতার জন্য, নির্দিষ্ট কোন হরমোনের গুরুত্ব বলা আসলে খুবই কঠিন। আমাদের শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে কয়েক ধরনের হরমোন, গুরুত্বপূর্ণ ভাবে কার্যকরী। হরমোন বেড়ে গেলে কি হয়, এই ব্লকটির শুরুতেই আমরা জানার চেষ্টা করব, আমাদের দৈনন্দিন শারীরিক সুস্থতার জন্য, যে হরমোন গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেগুলো সম্পর্কে। 

  • আমাদের শরীরের জরুরি মুহূর্তে, শরীরকে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, অ্যাড্রেনালিন হরমোন। এই হরমোন কে আবার, ফাইট অফ ফ্লাইট হরমোন নামেও বলা হয়। 
  • পুরুষদের জন্য হাড়ের ঘনত্ব, পেশীর স্বাস্থ্য ভালো রাখা সহ যৌন স্বাস্থ্যের জন্য, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে টেস্টোস্টেরন নামক এক ধরনের হরমোন। টেস্টোস্টেরন হরমোন কে পুরুষদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হরমোন, বলে বিবেচনা করা হয়। 
  • আমাদের শারীরিক সুস্থতায় রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা কতটা জরুরি তা আমরা সকলেই জানি। এই কাজটি করে থাকে ইনসুলিন নামের এক ধরনের হরমোন। এটি অগ্নাশয় থেকে নিঃসৃত হয় এবং রক্তে শর্করা মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • মহিলাদের, জন্য ইস্ট্রোজেন নামক এক ধরনের হরমোন, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেননা এই হরমোন মহিলাদের প্রধান যৌন হরমোন, একই সঙ্গে তাদের প্রজনন স্বাস্থ্য এবং শারীরিক কার্যকারিতা ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
  • শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য, গ্রোথ হরমোন নামে এক ধরনের হরমোন, কাজ করে। এই হরমোনের কাজ হল শিশুদের উচ্চতা বাড়ায়, পেশী ও হার গঠনে সহায়তা করা, একই সঙ্গে শিশুর শারীরিক কার্য কলাপের সময় এই হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। 
  • এছাড়াও আরো কিছু হরমোন রয়েছে যেমন, ডোপামিন, সেরোটনিন, এন্ডোরফিন এবং অক্সিটোসিন। এই হরমোন গুলো আমাদের মেজাজ, ঠিক রাখা এবং শারীরিক সুস্থতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই হরমোন গুলোকে ভালো লাগার হরমোন বলে বিবেচনা করা হয়।
  • এছাড়াও শরীরের জন্য থাইরয়েড হরমোন, শারীরিক বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। কেননা থাইরয়েড হরমোন শরীরের তাপমাত্রা, পেশীগুলির শক্তি বজায় রাখা, হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ, সব ও হাড়কে শক্তিশালী রাখতে ও মস্তিষ্কের মেধা বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। 

হরমোন বেড়ে গেলে কি হয়, হরমোন বৃদ্ধিতে শারীরিক যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

হরমোন বেড়ে গেলে কি হয়, ব্লকটিতে ইতিমধ্যে আমাদের শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি হরমোনের ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। শারীরিক সুস্থতার জন্য মেধা বিকাশ সহ, শারীরিক বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা বজায় রাখতে, হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তবে,  ব্লগটির শুরুতেই বলা হয়েছিল, শরীরে হরমোন কমে গেলে, বা বেড়ে গেলে শারীরিক ভাবে সমস্যা দেখা দেয়। চলুন তাহলে, শরীরে হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে কি হয়, সে সম্পর্কে এখন জানার চেষ্টা করি। 

শরীরের ওজন বৃদ্ধি বা কমে যেতে পারেঃ

আমাদের শরীরে যদি হরমোন বেড়ে যায় তাহলে, অনেক সময় শরীরের ওজন বৃদ্ধি এবং কমে যেতে পারে। যেমন ধরুন শরীরে যদি থাইরয়েড হরমোন বেড়ে যায় সে ক্ষেত্রে, হাইপারথাইরয়েডিজম, নামক সমস্যার দেখা মেলে এবং ওজন কমে যায়।

হরমোন

আবার শরীরে স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে গেলে, এটি শরীরের মধ্যভাগ এবং উপরিভাগে চর্বি জমা করে। অন্যদিকে ইনসুলিনের মত হরমোন পরিবর্তনের ফলে শরীরের ওজন পরিবর্তন করতে, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। 

অতিরিক্ত গরম এবং ঘামের তৈরি করতে পারেঃ

শরীরে হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে, অতিরিক্ত গরম লাগা সহ অতিরিক্ত ঘামের সৃষ্টি করতে পারে। থাইরয়েড হরমোন বেড়ে গেলে, হাইপার থাইরয়েডিজম রোগের কারণে শরীরের অতিরিক্ত গরম এবং ঘামের দেখা মিলতে পারি।

আরো পড়ুনঃ থাইরয়েড কি খেলে ভাল হয় তা জানুন।


তাছাড়াও বয়সন্ধিকালে মেনোপজের সময় হরমোন বেড়ে যাওয়া এবং কমে যাওয়ার কারণে শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। হরমোনের পরিবর্তনের ফলে শরীরের ঘাম হওয়া সাধারণ, তবে যদি আপনার অতিরিক্ত গরম এবং ঘাম অস্বাভাবিক মনে হয়, সে ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরী। 

অনিদ্রা ও অতিরিক্ত টেনশন হওয়াঃ 

শরীরে হরমোনের ভারসামহীনতার কারণে, ঘুম না হওয়া সহ অতিরিক্ত মানসিক টেনশন দেখা দিতে পারে। কেননা কার্টিসল এবং অ্যাড্রেনালিন হরমোন বৃদ্ধির ফলে শরীরকে, ফাইট অফ ফ্লাইট মুডে নিয়ে যায়। যা থেকে শরীরে এই অনিদ্রা ও টেনশনের সমস্যা হয়।

এছাড়াও, শরীরে হাইপারথাইরয়েডিজম সমস্যায় থাইরয়েড গ্রন্থির অতিরিক্ত উৎপাদনের ফলে, অস্থিরতা ও ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে ইনসুলিন সহ টেস্টোস্টেরনের মত হরমোনের উৎপাদন কমে গেলে বা বেড়ে গেলে, মানসিক চাপ উদ্বেগ সহ ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

নারীদের পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিতে পারেঃ 

নারীদের জন্য, পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম PCOS বা থাইরয়েড সমস্যার মত বিভিন্ন হরমোন জনিত, সমস্যা বৃদ্ধি পেলে, অনিয়মিত, মাসিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ সময় অনিয়মিত মাসিক সহ অতিরিক্ত রক্তপাত, কোন কোন ক্ষেত্রে মাসিক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। নারীদের জন্য এই সমস্যার পাশাপাশি ব্যথা সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

নারীদের পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের ফলে, পুরুষ হরমোন অর্থাৎ অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, এছাড়াও পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত প্রল্যাকটিন হরমোন নিঃসরণের কারণেও, নারীদের অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা হতে পারে। 

নারী এবং পুরুষের যৌনতায় সমস্যা দেখা দিতে পারেঃ

সাধারণত, নারী এবং পুরুষের জন্য যৌন, ইচ্ছার সাথে জড়িত হল, টেস্টেস্টেরন হরমোন। যদি এই হরমোনের মাত্র অতিরিক্ত বেড়ে যায়, তাহলে এটি নারী এবং পুরুষ উভয়ের মধ্যে যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দিতে পারে। এছাড়াও এই হরমোন অতিরিক্ত মেজাজ পরিবর্তন সহ বিভিন্ন ধরনের মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

কেননা টেস্টোস্টেরন হরমোন পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণুর উৎপাদন কমাতে পারে, একই সঙ্গে প্রোস্টেট গ্রন্থি ফুলাতে পারে, উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধি করতে পারে সাথে রক্ত জমাট বাধার ঝুকিও বাড়াতে পারে। এই হরমন, এই সকল সমস্যার পাশাপাশি ওজন বৃদ্ধি এবং অনিদ্রার সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। 

ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া ও কমে যাওয়াঃ

আমাদের মধ্যে কারো শরীরে হরমোন বেড়ে গেলে, ক্ষুদা বেড়ে যাওয়া এবং কমে যাওয়ার মত সমস্যা  দেখা যেতে পারে। তবে এটি কোন হরমোনের কারণে বাড়ছে তার উপর নির্ভর করে। কেননা হাইপারথাইরয়েডিজম থাইরয়েড হরমোনের বৃদ্ধির ফলে, শরীরে মেটাবলিজমের বেড়ে যায়, ফলে অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগা অনুভব হতে পারে একই সঙ্গে পর্যাপ্ত খাবার খাওয়ার পর শরীরের ওজন কমে যেতে পারে। 

নির্দিষ্ট কিছু হরমোন যেমন, স্ট্রেস হরমন সহ থাইরয়েড হরমোনের অভাব হলে, শরীরের ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দেয়, যা খুদা কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্ষুধা কমে যাওয়ার বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে, মানসিক চাপ এবং কিছু ওষুধের কারণেও হজমে সমস্যা হয়ে খুদা কমে যেতে পারে। 

ত্বক ও চুলের সমাস্যা হয়ঃ

আমাদের মধ্যে কারো যদি, শরীরে অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় তাহলে, তক ও চুলের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যা গুলোর মধ্যে ব্রণ হওয়া, ত্বকের তেলতলে ভাব বেড়ে যাওয়া, নারীদের মুখে অবাঞ্ছিত লোম হওয়া সহ চুল ঝরে পড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পুরুষদেরও এই হরমোনের বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মুখে ও শরীরে অতিরিক্ত লোম গজায়। এছাড়াও হাইপার পিগমেন্টেশন যেমন, ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোনের পরিবর্তনের ফলে ত্বকে কালো দাগ তৈরি করতে পারে। এছাড়াও শরীরে উদ্বেগ এবং শারীরিক দুর্বলতার দেখা মিলতে পারে। 

অন্যান্য আরো কিছু সমস্যাঃ 

শরীরে যদি হরমোন বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়, তাহলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা অনুভব হতে পারে, এগুলোর মধ্যে মেজাজ খিট হয়ে যাওয়া, মাথা ব্যথা, পেট মোটা হয়ে যাওয়া, দ্রুত হৃদস্পন্দন,  শ্বাসকষ্ট সহ উপরে উল্লেখিত বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য অবশ্যই রক্ত পরীক্ষা করিয়ে, আপনার শরীরে কোন ধরনের হরমোন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং এই হরমোন বৃদ্ধির কারণে, যে সকল সমস্যার দেখা দিচ্ছে তা অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরী। 

শরীরে হরমোন বৃদ্ধি পেলে করণীয় 

আজকের আর্টিকেলটি, হরমোন বেড়ে গেলে কি হয় ? এ সম্পর্কে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। শরীরে হরমোন বৃদ্ধি পেলে শারীরিক বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়, তা সকলের কাছেই এখন পরিষ্কার। তবে শরীরে হরমোন বৃদ্ধি পেলে বেশ কিছু করণীয় হয়েছে, যেগুলো মেনে, এর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী, না হলে শারীরিক বড় ধরনের স্বাস্থ ঝুঁকির তৈরি করতে পারে। এখন তাহলে, হরমোন বেড়ে গেলে কি হয় আর্টিকেলটিতে, হরমোন বৃদ্ধি পেলে করণীয় সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। 

আরো পড়ুনঃ শরীর গরম থাকা কিসের লক্ষণ।

  • আপনার শরীরে হরমোন বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন, লক্ষণ  অনুভব করলে, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কেননা এ সময় হরমোন বেড়ে যাওয়া নির্দিষ্ট কারণ জেনে, সঠিক চিকিৎসা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। হরমোনের ভারসাম্য শরীরে সঠিক মাত্রায় না থাকলে, তা গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার দিকে ধাবিত করতে পারে। 
হরমোন


  • এছাড়াও আপনার শরীরে যদি থাইরয়েড হরমোন বেড়ে যায় তাহলে, এ অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সব থেকে উপযুক্ত। কেননা থাইরয়েড হরমোনের চিকিৎসা না করালে, জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। 
  • আপনার যদি, সামান্য কোন কারনেই মানসিক চাপ এবং উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। তাহলে অবশ্যই মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমান। প্রয়োজন পরে এজন্য, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, মানসিক চাপ কমানোর ব্যায়ামও করতে পারেন। 
  • ধূমপান ত্যাগ করা অত্যন্ত জরুরি, কেননা ধূমপানের ফলে, কার্টিসলের মত হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এজন্য অবশ্যই ধূমপান ত্যাগ করা উচিত, তাছাড়াও ধূমপান আমাদের হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এ সময়ে শরীরের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি। 
  • হরমোন সমস্যা দেখা দিলে সুষম খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরী, এজন্য অবশ্যই পুষ্টিকর প্রোটিন সমৃদ্ধ, চর্বিহিন খাবার, ফলমূল এবং শাকসবজি খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। অন্যদিকে অতিরিক্ত চিনি, ক্যাফেইন এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া কমানো উপকারী।

উপসংহার। হরমোন বেড়ে গেলে কি হয় 

হরমোন বেড়ে গেলে কি হয়, এই ব্লগটিতে হরমোন বেড়ে গেলে কি হয়, হরমোন বেড়ে যাওয়ার কারণ সহ এর করণীয় সম্পর্কে ইতিমধ্যেই, কিছু তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। হরমোনের সমস্যায় অবশ্যই চিকিৎসকের, সংস্পর্শে থেকে, জীবনযাত্রা সঠিক নিয়ম নিশ্চিত করা জরুরী। তাছাড়াও আপনার হরমোনের সমস্যায় যদি, তীব্র মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগের লক্ষণ সহ কোন গুরুতর লক্ষণ অনুভব করেন, এজন্য দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। 

কেননা, আপনার হরমোনের সমস্যা নিয়ন্ত্রনে আনার, প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্য, চিকিৎসকের পরামর্শ সব থেকে উত্তম যার কোন বিকল্প নেই। হরমোনের সমস্যায় আপনার সঠিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য, আশা করি আপনি সঠিক সিদ্ধান্তই নিবেন। যাইহোক, হরমোন সমস্যা হলে কি হয়, ব্লগটি এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। 

                             (খোদা হাফেজ)



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url