সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
বর্তমান বিশ্ব জুড়ে চিয়া সিড পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে খুবই পরিচিত। কেননা চিয়া সিডে ফাইবার, প্রোটিন সহ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডের খুব বড় উৎস হিসেবে বেশ পরিচিত। চিয়া সিড মধ্য ও দক্ষিণ মেক্সিকো এবং গুয়াতেমালার অঞ্চলে হাজার বছর আগে থেকে উৎপাদিত হয়ে আসছে। এটি সালভিয়া হিস্পানিকা পরিবারের একটি উদ্ভিদ, যা মায়া ও এয়াজটেক সংস্কৃতির প্রধান খাদ্যশস্য ছিল। চিয়া শব্দটি মায়ান ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ হল শক্তি।
বর্তমানে চিয়া সিড তার পুষ্টিগুনের কারণে সারা বিশ্বব্যাপী সুপার ফুড হিসেবে পরিচিত। চলুন তাহলে আজকের আর্টিকেলটিতে চিয়া সিডের উপকারিতা এবং অপকারিতা সহ পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করি।
আরো পড়ুনঃ সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
- চিয়া সিডে যে সকল পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়
- সকালে খালি পেটে চিয়া চিড খাওয়ার উপকারিতা
- হজম শক্তি বৃদ্ধি সহ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ
- শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, শক্তি ও কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ
- শরীরে অতিরিক্ত ওজন সহ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেঃ
- হৃদরোগের ঝুকি কমায় শরীরকে আদ্র রাখেঃ
- ত্বক চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখেঃ
- শরীরকে টক্সিন মুক্ত রাখে এবং হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখেঃ
- ক্যান্সারের সমস্যা রোধেও ভূমিকা রাখতে পারেঃ
- চিয়া সিড খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা
- উপসংহার। সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
চিয়া সিডে যে সকল পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়
আজকের আর্টিকেলটি সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে। শুরুতেই আমরা চিয়া সিডের পুষ্টিগুন সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব। চিয়া চিড মুলত একটি ভেষজ উদ্ভিদের বীজ। এতে অত্যাধিক পরিমাণে ফাইবার, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, আন্টি এক্সিডেন্ট ও খনিজে ভরপুর।
চিয়া সিডের, পুষ্টিগুণ এতটাই যে এটিতে দুধের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কলার চেয়ে দ্বিগুণ বেশি পটাশিয়াম, পালং শাকের চেয়ে তিনগুণ বেশি আয়রন সহ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ স্যামন মাছের চেয়েও, কয়েক গুণ বেশি, ওমেগা থ্রি ফাটি এসিড বিদ্যমান। এটি সাধারণত ভিজিয়ে খাওয়া হয়, ভেজানোর ফলে এটি ফুলে একটি জেল তৈরি করে, যার উপকারিতা জানলে আপনি অবাক হবেন।
সকালে খালি পেটে চিয়া চিড খাওয়ার উপকারিতা
সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা আর্টিকেলটিতে, মাত্রই এর পুষ্টিগুন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। চিয়া সিড খাওয়ার সব থেকে উত্তম সময় হলো সকাল বেলা খালি পেটে। সকাল বেলা খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার ফলে, যে সকল উপকারিতা মিলতে পারে তা জানলে আপনি অবাক হবেন। সময় নষ্ট না করে, চিয়া সিডের মত, পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবারের উপকারিতা জানার চেষ্টা করি, চলুন।
হজম শক্তি বৃদ্ধি সহ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ
সকালে খালি পেটে আপনি যদি চিয়া সিড খেতে পারেন, তাহলে এটি আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধি করবে, সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে তা দূর করতে ভূমিকা রাখবে। এজন্য এক থেকে দুই চামচ চিয়া সিড, এক গ্লাস পানি বা দুধের সাথে, মিশিয়ে রাখুন। কিছু সময় পর অর্থাৎ যতক্ষণ না পর্যন্ত জেল এর মত ঘনত্ব না হয় ততক্ষণ সময় ভিজে রাখুন।
এই মিশ্রণটি সকালে খালি পেটে, পান করলেই এমন উপকারিতা মিলবে। কেননা চিয়া সিডে দ্রবণীয় ফাইবারের পরিমাণ অনেক বেশি। যার ফলে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়, একই সঙ্গে অন্ত্রে জমে থাকা শক্ত মল নরম করে বের করে দিতে সাহায্য করে। এক কথায় সকালে খালি পেটে এমন উপকরণ খাওয়ার ফলে, এটি অন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখে, যার ফলে পেট পরিষ্কার হয়।
শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, শক্তি ও কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ
একটু বয়স বেড়ে গেলে শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে থাকে। তাদের জন্য চিয়া সিড হতে পারে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বিরুদ্ধে লড়াই করার অন্যতম হাতিয়ার। কেননা চিয়া সিডে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অনন্য ভূমিকা পালন করে। শুধু বয়স্করাই নয় আমাদের সকলেরই, সংক্রামনের বিরুদ্বে লড়াই করতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, সম্পূর্ণরূপে সক্রিয় রাখা জরুরী।
আরো পড়ুনঃ গর্ভাঅবস্থায় কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা জানতে ক্লিক করুন।
অল্প পরিশ্রমে অনেক সময় অনেকেই হাঁপিয়ে পড়েন, একই সঙ্গে এমন অনুভব হয়, শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করতে ব্যর্থ। আপনার এমন অনুভূতি আসলে আপনিও, সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার অভ্যাস করুন। চিয়া সিডে থাকা, প্রোটিন, ফ্যাট ও কার্বোহাইডেট সারাদিনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দিয়ে, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে।
শরীরে অতিরিক্ত ওজন সহ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেঃ
চিয়া সিড পানি শোষণ করে, ফুলে ওঠে এবং এটি খাওয়ার পর পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা থাকার অনুভূতি হয়। যার ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রয়োজন আসে না। একই সঙ্গে এতে থাকা প্রোটিন ও ফাইবার বিপাক ক্রিয়া বাড়াতে সাহায্য করে। সর্বাপেক্ষা চিয়া সিড পুষ্টি সমৃদ্ধ হলেও এতে লো ক্যালোরি, তবে ফাইভার, প্রোটিন ও খনিজ বেশি যার ফলে, ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ হয় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।
অন্যদিকে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য, উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় চিয়া সিডের মত, পুষ্টিগুন সমৃদ্ব খাবারকে। চিয়া সিডে থাকা ফাইবারের কারনে কার্বোহাইড্রেট ধীরে ধীরে রক্ত মিশে। যার ফলে হঠাৎ করে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায় না। আপনার ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে অনতিবিলম্বে, সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন উপকার মিলতে পারে।
হৃদরোগের ঝুকি কমায় শরীরকে আদ্র রাখেঃ
শরীরকে হৃদরোগের ঝুকি থেকে রক্ষা করা সহ, হাইড্রেড রাখার জন্য বেশ উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে চিয়া সিড। চিয়া সিডে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইভার ও আন্টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান। যার ফলে রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল সহ রক্তচাপ কমায়, একই সঙ্গে সামগ্রিক হৃদরোগের ঝুকি কমাতে, বেশ কার্যকারী ভূমিকা রাখে।
শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য শরীরকে রাখা আদ্র রাখা অত্যন্ত জরুরী। চিয়া চিড ভেজালে এটি প্রচুর পানি শোষণ করে জেলির মত হয়, যা সাকালে খালি পেটে খাওয়ার ফলে শরীর দীর্ঘক্ষণ আদ্র থাকে, একই সঙ্গে দূর হতে পারে পানিসূন্যতা।
ত্বক চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখেঃ
সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার ফলে, এটি ত্বক, চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রভাব ফেলতে পারে। চিয়া সিড পানি শোষণের ফলে শরীর ভেতর থেকে অদ্র রাখে। সঙ্গে এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে ফ্রি র্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে। ফলে ত্বকের সতেজতা ও উজ্জ্বলতার পাশাপাশি বার্ধক্যের ছাপ কমাতে পারে।
অন্যদিকে সকালে খালি পেটে, চিয়া সিড খাওয়ার ফলে, এতে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড সহ প্রোটিন, কপার, জিংক চুলের গোড়া মজবুত করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। অকালে চুল পাকা রোধেও কার্যকারী চিয়া সিড। তাছাড়া ক্যালসিয়াম, ফসফরাস সহ প্রটিন নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ভঙ্গুরতার হাত থেকে রক্ষা করে।
শরীরকে টক্সিন মুক্ত রাখে এবং হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখেঃ
শরীরে টক্সিন জমে গেলে, বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে তা জমে, শরীরে বড় ধরনের স্বাস্থ সমস্যা তৈরি করতে পারে। সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার ফলে, শরীরকে ডিটক্স রাখতে সাহায্য করতে পারেন। চিয়া সিডে থাকা উচ্চ ফাইবার, ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হজম প্রক্রিয়া সচল রাখে যার ফলে শরীরের বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ বের করে শরীরকে টক্সিন মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।
হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড বেশ উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম সহ ফসফরাস বিদ্যমান এই সুপার ফুডে। যা সকালে খালি পেটে খাওয়ার ফলে, হাড়কে শক্তিশালী ও মজবুত রাখতে, বেশ কাজ করতে পারে। এমন পুষ্টি উপাদান পূরণের ফলে, হাটু ও জয়েন্টে ব্যাথা থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে।
ক্যান্সারের সমস্যা রোধেও ভূমিকা রাখতে পারেঃ
ক্যান্সারের সমস্যার কথা শুনলেই আমরা, অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পরি। কেননা আমাদের কাছে এখনো পর্যন্ত ক্যান্সার মরনব্যাধি রোগ নামে পরিচিত। সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার অভ্যাসে, এতে থাকা ফাইভার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড বেশ কিছু ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকরী।
আরো পড়ুনঃ কাঁচা রসুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা।
বিশেষ করে কোলন ক্যান্সারের মতো সমস্যা প্রতিরোধে, বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। রাতে ভাল ঘুম সহ উদ্বেগ বা মানসিক টেনশন থেকে দূরে থাকার জন্য, সঠিক নিয়মে নিজের খাদ্য তালিকায় সুষম খাদ্য হিসেবে রাখতে পারেন চিয়া সিডকে।
চিয়া সিড খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা
সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার, বেশ কিছু উপকারিতা সহ পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে চিয়া সিড, আমাদের শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে বেশ কার্যকরী। তবে চিয়া সিড, খালি পেটে খাওয়ার বেশ কিছু সতর্কতা রয়েছে। কেননা আমাদের সকলের স্বাস্থ্যের জন্য, সকল খাবার উপকারী প্রভাব নাও ফেলতে পারে। এজন্য চিয়া সিড খাওয়ার ক্ষেত্রে সর্তকতা গুলো আমাদের মেনে চলা উচিত।
- চিয়া সিড কখনোই শুকনো খাওয়া উচিত নয়। অবশ্যই পরিমাণ মতো পানির সাথে পরিমাণ মতো চিয়া সিড ভিজিয়ে জেলি হওয়ার পরে খাওয়া সবচেয়ে উপযুক্ত। শুকনো খেলে সাধারণত গলায় আটকে যাওয়া সহ শ্বাসকষ্ট বা বুকে অস্বস্তি হতে পারে।
- সকালে খালি পেটে খাওয়ার জন্য অল্প পরিমাণে, প্রথমে শুরু করা ভালো। কেননা আপনি এতে অভ্যস্ত না থাকলে প্রাথমিক অবস্থায়, গ্যাসের সমস্যা, পেট ফাপা, বমি বমি ভাব সহ কোষ্ঠকাঠিন্য উল্টো বেড়ে যেতে পারে। এতে উচ্চ ফাইভার রয়েছে, এজন্য কোনমতেই অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়।
- আপনার যদি ডায়াবেটিসের সমস্যা সহ, লো প্রেসার ও ব্লাড প্রেসারের ওষুধ সেবন করতে হয়। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চিয়া সিড খাওয়া শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আপনার জন্য সবচেয়ে উত্তম হবে।
- সকালে চিয়া সিড খাওয়ার ফলে কারো কারো এলার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনার যদি চিয়া সিড খেলে, চুলকানি, র্যাশ এবং ঠোঁট মুখ ফুলে ওঠে, তাহলে খাওয়া বন্ধ করে দিন।
- কিডনির সমস্যা অর্থাৎ রক্তের ক্রিয়েটিনিন বেশি থাকলে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ মতো খাওয়া আপনার জন্য বেশ ভালো হতে পারে। অন্যদিকে গর্ভাবস্থায় চিয়া সিড খাওয়ার ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
উপসংহার। সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
আর্টিকেলটিতে সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা, পুষ্টিগুণ সহ সতর্কতা সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আপনি যদি দৈনন্দিনের খাদ্য তালিকায় চিয়া সিড শুরু করতে চান , সেক্ষেত্রে অবশ্যই পরিমাণ মতো খাবেন। এটি খাওয়ার জন্য আপনি, এক গ্লাস পানির সাথে ১ থেকে ২ চামচ চিয়া সিড ভিজিয়ে, ৩০ মিনিট থেকে এক ঘন্টা রেখে জেলি হওয়ার পর খাবেন। আপনার সকালে খালি পেটে খেলে সমস্যা হলে, চাইলে নাস্তা করার পরও খেতে পারেন।
চিয়া সিড রাতে ভিজিয়ে খেলেও উপকার মিলতে পারে। তবে যেকোন খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রাথমিক অবস্থায় সঠিক পরিমাণ কিন্তু জরুরী। চিয়া সিডের সাথে মধুর মিশ্রণ একত্রিত করলে, বাড়তি স্বাদ ও উপকারিতা বৃদ্ধি পেতে পারে। যাইহোক এতক্ষণ, সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা আর্টিকেলটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url