অ্যালোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার উপায়

অ্যালোভেরা একটি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ব উপাদান,কেননা অ্যালোভেরায়  ভিটামিন, মিনারেল সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। প্রাচীনকাল থেকে এখনো পর্যন্ত অ্যালোভেরা চুল এবং ত্বকের যত্নের বেশ, ব্যবহার হয়ে আসছে ৷ আপনার ত্বকে যদি মেছতা, ব্রন, কালো দাগ, বয়সের ছাপ, শুষ্কতা সহ কোন প্রকার ক্ষত থাকে। এগুলো কমাতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে অ্যালোভেরা। আপনার ত্বকে যদি মেছতা সহ কোন প্রকার সমস্যার দেখা মেলে, সেক্ষেত্রে বেশ কিছু উপকরনের সাথে এলোভেরা জেল মিশিয়ে ব্যবহারে সমস্যার সমাধানে আনা সম্ভব হতে পারে। 

অ্যালোভেরা

চলুন তাহলে আজকের আর্টিকেলটিতে, অ্যালোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার উপায় সহ ত্বকের যত্নে এলোভেরার ব্যবহার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। আপনি যদি ত্বকের এমন সমস্যা অনুভব করেন, মনোযোগ সহকারে আর্টিকেলটি পড়ুন, আপনার জন্য উপকারী হতে পারে। 

পোস্ট সূচিপত্রঃ অ্যালোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার উপায়

ত্বকে যে সকল কারণে মেছতা হতে পারে

মেছতা হওয়ার প্রবণতায় পুরুষের তুলনায় নারীদের  বেশি দেখা যায়। ত্বকে মেছতা হওয়ার স্থান বেধে একে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়। ত্বকে মেছতা হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। মূলত আমাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন তাহলে অ্যালোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার উপায় আর্টিকেলটির শুরুতে, ত্বকে মেস্তা হওয়ার কারণ গুলি জানার চেষ্টা করি।

  • ত্বকে মেছতা হওয়ার পেছনে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সূর্যের অতি বেগুনি রশি। আপনি যদি সূর্যের আলো অর্থাৎ রোদের সংস্পর্শে আসেন, সে ক্ষেত্রে মেলানোসাইট কোষগুলো অতিরিক্ত মেলানিন তৈরি করে। এটা মেছতা হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ বলে বিবেচিত। আপনি যদিচ দীর্ঘসময় ধরে রোদে থাকেন সেক্ষেত্রে মেছতা, গাঢ় হয়ে সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী করে তুলতে পারে। 
  • হরমোন পরিবর্তনের ফলে মেছতা হওয়া, খুবই সাধারণ ব্যাপার। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় নারীদের ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যার ফলে এমনটা হতে পারে। তাছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাবার ফলেও, দেখা দিতে পারে ত্বকে মেছতার সমস্যা। অন্যদিকে থাইরয়েড কিংবা অন্যান্য যে কোন হরমোন জনিত সমস্যার ফলে, নারী এবং পুরুষ উভয়ের মেছতার সমস্যার দেখা মিলতে পারে। 
  • আপনি যদি ভুলভাল কসমেটিক বা ক্যামিকেল ক্রিম লোশন সহ কোন কিছু ব্যবহার করেন, সে ক্ষেত্রেও মেছতা হওয়ার ঝুকি রয়েছে। বিশেষ করে এমন কিছু ক্রিম রয়েছে যেগুলো লাগিয়ে রোদে বের হলে, এমনটা দেখা দিতে পারে। আপনার পরিবারের কারো পূর্বে মেছতা হওয়ার মতো ইতিহাস থাকলে, আপনার ও এমন সমস্যার ঝুঁকির মোকাবেলা করতে হতে পারে।  
  • আমাদের শারীরিক সুস্থতায় মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ সহ পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরী। ঠিক তেমনি মানসিক চাপ এবং পর্যাপ্ত ঘুম, মেছতা প্রতিরোধে ও কাজ করতে পারে। কেননা অনিয়ন্ত্রিত স্ট্রেস হরমোনের ভারসাম্য নষ্টতে বেশ কাজ করে, একই সঙ্গে ঘুমের অভাব ত্বকের ব্যাপক ক্ষতি করে। 
  • শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব সহ, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে, মেছতার মত সমস্যা দেখা দেওয়া খুবই সাধারণ ব্যাপার। বিশেষ করে ভিটামিন বি১২, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ঝাল, তেল ও মসলাযুক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। 
  • আপনার ত্বকে যদি এলার্জি ব্রণ সহ, বারবার কোন সংক্রমণের দেখা মেলে। তাহলে মেছতা হওয়ার মত, সমস্যার কবলে পড়তে পারেন। কেননা ত্বকে জ্বালা বা ইনফ্ল্যামেশন ত্বকের ক্ষত তৈরি করলে, পরবর্তীতে তা মেছতা হিসেবে দেখা দিতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ সেবনের ফলেও, মেছতা হওয়ার প্রবণতায় পড়তে হতে পারে। 

অ্যালোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার উপায় 

অ্যালোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার উপায়, আজকের আর্টিকেলটির মূল বিষয় এটি। মেছতা সাধারণত, গাল, কপাল, নাকের উপর, থুতনি সহ ঠোঁটের উপরের অংশে, গারো বা বাদামি সোপ সোপ দাগ তৈরি করে। আপনার মুখে বা ত্বকের যেকোন জায়গায় মেছতার দেখা মিললে, সঠিক কারণ নির্ণয় সহ একজন চর্ম বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরী। এছাড়া ও অ্যালোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে, চলুন এখন সেগুলো জানার চেষ্টা করি। 

আরো পড়ুনঃ ব্রনের জন্য নিম পাতার ব্যাবহার সম্পর্কে জানুন।

সরাসরি অ্যালোভেরা ব্যবহার করা যেতে পারেঃ 

আপনি চাইলেই মেছতার সমস্যায় অ্যালোভেরা জেল সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন। কেননা এলোভেরাতে, এন্টি ইনফ্ল্যামেটরি ও এন্টিঅক্সিডেন্ট গুনাগুন রয়েছে। যার ফলে এটি ত্বকের দাগ কমায় সঙ্গে ত্বকের আর্দতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। মেছতার সমস্যায় সমাধান পেতে আপনি, একটি তাজা এলোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে নিয়ে, সরাসরি মেছতার উপরে হালকা করে লাগিয়ে নিতে পারেন। 

সম্পূর্ণ মেছতার উপরে লাগানো হয়ে গেলে, কিছু সময় রেখে দিন, আপনি চাইলে সারারাত রেখে দিতে পারেন। সম্পূর্ণরূপে ভালোভাবে অ্যালোভেরা শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে মেছতার সমস্যায় সপ্তাহে কয়েকবার এলোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। আশা করি মেছতার সমস্যায় সরাসরি অ্যালোভেরা ব্যবহারে আপনি বেশ ফলাফল পেতে পারেন।

অ্যালোভেরা, শসা ও মধুর মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারেঃ

ত্বকের মেছতা প্রতিরোধে, অ্যালোভেরা, শসা ও মধুর মাস্ক  ব্যবহারে খুব ভালো ফলাফল মিলতে পারে। কেননা মধুতে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধের উপাদান রয়েছে, এবং শসাতে রয়েছে জলীয় অংশ, যা ত্বককে সতেজ ও উজ্জল করে তোলে। অন্যদিকে অ্যালোভেরার গুনাগুন তো রয়েছে, এটি মেছতা নিরাময়ে সাহায্য করে। এমন উপকরণ তৈরির জন্য আপনি একটি শসা, ছোট ছোট টুকরো করে ব্লেন্ড করে পেস্ট করেন নিন।

অ্যালোভেরা

সম্পূর্ণ শসা টি পেস্ট করা হয়ে গেলে সেকে এর রস বের করতে হবে। এরপরে শসার রসের সঙ্গে, প্রয়োজন মতো অ্যালোভেরা জেল এবং মধু মিশিয়ে, উপকরণটি মুখে লাগিয়ে নিন। মিশ্রণটি মুখে লাগানোর ৩০ মিনিট পর, ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনার ত্বকে কোন ক্ষত থাকলে, অবশ্যই অল্প পরিমাণে ত্বকে লাগিয়ে টেস্ট করে নিবেন। কেননা অনেক সময় ত্বকে ক্ষত থাকলে, প্রদাহ বাড়িয়ে তুলতে পারে। 

অ্যালোভেরা ও মধুর মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারেঃ

ত্বকের মেছতা দূর করার জন্য, শুধু অ্যালোভেরা ও মধু দিয়ে পেস্ট তৈরি করে সেই উপকরণ ব্যবহারে, বেশ ফলাফল পাওয়া যেতে পারে। এলোভেরা ত্বকের মেছতার দাগ হালকা করতে সাহায্য করে সঙ্গে মধু ত্বককে আর্দ এবং উজ্জ্বল রাখতে বেশ কার্যকারী। এজন্য আপনি একটি তাজা এলোভেরা জেলের সঙ্গে, পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে পারেন।

তৈরিকৃত পেস্ট, সম্পূর্ণ মুখে বা মেছতায় আক্রান্ত স্থানে, ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণ ত্বকে লাগানো হয়ে গেলে, শুকানোর পরে সম্পূর্ণ ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি ত্বকে নতুন কোন উপকরণ ব্যবহারের আগে, অবশ্যই অল্প জায়গায় লাগিয়ে প্রাথমিক অবস্থায় পরীক্ষা করে নিতে ভুলবেন না। 

অ্যালোভেরা ও গাজরের মাস্কঃ 

মুখের মেছতা দূর করতে অ্যালোভেরা এবং গাজরের মাস্ক খুবই উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে। তবে অ্যালোভেরা ও গাজরের সঙ্গে সামান্য মধু এবং টক দই মিশালে, আরো ভালো ফলাফল পাওয়া যেতে পারে। এমন উপকরণ তৈরির জন্য, দুই টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল নিবেন। একটি গাজর সম্পূর্ণ সেদ্ধ করে নরম করে, পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। একই সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু এবং টক দই নিতে হবে। 

একটি পাত্রে সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে, পেস্ট তৈরি করে, সম্পূর্ণ মুখে মাস্ক তৈরি করে ব্যবহার করুন। আপনার মেছতার দাগের উপরে এমন উপকরণ একটু বেশি করে লাগাতে হবে। লাগানোর পরে কিছু সময় রেখে দিন, এরপরে ঠান্ডা পানি দিয়ে সম্পূর্ণ মুখটি ধুয়ে ফেলুন। এমন উপকরণ ব্যবহারে আপনার মেছতার দাগ হালকা করে তা নিরাময়ে সাহায্য করতে পারে।

অ্যালোভেরা ও লেবুর মাস্ক ব্যবহারঃ 

ত্বকের যত্ন হোক কিংবা মেছতার সমস্যা, অ্যালোভেরা জেল এবং লেবুর তৈরিকৃত উপাদান ব্যবহার, অনেক আগে থেকেই বেশ জনপ্রিয়। এজন্য আপনি তাজা অ্যালোভেরা জেল পরিমাণ মতো নিবেন। একই সঙ্গে পরিমাণ মতো লেবুর রস নিয়ে দুটি উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। উপকরণটি সম্পন্নভাবে তৈরি হয়ে গেলে, এটি সম্পূর্ণ মুখ সহ মেছতায় আক্রান্ত স্থানে, ভালোভাবে লাগিয়ে নিবেন।

আরো পড়ুনঃ স্থায়ীভাবে মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায় গুল, জানুন এখানে।


এমন উপকরন মুখে লাগানো হয়ে গেলে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টার মধ্যে, অর্থাৎ সম্পূর্ণ শুকানোর পর ধুয়ে ফেলুন। এমন উপকরণ বেশ উপকারী হলেও, লেবু ব্যবহারের আগে, সামান্য লাগিয়ে টেস্ট করা উপযুক্ত। তাছাড়া আপনি চাইলে এমন উপকরণ সন্ধ্যা বেলা বা রাতে ব্যবহার করতে পারেন। কেননা লেবু, রোদে সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে।  

ত্বকে মেছতার সমস্যায় দীর্ঘস্থায়ী প্রতিকার 

অ্যালোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার উপায় আর্টিকেলটিতে, ইতিমধ্যে মেছতা দূর করার বেশ কিছু  উপকরণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মেছতার সমস্যা একজন মানুষকে খুবই চিন্তিত করে তুলতে পারে। তবে অ্যালোভেরা দিয়ে উপরোক্ত উল্লেখিত উপাদান গুলো ব্যবহারের ফলে, সাময়িকভাবে সমাধান হতে পারে। তবে দীর্ঘস্থায়ী বা পুরানো মেছতার সমস্যা সমাধানের জন্য, যথাযথ ব্যবস্থা সহ প্রয়োজন হলে চর্ম বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হতে পারে। 

  • মেছতার সমস্যা সমাধানের জন্য হোক কিংবা, মেছতা প্রতিরোধের জন্য সানস্ক্রিন ব্যবহার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আপনি যদি রোদে বের হন, সে ক্ষেত্রে বের হওয়ার কিছু সময় আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। অনেক বেশি সময় রোদে থাকলে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা পর পর পুনরায় লাগান। রোদ থেকে বাঁচার জন্য যে কোন, প্রতিকার বেছে নিতে পারেন এজন্য ছাতা, ক্যাপ সহ বাইক চালালে হেলমেট ব্যবহার করুন। 
  • মেছতা প্রতিরোধে, ত্বকের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এজন্য অবশ্যই একজন চর্ম বিশেষজ্ঞের  পরামর্শ অনুযায়ী, মাইল্ড ফেসওয়াশ সহ ভিটামিন সি সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। আপনি চাইলে রাতে ও মাইল্ড ক্লিনজার এবং স্টেরয়েডযুক্ত ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন কোন প্রকার ক্রিম ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের  পরামর্শ জরুরি। 
  • আপনার যদি হরমোন পরিবর্তনের কারণে এমনটা হয়, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়ার ফলে এমনটা হলে, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। একই সঙ্গে শরীরের থাইরয়েড পরীক্ষা, লিভার ফাংশন টেস্ট করিয়ে দেখতে পারেন। কেননা অনেক সময় শরীরের ভেতরের গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে মেছতা দেখা দিতে পারে। 
অ্যালোভেরা

  • শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১২ সহ ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এই সকল প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল, কমলা, আমলকি, পেয়ারা সহ সবুজ শাক-সবজি, টমেটো, গাজর খেতে পারেন। শরীরে পানি শূন্যতা পূরণে এ সময় পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরী। পূর্বে উল্লেখিত যে সকল খাবারের ফলে মেছতা দেখা দিতে পারে তা এড়িয়ে চলুন। 
  • আপনার ভেতরে মানসিক চাপ থাকলে তা কমানোর চেষ্টা করুন। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। আপনি চাইলে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও হাঁটাচলা করতে পারেন, এটাও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশ ভূমিকা রাখতে পারে। 

উপসংহার। অ্যালোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার উপায় 

আজকের এই আর্টিকেলটিতে, এলোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার উপায় সম্পর্কে, ইতিমধ্যে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তাছাড়া দীর্ঘস্থায়ী মেছতা দূর করার, বেশ কিছু উপায় তুলে ধরা হয়েছে। মেছতার সমস্যা সাধারণত, হরমোন এবং ত্বকের ধরনের উপর নির্ভর করে। এজন্য আপনি যে কোন চিকিৎসা শুরু করার আগে, একজন চর্ম বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে নিবেন। কেননা চিকিৎসক আপনার ত্বকের ধরন সহ, মেছতার গভীরতা অনুযায়ী সঠিক ব্যবস্থার নির্দেশনা দিবেন। 

প্রয়োজন হলে চিকিৎসক আপনাকে কিছু ওষুধ সহ, প্রসাধনী ব্যবহারে উৎসাহিত করতে পারেন। নিজে নিজে কোন প্রকার ওষুধ বা প্রসাধনী ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এতক্ষণ, এলোভেরা দিয়ে মেছতা দূর করার উপায়, আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 

                          (খোদা হাফেজ)


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url