শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ- এবং করিনীয় কি

শরীরের রক্ত কমে যাওয়ার বেশকিছুর কারণ রয়েছে। তবে শরীরের রক্তশূন্যতা দেখা দেওয়ার সবচেয়ে প্রধান কারণ হলো, আয়রনের ঘাটতির ফলে। রক্তে হিমোগ্লোবিন বা লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করার জন্য আয়রন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও ভিটামিনের অভাব, শরীরের পুষ্টির অভাব, শরীর থেকে রক্ত ক্ষরণ এবং দীর্ঘস্থায়ী কোন শারীরিক সমস্যার কারণেও শরীরের রক্ত কমে যেতে পারে। শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য রক্তের গুরুত্ব কারোই অজানা নয়। 

রক্ত

আপনার যদি শরীরের রক্ত কমে যায় তাহলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যার লক্ষণ অনুভব করবেন। চলুন তাহলে আর্টিকেলটিতে জানার চেষ্টা করি, শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ এবং করণীয় সম্পর্কে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ এবং করিনীয় কি

শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ 

এই আর্টিকেলটির মূল বিষয় শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ এবং করণীয় সম্পর্কে। আর্টিকেলটির শুরুতেই আমরা জানার চেষ্টা করব, শরীরে রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ সম্পর্কে। সাধারণভাবে অনেকের, পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব হলে শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয় কিন্তু ব্যক্তি নিজেই টের পায়না। রক্তশূন্যতার কারণে যখন শরীরে বড় ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যার দেখা মেলে, তখন ব্যাপারটা আমলে আসে। আপনার শরীরে যদি রক্ত শূন্যতা দেখা দেয়, তাহলে প্রাথমিক অবস্থায় বেশ কিছু সাধারণ লক্ষণ অনুভব হবে, চলুন সেগুলো জানার চেষ্টা করি। 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবেঃ

শরীরের রক্ত কমে গেলে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, যার ফলে শরীরের ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দিতে শুরু করে। শরীরের রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ার প্রধান লক্ষণ এটি। কেননা রক্তে পর্যাপ্ত লোহিত রক্তকণিকা, তৈরি না হলে বা হিমোগ্লোবিনের অভাব দেখা দিলে, ফুসফুস থেকে সমস্ত শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছে দিতে পারে না।

এজন্য অল্প পরিশ্রমে অতিরিক্ত হাঁপিয়ে যাওয়া, শারীরিক ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দেওয়া সাধারণ ও প্রধান লক্ষণ। শরীরের এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার ফলে, বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস সংক্রমনের কবলেও পড়তে হতে পারে কিছু দিন পর পর।

 ত্বক ফ্যাকাসে হয়ে যেতে পারেঃ 

শরীরের রক্ত কমে গেলে ত্বক ফ্যাকাসে হয় যেতে পারে, এটাও সাধারণ লক্ষণ গুলির মধ্যে অন্যতম। শরীরের রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিলে, রক্ত প্রবাহ কমে যায়, যার ফলে ত্বকে এই ফ্যাকাশে বর্ণ ধারণ করে। তবে অনেকেই এই লক্ষণ টাকে, ত্বক ফর্সা হচ্ছে বলে ভেবে নেয়। আপনার যদি, শরীরের রক্ত কম হওয়ায়, ত্বক ফ্যাকাশে হওয়ার মত প্রবণতা অনুভব করেন।

তাহলে ফর্সা হচ্ছেন এটা ভেবে ভুল করবেন না। কেননা রক্ত কমে গেলে লোহিত রক্তকণিকা বা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায়। এ সময় শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে, অক্সিজেন সরবরাহ হয় না, তাই ত্বকে এই ফ্যাকাশে বর্ণ ধারণ করে। 

ঠোঁটে ও মুখে ঘা হওয়াঃ

আমাদের মধ্যে কারো শরীরে যদি, প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতিতে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। তাহলে ঠোটে ও মুখে ঘা হওয়ার মত প্রবণতা দেখা দিতে পারে। কেননা শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন, আয়রন, ফলিক এসিড ও খনিজ পদার্থ ইত্যাদির অভাবে অনেকের রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। শরীরে যদি এই পুষ্টির অভাবে রক্তে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি না করতে পারে, তাহলে ঠোঁটে ও মুখে ঘা হতে পারে।

তবে অনেক সময় মুখে ঘা হওয়ার পিছনে অন্য যেকোনো কারণ ও থাকতে পারে। মুখে বা ঠোটে ঘা হলে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। নিশ্চিত হওয়ার জন্য একজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, টেস্ট করিয়ে দেখতে পারেন। 

অনেক সময় শ্বাসকষ্ট হতে পারেঃ

আপনার শরীরে যদি রক্ত কম থাকে, তাহলে অল্প পরিশ্রমে বেশি পরিমাণে হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে একই সঙ্গে ক্লান্তি ও দুর্বলতার পাশাপাশি, শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে। কেননা শরীর থেকে রক্ত কমে গেলে রক্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়।

রক্ত

যার ফলে ক্লান্তি, দুর্বলতা পাশাপাশি হালকা পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। হাঁটার সময় বা পরিশ্রম করলে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ, সাধারণের চেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়। তাছাড়াও ক্লান্তি ও দুর্বলতার পাশাপাশি অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাবও দেখা দিতে পারে। 

মাথার চুল পাতলা হয়ে যেতে পারেঃ

আমাদের শরীরে যদি আয়রনের ঘাটতি অতিরিক্ত পরিমাণে হয়ে থাকে, তাহলে মাথা থেকে চুল পড়ে পাতলা হয়ে যেতে পারে। শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ আর্টিকেলটি শুরুতেই বলা হয়েছিল, শরীরে আয়রনের অভাব হলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। আয়রন আমাদের রক্তে লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আরো পড়ুনঃ কি খেলে হাঁপানি ভাল হয়, হাঁপানি নিয়ন্ত্রনের খাবার।


লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিন শরীরের সমস্ত অংশে অক্সিজেন সরবরাহ করে। মাথার ত্বকে যদি চুলের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ না হয় তাহলেই, মাথা ঘোরা ও মাথা ব্যাথা সহ মাথার চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

হাত পা ঠান্ডা অনুভব হওয়াঃ 

শরীরের রক্ত কম হলে, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া সাধারণ কারণগুলির মধ্যে একটা। আমাদের শরীরকে পর্যাপ্ত পরিমাণে উষ্ণ রাখার জন্য, রক্তের সঠিক মাত্রা বজায় রাখা জরুরী। রক্তে প্রয়োজনীয় রক্ত কণিকা ও হিমোগ্লোবিন তৈরি না হলে, শরীরে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অভাবে এই রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়, তা আমরা সকলেই এখন জানি।

শরীরের রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ার সমস্যায় পড়লে, শরীরকে পর্যাপ্ত উস্ন রাখতে পারেনা, যার ফলে হাত পা ঠান্ডা হওয়া খুবই সাধারণ ব্যাপার। এছাড়াও শরীরে রক্ত কমে যাওয়ার ফলে হাত পায়ের নখ সহজেই ভেঙে যেতে পারে। 

শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হলেঃ 

আমাদের মধ্যে কারো যদি কোন দুর্ঘটনা জনিত কারণে, শরীর থেকে রক্ত বের হয়ে যায় তাহলে, রক্ত কমে যাওয়া বা রক্তস্বল্পতা দেখা দেওয়া কমন ব্যাপার। শুধু এখানেই শেষ নয় দুর্ঘটনার ফলে, অনেক রোগীর রক্তশূন্যতায় মারাও যেতে পারে।

এছাড়াও নারীদের ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেও রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাছাড়াও গর্ভবতী মায়েদের রক্তশূন্যতা দেখা দেওয়া খুবই সাধারণ ব্যাপার। এ সময়ে, শরীরে পর্যাপ্ত রক্ত উৎপাদনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী। 

শরীরের রক্ত কম হওয়ার গুরুতর লক্ষণ 

শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণাটিতে এতক্ষণে, শরীরের রক্ত কমে গেলে যে সাধারণ লক্ষণ গুলি দেখা দেয় সেগুল আলোচনা করা হয়েছে। তবে শরীরে যদি তীব্র রক্তশূন্যতা দেখা দেয় তাহলে বুকে প্রচন্ড চাপা ব্যথা অনুভব হতে পারে। অন্যদিকে রক্তস্বল্পতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেলে হার্টের রোগ সহ হার্ড ফেলিওর হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

শরীরের রক্ত কম হওয়ার ক্ষেত্রে তীব্র লক্ষণগুলো রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ার তীব্র সমস্যার ফলে , দেখা দিতে পারে। আপনার যদি, রক্তস্বল্পতার ফলে এমন তীব্র লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। 

শরীরের রক্ত কম হওয়ার কারণ 

শরীরে, রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ এবং করণীয় আর্টিকেলটিতে ইতিমধ্যে, রক্ত কম হওয়ার বেশ কিছু লক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে। তবে শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ এবং করণীয় আর্টিকেল আমরা এখন, শরীরের রক্ত কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব। শরীরে রক্তস্বল্পতা কি কারনে দেখা দিচ্ছে তা ও অনুমান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

  • শরীরে যদি পুষ্টি উপাদান আয়নের ঘাটতি দেখা দেয়, একই সঙ্গে ভিটামিন বি১২ এবং ফলিক এসিড অভাব হয় সে ক্ষেত্রে রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে। কেননা শরীরের পর্যাপ্ত পরিমাণে, রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এই সকল পুষ্টি উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেওয়া সাধারণ ব্যাপার তা, উপরেই আলোচনা করা হয়েছে। কেননা হঠাৎ করে বড় ধরনের কোন দুর্ঘটনায় অনেকের শরীরে রক্ত দিতেও হতে পারে। 
  • নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় এবং বাচ্চাকে দুধ পান করানোর সময় শরীরের রক্তের চাহিদা অনেকাংশে বেড়ে যায়। এ সময় একজন মায়ের, পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে, শরীরের রক্ত কমে যেতে পারে। 
  • এছাড়াও শরীরের দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন, কিডনির সমস্যা, ক্যান্সার ও থ্যালাসেমিয়ার মত শারীরিক স্বাস্থ্য সমস্যা রক্তের প্রয়োজনীয় হিমোগ্লোবিন তৈরিতে বাধা প্রদান করতে পারে। যার ফলে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়াম মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। 
  • আমাদের কারো যদি অস্থি মজ্জায় সমস্যা দেখা দেয় তাহলেও শরীরের রক্ত কমে যেতে পারে। কেননা কারো যদি অস্থিমজ্জায় সমস্যা হয়, তাহলে রক্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে লোহিত রক্তকণিকা উৎপন্ন হয় না। যার ফলে এই রক্ত স্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া সমস্যা দেখা দেয়। 

শরীরের রক্ত কমে গেলে করণীয় কি 

রক্ত


শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ এবং করণীয় কি আর্টিকেলটিতে ইতিমধ্যে, শরীরে রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ এবং কারণ সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আপনার শরীরে যদি রক্ত কম, এমনটা অনুভব হয় তাহলে বেশ কিছু করণীয় অনুসরণ করলে, রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি মিলানো সম্ভব হতে পারে। চলুন তাহলে এখন, শরীরের রক্ত কম হলে করণীয় কি তা জানার চেষ্টা করি।

আরো পড়ুনঃ রক্ত আমাশয় হলে কি খাওয়া উচিত তা জানুন। 

  • সাধারণত আয়নের ঘাটতি দেখা দিলে শরীরের রক্ত কমে যায়, তা কারো কাছে এখন আর অজানা নয়। আয়রনের ঘাটতি পূরণে আপনি চাইলে, লাল মাংস, ছোট প্রজাতির মাছ, ডিমের কুসুম, লাল শাক, পালং শাক, মসুর ডাল, কিসমিস, খেজুর ও কালোজাম সহ আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন। 
  • ভিটামিন বি ১২, এবং ফলিক এসিড সমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারো খুবই উপকারী। কেননা ভিটামিন সি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন শোষণে ভূমিকা রাখে। এজন্য আপনি চাইলে আমলকি, টমেটো, লেবু, কমলালেবু এবং মালটা খেতে পারেন। এতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি  পাওয়া যায়। 
  • আমাদের শারীরিক সুস্থতায়, এবং পানি শূন্যতা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা জরুরী। ঠিক তেমনি শরীরে রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা সঠিকভাবে বজায় রাখার জন্য, পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে, এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও বৃদ্ধি করে। 
  • আপনার যদি রক্তস্বল্পতার কারন, শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরনে হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। একই সঙ্গে শরীরের রক্ত উৎপাদনকারী পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। 

উপসংহার। শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ এবং করণীয় কি 

শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ এবং করণীয় কি আর্টিকেলটিতে, রক্তস্বল্পতার লক্ষণ এবং করণীয় সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্যই উল্লেখ করা হয়েছে। আপনি যদি শরীরে রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ গুলি অনুভব করেন, তাহলে আপনার সবথেকে উপযুক্ত হবে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, রক্ত টেস্ট করিয়ে সমস্যার সঠিক নির্ণয় করা। শরীরের রক্তস্বল্পতা দূর করার জন্য, আপনি চাইলে আয়রনের ওষুধ খেতে পারেন, তবে তা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। 

শরীরের রক্ত কম হলে, শারীরিক বড় ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা ও দেখা দিতে পারে, এজন্য সতর্কতা জরুরী, এ ব্যাপারটা মাথায় রাখার চেষ্টা করবেন। যাই হোক শরীরের রক্ত কম হওয়ার লক্ষণ এবং করণীয় কি আর্টিকেলটি এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 

                            (খোদা হাফেজ)




এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url