হার্টের সমস্যার লক্ষণ ও প্রতিকার
বেঁচে থাকার জন্য আমাদের হার্টের গুরুত্ব সবচেয়ে অন্যতম। কেননা হার্ট আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মধ্যে অক্সিজেন এবং পুষ্টি সরবরাহ করে থাকে। একই সঙ্গে শরীরের কোষের মধ্যে থাকা বজ্র পদার্থ ফুসফুসে পাঠাতে কাজ করে। হার্ট বিরতিহীন ভাবে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য, কাজ করে থাকে। আমাদের হার্ট অর্থাৎ হৃদপিন্ডের পেশীতে যখন রক্ত সরবরাহের কাজ সঠিকভাবে না করতে পারে, তখনই হার্টের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু করে। হার্টের সমস্যায় অনেক সময় অনেকের হার্ট ফেইলওর সহ হার্ট অ্যাটাক ও হতে পারে।
হার্ট বা হৃদপিন্ডের মাধ্যমে, শরীরের সমস্ত অংশে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সরবরাহ হয়ে থাকে। হার্ট যদি এই কাজটি সঠিকভাবে করতে না পারে,তাহলে বেঁচে থাকা কষ্টসাধ্য হয়ে যেতে পারে। হার্টের সমস্যার লক্ষণ এবং প্রতিকার আর্টিকেলটিতে চলুন, আমরা জানার চেষ্টা করি হার্টের সমস্যা যে সকল লক্ষণ দেখা দেয় এবং এর প্রতিকার কি সে সম্পর্কে।
পোস্ট সূচিপত্রঃ হার্টের সমস্যার লক্ষণ ও প্রতিকার
- হার্টের সমস্যা হওয়ার কারণ
- হার্টের সমস্যার লক্ষণ গুলো জানা যাক
- বুকে ব্যথা অনুভব হওয়াঃ
- অতিরিক্ত ক্লান্তী ও দুর্বলতা দেখা দেওয়াঃ
- শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারেঃ
- শরীরে ঠান্ডা ঘাম হওয়াঃ
- হাত পা বা গোরালি ফুলে যেতে পারেঃ
- গলা ব্যথা ও বদহজম হাওয়াঃ
- হার্টের সমস্যা প্রতিকার করবেন যেভাবে
- উপসংহার। হার্টের সমস্যার লক্ষণ ও প্রতিকার
হার্টের সমস্যা হওয়ার কারণ
আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে সবথেকে অন্যতম হলো হার্ট। হার্ট যদি কাজ করে তাহলে আমরা বেঁচে থাকতে পারবো, এবং যদি কাজ না করে তাহলে কোন মতেই বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। এজন্য আমরা, প্রথমেই হার্টের সমস্যা হওয়ার লক্ষণ এবং করণীয় আর্টিকেলটিতে, জানার চেষ্টা করব হার্টের সমস্যা হওয়ার কারণ সম্পর্কে। হার্টের সমস্যা হওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে চলুন, এক এক করে জানার চেষ্টা করি।
- শরীরের যদি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকে, সেক্ষেত্রে হার্টের সমস্যা বা হৃদরোগের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। কেননা উচ্চ রক্তচাপ হৃদপিন্ডের উপরে বাড়তি চাপের সৃষ্টি করে, এবং উচ্চ রক্তচাপ যদি নিয়ন্ত্রণে রাখা না হয় তাহলে হার্টের গুরুতর এবং অন্যতম সমস্যা হার্ট অ্যাটাক বা স্টোক ও হতে পারে।
- আপনার শরীরে যদি ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনাকে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। না হলে হার্টের যে কোন সমস্যা তৈরি করতে পারে। কেননা রক্তে অতিমাত্রায় চিনি রক্তনালী কে ক্ষতিগ্রস্ত করে যার ফলে রক্ত চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি হয়, যা হার্টের সমস্যা বা হৃদরোগের সৃষ্টি করে।
- শরীরে অতিরিক্ত ওজন থাকলে, তা জীবনযাত্রায় দি রূপ প্রভাব ফেলে। আপনার শরীরে যদি অতিরিক্ত ওজন থাকে, তা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরী। কেননা অতিরিক্ত ওজন হার্টের উপরে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি করে। শরীরে এই অতিরিক্ত চাপের ফলে, শুধু হৃদরোগ নয় ডায়াবেটিস উচ্চ রক্তচাপ দুটোই বেড়ে যেতে পারে।
- মানসিক চাপ এবং দুশ্চিন্তাও মানুষের হার্টের ক্ষতি করার জন্য ভূমিকা রাখে। অতিমাত্রায় দুশ্চিন্তার ফলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়, যার ফলে হার্টবিট বাড়ে এবং রক্তচাপ বেড়ে গিয়ে হার্টের যে কোন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। অনেকের তো দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপের কারণে, অনেক সময় স্টোকের সমস্যাও দেখা দিয়ে থাকে।
- শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য, দৈনিক কমবেশি পরিশ্রম জরুরী। তাহলে শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গের কার্যকারিতা মাত্রা সঠিক থাকে, ঠিক তেমনি হাঁটার স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য,প্রয়োজন মতো শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন। অন্যদিকে বংশগত কারণেও হার্ট তথা হৃদরোগের ঝুকি দেখা দিতে পারে।
- রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলেও হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কেননা কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে ধমনী সরু হয়ে যায় এবং হৃদপিন্ডের রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। অনেকের বয়স বাড়ার সাথে সাথেও ধমনী শক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে, হার্টের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা হতে পারে।
- ধূমপান এবং মধ্যপনকেও, হার্ট বা হৃদরোগের সমস্যা তৈরি কারী বলে বিবেচনা করা হয়। শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সুস্থ রাখার জন্য, ধূমপান এবং মধ্যপ্রাণকে আমাদের সকলকে না বলা উচিত।
হার্টের সমস্যার লক্ষণ গুলো জানা যাক
আজকের আর্টিকেলটি, হার্টের সমস্যার লক্ষণ এবং প্রতিকার সম্পর্কে। হার্টের সমস্যা হওয়ার লক্ষণ এবং প্রতিকার আর্টিকেলটিতে, ইতিমধ্যেই হার্টের সমস্যা হওয়ার কিছু কারণ সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে যদি আপনার যেকোনো কারণেই হার্টের সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে নিজের ভেতরে বেশ কিছু লক্ষণ অনুভব করতে পারবেন। চলুন কথা না বাড়িয়ে, হার্টের সমস্যার লক্ষণ এবং প্রতিকার আর্টিকেলটিতে, হার্টের সমস্যার লক্ষণ গুলি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
আরো পড়ুনঃ থ্যালাসেমিয়া কি ভাল হয়,প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রনের উপায়
বুকে ব্যথা অনুভব হওয়াঃ
শরীরের হার্টে যদি কোন প্রকার সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু করে, তাহলে বুকে ব্যথা অনুভব হওয়া সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে অন্যতম। হার্টের সমস্যায় বুকে ব্যথা হলে বুকে চাপ, টানটান বা বুক ভারি মনে হতে পারে। সাধারণত হার্টের সমস্যায় এই ব্যথা শুরু হলে, ব্যথা প্রায় সময় শরীরের ঘাড়, পিঠ এবং চোয়ালে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
নারীদের ক্ষেত্রে হার্টের সমস্যায় বুকে ব্যথা কম অনুভব হতে পারে। বুকে ব্যথা হওয়ার এছাড়াও অন্যান্য কারণ রয়েছে, গ্যাস্টিকের সমস্যায় এবং মাংসপেশীতে টান লাগলেও বুকে ব্যথা হতে পারে। এজন্য আপনার ব্যাথার ধরন ও শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনা, করতে হবে।
অতিরিক্ত ক্লান্তী ও দুর্বলতা দেখা দেওয়াঃ
আমরা সকলেই ইতিমধ্যে জেনেছি, হার্ট আমাদের শরীরের সমস্ত অংশে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সরবরাহ করে। এই হার্ট যদি রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ সঠিক মাত্রায় করতে না পারে, তাহলে, ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দেওয়া খুবই সাধারণ ব্যাপার। কেননা আমাদের শারীরিক সুস্থতায়, রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় রাখা এবং সঠিক মাত্রায় শরীরে অক্সিজেন সরবরাহের গুরুত্ব কারোই অজানা নয়।
অল্প পরিশ্রমে হাপিয়ে যাওয়া দুর্বলতা অনুভব করা সহ পরিশ্রম ছাড়াও এই ক্লান্তি ও দুর্বলতার দেখা মিলতে পারে। তাছাড়া পরিশ্রম বা হাটা চলার সময়, শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি প্রয়োজন পড়ে, এবং হার্টের কার্যকারিতা ও বৃদ্ধি পায়।
শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারেঃ
আমাদের শরীরের হৃদপিণ্ড বা হার্ট যদি, শরীরের সমস্ত স্থানে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ না করতে পারে, তাহলে শ্বাসকষ্টের মত, সমস্যা দেখা দেওয়া খুবই সাধারণ লক্ষণ। কেননা আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের, কার্যকারিতা সঠিক মাত্রা বজায় রাখার জন্য, হার্ট ঠিকমত পাম্প করা জরুরী। যদি হার্ট সঠিকভাবে পাম্প করতে না পারে, তাহলে ফুসফুসে রক্ত জমা হতে থাকে যা শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়র
এ সময় বুক ভারি হয়ে যাওয়া এবং দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত অনুভূতির দেখা দিতে পারে। এবং হার্টের সমস্যার এই শ্বাসকষ্টের ফলে অনেকের, হার্ট ফেলিওর বা হার্ট অ্যাটাক হয়ে যেতে পারে।
শরীরে ঠান্ডা ঘাম হওয়াঃ
হার্টের সমস্যায় শরীরে ঠান্ডা ঘাম হওয়ার প্রবণতাও দেখা দিতে পারে। ঠান্ডা ঘাম হওয়া সাধারণত, হার্ট অ্যাটাকের মতন গুরুতর, সমস্যার সাথে সম্পর্কিত। হার্টের সমস্যার তীব্রতা বেড়ে গেলে সাধারণত, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি ও দুর্বলতা সাথে বমি বমি ভাব দেখা দিয়ে এই ঘামের সৃষ্টি করতে পারে।
আমাদের শরীরের হাটের কার্যকারিতা, সঠিকভাবে না হলে জীবন-যাপন আসলে খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। এজন্য আপনার যদি শরীরে ঠান্ডা ঘামের লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
হাত পা বা গোরালি ফুলে যেতে পারেঃ
হার্টের সমস্যা মানে, শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সরবরাহতে ব্যাঘাত ঘটা। শরীরে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সঞ্চালন না হয়, হার্ট যদি সঠিকমাত্রায় পাম্প করতে না পারে। তাহলে শরীরের বিভিন্ন অংশে তরল জমা হওয়া শুরু করে, যার ফলে হাত পা বা পায়ের গোড়ালি ফুলে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা যেতে পারে।
একই সঙ্গে মাথা ঘোরা, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, নিয়মিত বুক ধরফর করা সহ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মত সমস্যার দেখাও মিলতে পারে। অক্সিজেনযুক্ত রক্ত আমাদের সমস্ত শরীরে সঠিক মাত্রায় কাজ না করলে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে থাকে, এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।
গলা ব্যথা ও বদহজম হাওয়াঃ
হার্টের সমস্যা দেখা দিলে, এটি আমাদের পাকস্থলীর উপরেও প্রভাব ফেলে, যার ফলে বদহজম, পেট ভরা লাগা সহ বমি বমি ভাবের দেখা মিলে। আমাদের শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঠিক কার্যকারিতা হার্ট বা হৃদপিণ্ড বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে হার্টের সমস্যায় বদ হজম হলে অনেকেই গ্যাসের সমস্যা ভেবে ভুল করেন।
আরো পড়ুনঃ হজম শক্তি কমে যাওয়ার লক্ষণ এবং কারন সম্পর্কে জানুন।
অন্যদিকে হার্টের সমস্যায় গলার পেশী, পিঠের চোয়াল, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা এবং বুকে ব্যথা সহ সকল ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা কমবেশি দেখা দিয়ে থাকে। আপনার যদি এরকম কোন ধরনের লক্ষণের দেখা মেলে, তাহলেও অনতিবিলম্বে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
হার্টের সমস্যা প্রতিকার করবেন যেভাবে
হার্ট বা হৃদপিণ্ড শরীরের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা এতক্ষণে কারোই বুঝতে বাকি নেই। হার্টের সমস্যার লক্ষণ ও প্রতিকার আর্টিকেলটিতে, ইতিমধ্যেই হার্টের সমস্যার বেশ কিছু লক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে। আমাদের শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য, হৃদপিন্ডের সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সমস্ত শরীরে পৌঁছে দেওয়ার কার্যকারিতা ঠিক রাখা জরুরী। এজন্য বেশ কিছু, প্রতিকার রয়েছে যেগুলো মেনে চললে, হার্ট বা হৃদপিন্ডের সমস্যা হওয়া থেকে অনেকটাই, নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব। চলুন তাহলে সেগুলো সম্পর্কে জানা যাক।
- হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য, পর্যাপ্ত পরিমাণে সুষম খাবার এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা জরুরী। এজন্য বেশি করে ফল, সবজি এবং ফাইবার যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরী। অন্যদিকে দৈনন্দিনীর খাদ্য তালিকায়, অতিরিক্ত ভাজা ও তৈলাক্ত খাবার সহ ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন।
- আপনার যদি শরীরে অতিরিক্ত ওজন থাকে, তা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য যথাগত ব্যবস্থা নিন। কেননা অতিরিক্ত ওজন হৃদরোগের ও হার্টের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়, তা উপরে বলা হয়েছে। অতিরিক্ত ওজন থাকলে, শরীরে বড় ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়, এ ব্যাপার টাও মাথায় রাখবেন।
- ধূমপান এবং মধ্যপান থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখবেন। আমরা সকলেই জানি ধূমপান, শরীরের হৃদরোগ সৃষ্টিকারী হিসেবে পরিচিত। এজন্য ধূমপান মদ্যপানসহ, কোন প্রকার তামাকজাত দ্রব্য সেবন থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখুন।
- মানসিক চাপ উদ্বেগ ও অতিরিক্ত টেনশন থেকে, যতটা সম্ভব নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। যদি কখনো কোন সমস্যার সম্মুখীন হন, দুশ্চিন্তা না করে অবশ্যই সমাধানের চেষ্টা করুন। ফালতু মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও অতিরিক্ত টেনশনে করে নিজের শরীর, নষ্ট করা কপ্ন মতেই চলবে না।
- আপনার শরীরের রক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণে আছে কিনা তা অবশ্যই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন। এই ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা আপনার ভিতরে যদি থাকে, তাহলে খুব দ্রুত তার নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরী। এজন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
- শরীরকে ফিট রাখার জন্য, হৃদপিণ্ড বা হার্টের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য নিয়মিত, ব্যায়ামও করতে পারেন। কেননা শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা সঠিক রাখার জন্য, অল্প হলেও শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন।
উপসংহার। হার্টের সমস্যার লক্ষণ ও প্রতিকার
হার্টের সমস্যার লক্ষণ ও প্রতিকার আর্টিকেলটিতে ইতিমধ্যে, হার্টের সমস্যার লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। হার্টের গুরুত্ব আমাদের কারো কাছেই এখন আর অজানা নয়। তাই যদি আপনার হার্টের কোন প্রকার সমস্যার লক্ষণ অনুভব হয়। তাহলে প্রাথমিক প্রতিকারের পাশাপাশি, একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, সমস্যার অবস্থান নির্ণয় করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। মাথায় রাখবেন আপনার হার্ট ভালো থাকলে, ভালো থাকবে শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, ভালো থাকবেন আপনি।
শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, হার্ট বা হৃদপণ্ডের ব্যাপারে সবসময় সতর্কতা অবলম্বন করবেন। যাইহোক, হার্টের সমস্যার লক্ষণ ও প্রতিকার আর্টিকেলটি এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। হার্টের সমস্যার লক্ষণ ও প্রতিকার আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকলে চাইলে শেয়ার করে দিতে পারেন।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url