সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের বেতন কত - সৌদি আরব যাওয়ার নিয়ম

আর্টিকেলটিতে সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের বেতন কত এবং সৌদি আরব যাওয়ার নিয়ম সংক্রান্ত তথ্য সহ বিস্তারিত নানা বিষয় আলোচনা করা হবে। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশী প্রবাসীদের সংখ্যা সৌদি আরবে দিন দিন অধিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং চাহিদাও রয়েছে বেশ। 

সৌদি

এ সকল প্রবাসীদের মধ্যে ইলেকট্রিক বা ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করে এমন সংখ্যাও কম নয়। চলুন তাহলে আর্টিকেলটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের বেতন কত এবং ইলেকট্রিক কাজের বিষয় সংক্রান্ত তথ্য সহ সৌদি আরব যাওয়ার উপায় সম্পর্কে জেনে নিন। 

পোস্ট সূচিপত্রঃ সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের বেতন কত - সৌদি আরব যাওয়ার নিয়ম 

সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের বেতন কত 

বেকারত্বের দেশ বাংলাদেশ যেখানে যুব সমাজের বড় একটি অংশ বেকারত্বে দিন পার করে। কেননা এদেশের চাকরির বাজারের যে অবস্থা তা অনেকেরই সাধ্যের বাইরে। বাংলাদেশের এই বেকারত্ব থেকে মুক্তি পেতে দিন দিন কাজের উদ্দেশ্যে দেশের বাইরে পাড়ি জমাচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। ঠিক তেমনি সৌদি আরবে বিভিন্ন ধরনের কাজের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের প্রায় অধিকাংশ প্রবাসীরা রয়েছে এবং প্রতিনিয়ত এই পরিমাণটা অধিক হরে বেড়েই চলছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ সৌদি আরব যেখানে বাংলাদেশীদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ। 

সৌদি আরবে এই সকল কাজের মধ্যে ইলেকট্রিক কাজেরও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। বাংলাদেশ থেকে অনেকেই ইলেকট্রিক কাজের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাতে চান সৌদি আরবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব হোক কিংবা পৃথিবীর যেকোনো দেশে নির্দিষ্ট ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে যাওয়ার জন্য অবশ্যই উক্ত কাজের বেতন কেমন, কাজের সুবিধা কেমন এবং কাজের চাহিদা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেওয়া একজন সচেতন নাগরিকের অত্যন্ত জরুরী। 

সৌদি আরবে ইলেকট্রিশিয়ানের কাজে একজন ব্যাক্তি কাজ বেশ ভালো মানের বেতন পেতে পারে তবে এটা সম্পূর্ণ তার কাজের দক্ষতার উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ আপনি কিংবা আপনার পরিচিত কেউ ইলেকট্রিক কাজের ভিসা নিয়ে সৌদি আরব যেতে চাই সেক্ষেত্রে অবশ্যই তার এই কাজের জন্য দক্ষতা অর্জন করে যেতে হবে। সৌদি আরব কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো দেশে যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে নতুন কর্মীকে প্রথমত সর্বোচ্চ মানের বেতন প্রদান করা হয় না। সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের বেতন প্রথমত তুলনামূলক কিছুটা কম।

স্বাভাবিকভাবে সৌদি আরবে একজন নতুন ইলেকট্রিশিয়ানের ন্যূনতম ১৬০০ রিয়াল থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৮০০ রিয়াল বা এর কিছুটা বেশি বেতন হতে পারে। যা বাংলাদেশি টাকায় ন্যূনতম ৫০,০০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬৫,০০০ টাকা বা এর কিছুটা বেশি হতে পারে। তবে সৌদি আরবে যারা দীর্ঘদিন যাবত ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করে আসছে এবং দক্ষ তাদের বেতন ন্যূনতম ২৫০০ রিয়াল থেকে ৩০০০ রিয়াল পর্যন্ত হতে পারে। যা বাংলা টাকায় ৮০ হাজার টাকা থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এছাড়াও এমন অনেক ইলেকট্রিশিয়ান রয়েছে যারা সৌদি আরবে প্রতি মাসে দক্ষতা অনুযায়ী কয়েক লক্ষ টাকা বেতন পেয়ে থাকে। 

সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজ কিভাবে করে 

সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের বেতন কত এই সম্পর্কে ইতিমধ্যে কিছুটা ধারণা দেওয়া হয়েছে। এমন অনেক ব্যক্তিরা রয়েছে যারা সৌদি আরবে ইলেকট্রিশিয়ান পেশায় যাওয়ার জন্য সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজ কিভাবে করে এ ব্যাপারে জানার অনুসন্ধান করে থাকেন। সাধারণত ইলেকট্রিক কাজ বলতে বৈদ্যুত সংযোগের কাজকে বোঝায়। ধরেন আপনি একটি বাড়ি নির্মাণ করলেন এবারে এই বাড়ির বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক সংযোগের মাধ্যমে নির্ধারিত স্থানগুলোতে তারের সংযোগ স্থাপন করার প্রয়োজন। 

বাংলাদেশের ঘরবাড়ি, কল কারখানা সহ যেকোন জায়গায় ঠিক যেমনটা ইলেকট্রিশিয়ানরা বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন করে সৌদি আরবের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই। মূল কথা আপনি যদি ইলেকট্রিক কাজ বা বৈদ্যুতিক কাজ কিভাবে করে তা বাংলাদেশে থেকে শিখতে পারেন তাহলে হয়তো সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজ কিভাবে করে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ থাকবে না। এক কথায় ইলেকট্রিক কাজ তো ইলেকট্রিক কাজ এখানে সৌদি আরব, দুবাই, কাতার হোক কিংবা বাংলাদেশে সবখানেই কাজের ধরন একই।

সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের ড্রইং 

আপনি কি একজন ইলেকট্রিশিয়ান বাংলাদেশের বিভিন্ন বহুতল ভবনে ইলেকট্রিক কাজের ড্রইং দেখে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন করে থাকেন। ভাবছেন ইলেকট্রিক কাজের ভিসা নিয়ে কাজের উদ্দেশ্য পাড়ি জমাবেন সৌদি আরব। এজন্য আপনার জানার খুব ইচ্ছা সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের ড্রইং সম্পর্কে। আপনি একজন দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান হলে জানা উচিত বর্তমান সময়ে আধুনিক বা উন্নত মানের যে কোন ভবনে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপনের জন্য নিরাপত্তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ড্রয়িং বা নকশা তৈরি করা হয়। 

এই ড্রয়িং বা নকশা দেখে ইলেকট্রিশিয়ানরা খুব সহজে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন করতে পারে। সাধারণত ইলেকট্রিক কাজের ড্রইং ভবনের ধরন নিরাপত্তা ও ব্যবহারের সুবিধার্থে নির্বাচন করা হয়। সৌদি আরব কিংবা যে কোন দেশের ভবনের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই রকম। অর্থাৎ আপনি যে ভবনে ইলেকট্রিক কাজ করবেন সেই ভবন অনুযায়ী নির্দিষ্ট আকারে ইলেকট্রিক ড্রইং করা থাকবে। এখানে শুধুমাত্র ড্রইং বোঝার সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে যার মাধ্যমে খুব সহজেই বৈদ্যুতিক সংযোগ গুলো সঠিকভাবে স্থাপন করতে পারেন। 

সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের ইন্টারভিউ 

যদি কোন ব্যক্তি যদি সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের উদ্দেশ্যে যায় সে ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করবে সেখানে ইন্টারভিউ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের ইন্টারভিউ সম্পর্কে ধারণা রাখাটা জরুরী। স্বাভাবিকভাবে ইলেকট্রিক কাজের প্রয়োজনীয়তা সকল ক্ষেত্রেই রয়েছে। ইলেকট্রিক কাজ বা বৈদ্যুতিক সংযোগের কাজের জন্য পূর্ব যোগ্যতা থাকাটা আবশ্যক। সাধারণত ইলেকট্রিক কাজের ইন্টারভিউ বেশ কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে নেওয়া হতে পারে। 

যেমন ধরুন বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট এর নাম, বিভিন্ন ধরনের কেবল কলার কোড, ইলেকট্রিক কাজের বিভিন্ন ধরনের ড্রয়িং বা নকশার প্রতি ধারণা কতটুকু রয়েছে এ ব্যাপারে জেনে নিতে পারে। এছাড়াও কিভাবে কাজ করতে হয় ইলেকট্রিক কাজ করার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি যাচাই করা সহ যে সকল সরঞ্জামের মাধ্যমে ইলেকট্রিক্যাল কাজ করা হয় এ ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ ধারণা রাখাটা যথাযথ। অর্থাৎ আপনি যদি সৌদি আরব কিংবা যেকোনো দেশে ইলেকট্রিক কাজে জান তাহলে আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিতে হবে। 

কেননা একটি ভবনের বা কল কারখানা থেকে শুরু করে যেকোনো ক্ষেত্রেই বৈদ্যুতিক সংযোগ নিরাপত্তার বিষয়টা নিশ্চিত করে। অন্যদিকে বৈদ্যুতিক সংযোগ বা ইলেকট্রিক কাজ যদি সঠিকভাবে না করা হয় তাহলে বিদ্যুৎ ব্যবহারযোগ্য সকল ক্ষেত্রেই বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন করাতে পারে। এজন্যই একজন ইলেকট্রিশিয়ান আসলেই কি ইলেকট্রিক কাজের প্রতি দক্ষ কিনা এই ব্যাপারটা সব ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি যদি সৌদি আরব ইলেকট্রিক কাজের জন্য যান তাহলে অবশ্যই একজন দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ানের মতো করে কাজ শিখে যথাযথ জ্ঞান অর্জন করে যেতে পারেন যা আপনার জন্য সুবিধা জনক হবে। 

সৌদি আরবে যাওয়ার নিয়ম 

সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের ব্যাপারে বেশ ধারণা সম্পর্কে উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। আর্টিকেলটির এই পর্বে সৌদি আরবে যাওয়ার নিয়ম সংক্রান্ত তথ্য সম্পর্কে তুলে ধরা হবে। সাধারণত সৌদি আরবে যাওয়ার নিয়ম বলতে প্রথমত আপনি কেন যাবেন এই ব্যাপারটা নিশ্চিত করুন। সাধারণত বাংলাদেশ থেকে বেশিরভাগ মানুষ সৌদি আরবে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে যায়। এছাড়া অনেকে ওমরা বা হজ পালনের উদ্দেশ্য সহ ব্যবসায়িক কাজ এবং পর্যটক হিসেবে যেয়ে থাকেন।   

আপনি সৌদি আরবে কি উদ্দেশ্যে যাবেন প্রথমত সেটি নিশ্চিত করতে হয়। কেননা এটা সৌদি আরব জাওয়ার নিয়মের প্রথম ধাপ। সৌদি আরবে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিশ্চিত করার পর প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্রের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এজন্য প্রথমেই বৈধ পাসপোর্ট প্রয়োজন। বাংলাদেশে নতুন পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করে পাসপোর্ট এর নির্ধারিত ফি পরিষদের মাধ্যমে আপনার নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারেন। সাধারণত পাসপোর্ট করার প্রক্রিয়ায় কিছুদিন সময় লাগতে পারে তবে বৈধ কাগজপত্র হলে খুব সহজেই পাসপোর্ট করা সম্ভব। 

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশে নতুন পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

কেননা বাংলাদেশ থেকে অন্য যে কোন দেশে যাওয়ার জন্য অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকা প্রয়োজন। এবারে ভিসা প্রসেসিং করার পালা আপনি যে উদ্দেশ্যে যাবেন সেই অনুযায়ী ভিসা প্রসেসিং করতে হবে। কাজের জন্য গেলে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার জন্য টুরিস্ট ভিসা, চিকিৎসার জন্য গেলে মেডিকেল ভিসা ইত্যাদি প্রসেসিং করতে হবে। সৌদিতে হজে গেলে টুরিস্ট ভিসায় যেতে পারবেন। বাংলাদেশ থেকে এই সকল প্রসেসিং এর মাধ্যমে সহজে নির্দিষ্ট ভিসায় নিয়ম অনুযায়ী সৌদি আরব যাওয়া সম্ভব। 

সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন বেশি 

সৌদি আরবে যাওয়ার আগে কোন ব্যক্তি যদি সৌদি আরবের যে সকল কাজের চাহিদা বেশি এবং বেতন বেশি এ ব্যাপারে দক্ষতা অর্জন করে যায় তাহলে ভালো পরিমাণে বেতন পেতে পারে। যারা সৌদি আরব কিংবা অন্য যেকোন দেশে কাজের উদ্দেশ্যে যেতে চায় তাদের অবশ্যই উক্ত দেশর কাজের চাহিদা ও মান সম্পর্কে জানা জরুরি। নিচে দেখে নিন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন বেশি এমন কয়েকটি কাজ সম্পর্কে। 

সৌদি
  • ইলেকট্রিশিয়ান 
  • কনস্ট্রাকশনের নেভার ও রাজমিস্ত্রি
  • অটোমোবাইল সার্ভিসিং 
  • নির্দিষ্ট ফ্যাক্টরি শ্রমিক 
  • কার ড্রাইভিং 
  • এসি মেকানিক 
  • ওয়েল্ডিং শ্রমিক 
  • হার্ডওয়ারের কাজ 

উপরে উল্লেখিত এই সকল কাজের চাহিদা সৌদি আরবে অত্যন্ত বেশি। সৌদি আরবের দক্ষতার সঙ্গে এ সকল কাজ শিখে যেতে পারলে বেতন অনেক বেশি পাওয়া সম্ভব। তবে মাথা রাখবেন দেশের বাইরে অবশ্যই টাকা উপার্জন এর জন্য সকলে যায় এজন্য চাহিদা সম্পন্ন কাজ দক্ষতার সঙ্গে শিখে যাওয়াই সবচেয়ে উপযুক্ত। 

সৌদি আরব ক্লিনার ভিসা বেতন কত ২০২৪ 

সৌদি আরবে ক্লিনার ভিসা বেতন কত এ ব্যাপারে জানার আগ্রহ থাকে অনেকের। সাধারণত যে সকল ব্যক্তিরা চাহিদা সম্পন্ন নির্দিষ্ট কোন কাজে দক্ষ নয় তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্লিনার ভিসায় যেয়ে থাকে। ক্লিনার বলতে বোঝায় পরিচ্ছন্ন কর্মী। বাংলাদেশ থেকে অনেকে সৌদি আরবে বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্লিনার হিসেবে যায়। সৌদি আরবের ক্লিনারদের বেতন মূলত কয়েকটা ক্যাটাগরিতে নির্ধারণ করা হয়। কেননা কোন ব্যক্তি কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানে ক্লিনারের কাজ করবে এর উপরে বেতন কম বেশি হয়ে থাকে। 

সাধারণত বাসাবাড়ির ক্লিনার, চিকিৎসা কেন্দ্রের ক্লিনার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্লিনার, রাস্তাঘাটের ক্লিনার সহ কল কারখানায় ক্লিনারদের চাহিদা রয়েছে। সৌদি আরবে একজন সাধারণ ক্লিনার বাংলাদেশি টাকার ৩০০০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪০০০০ হাজার টাকা বেতন পেতে পারে। অন্যদিকে ক্লিনারের ধরন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান ভেদে বেতন হতে পারে বাংলাদেশি টাকায় সর্বনিম্ন ৪০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে স্বাভাবিকভাবে ক্লিনারদের জন্য থাকা খাওয়ার সুবিধা সহ কোন কোন ক্ষেত্রে চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যেতে কত বছর বয়স লাগে 

কোন নির্দিষ্ট ভিসা নিয়ে সৌদি আরব যেতে চান তাহলে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যেতে কত বছর বয়স লাগে এ ব্যাপারে জেনে নেওয়া জরুরী। বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যাওয়ার জন্য বয়স সীমা মূলত ভিসার উপর নির্ভর করে। বিশেষ করে আপনি যদি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যেতে চান তাহলে ন্যূনতম ২১ বছর বয়স থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ বছর বয়স হতে হবে।

আপনার বয়স যদি ২১ বছরের নিচে হয় তাহলে ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন সম্ভব নয়। অন্যদিকে নারীদের ক্ষেত্রেও রয়েছে বয়সের সীমা। একজন নারী কর্মীর সৌদি আরব যেতে ন্যূনতম ২৫ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ বছর হতে হবে। ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বাইরে টুরিস্ট ভিসা কিংবা হজ পালনের উদ্দেশ্যে গেলে বয়সের কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। এক্ষেত্রে যে কোন বয়সের ব্যক্তিরাই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।

আরো পড়ুনঃ আলবেনিয়া থেকে ইতালি কত কিলোমিতার - সগর পথে ইতালি যাওয়ার উপায়  

সৌদি আরবের এক টাকা বাংলাদেশের কত টাকা 

প্রতিটা দেশের সঙ্গে প্রতিটা দেশের টাকার বেশ তারতম্য রয়েছে। ঠিক তেমনি বাংলাদেশের এবং সৌদি আরবের টাকার রয়েছে তারতম্য। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের যেকোন দেশের টাকার তারতম্যের ক্ষেত্রে সময় অনুযায়ী টাকা ব্যাবধানের কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। নিচে ছক আকারে তুলে ধরা হল সৌদি আরবের এক টাকা বাংলাদেশের কত টাকা এই ব্যাপারে। 

সৌদি
ক্রমিক নং সৌদি রিয়েল বাংলাদেশি টাকা
১ ১ রিয়েল ৩২.৬৫ টাকা
২ ৫০ রিয়েল ১,৬৩২.৫ টাকা
৩ ১০০ রিয়েল ৩,২৬৫ টাকা
৪ ৫০০ রিয়েল ১৬,৩২৫ টাকা
৫ ১০০০ রিয়েল ৩২৬৫০ টাক

উপসংহার। সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের বেতন কত - সৌদি আরব যাওয়ার নিয়ম 

আর্টিকেলটিতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের বেতন কত, সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজ কিভাবে করে, সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের ড্রয়িং, সৌদি আরবে ইলেকট্রিক কাজের ইন্টারভিউ ও সৌদি আরব যাওয়ার নিয়ম সমূহ তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও সৌদি আরবে কোন কাজের বেতন বেশি, সৌদি আরব ক্লিনার ভিসা বেতন কত ২০২৪, বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যেতে কত বছর বয়স লাগে এবং সবশেষে সৌদি আরব এক টাকা বাংলাদেশের কত টাকা ইত্যাদি তথ্য সম্পর্ক উপস্থাপন করা হয়েছে। 

সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় সৌদি আরবে বাংলাদেশের কর্মী অনেক বেশি। বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব কিংবা যে কোন দেশে যাওয়ার উদ্দেশ্য কেবলমাত্র অর্থ উপার্জন করে নিজের ভবিষ্যতের শক্ত স্তম্ভ তৈরি করা। এজন্য খেয়াল রাখবেন বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব হোক কিংবা অন্য যেকোন দেশে যাওয়ার আগে নির্দিষ্ট কাজের দক্ষতা অর্জন করে যাওয়া সবচেয়ে উপযুক্ত।  

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url