একজিমা হলে কি খাওয়া যাবে না, কি উপকারি
একজিমা হলে কি খাওয়া যাবে না এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একজিমা মূলত ত্বকের প্রদাহ জনিত রোগ এজন্য এমন সমস্যায় ত্বক আর্দ রাখা অত্যন্ত জরুরী। একজিমার সমস্যায় যে সকল খাবার ত্বকের আদ্রতা নষ্ট করে এবং প্রদাহ বাড়ায় তা এড়িয়ে চলা আরোগ্য ও সস্থি মেলাতে জরুরি।
চলুন তাহলে আজকের এই পর্বে একজিমা হলে কি খাওয়া যাবে না এবং কি কি খাওয়া যাবে সে ব্যাপারে জানার চেষ্টা করি। আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ একজিমার সমস্যায় পড়লে স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে জানতে ব্লগটি মনোযোগ সহকারে পড়ার চেষ্টা করুন।
পোস্ট সূচিপত্রঃ একজিমা হলে কি খাওয়া যাবে না, কি উপকারি
একজিমা হলে কি খাওয়া যাবে না
একজিমা হলে কি খাওয়া যাবে না আজকের পর্বের মূল বিষয় এটি। একজিমার সমস্যা মূলত ত্বকের প্রতিরক্ষা স্তর বা ব্যারিয়ার দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে দেখা দেয়। এটি মূলত ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী অ সংক্রামক প্রদাহ জনিত একটি চর্মরোগ। এমন সমস্যা ত্বককে শুষ্ক খসখসে করে তোলে সঙ্গে আক্রান্ত স্থানে চুলকানি সহ লালচে বর্ণ তৈরি হয়।
একজিমা চুলকানির সমস্যার মধ্যে পড়ে। এমন সমস্যা থেকে আরোগ্য পেতে দৈনন্দিনের খ্যাদ্য তালিকা থেকে বেশ কিছু খাবার পরিহার করা উপযুক্ত। একজিমায় উপকার মেলাতে যে সকল খাবার খাওয়া যাবে না চলুন শুরুতে সেগুলো সম্পর্কে জানা যাক।
শরীরে এলার্জি সৃষ্টিকারী খাবারঃ
একজিমা ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ জনিত রোগ, এটি এলার্জির আওতাভুক্ত। ত্বকের এমন এলার্জি জনিত একজিমার সমস্যায় এলার্জি সৃষ্টিকারী খাবার এড়িয়ে চলা জরুরী। একজিমায় অ্যালার্জি সৃষ্টি করে এমন খাবার খেলে এটি প্রদাহ ও চুলকানি বাড়িয়ে তুলতে পারে।
একজিমা প্রতিরোধের জন্য দৈনন্দিনের খাদ্য তালিকা থেকে, দুগ্ধজাত খাবার, চিংড়ি, কাকড়া, বেগুন, সয়া পণ্য, বাদাম ও ডিম সহ সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি খাওয়া থেকে দূরে থাকা খুবই উপযুক্ত। একজিমার এই বিরক্তিকর অনুভূতি হয়ত আপনি উপলব্ধি করেছেন। এজন্য এলার্জি সৃষ্টি করে এমন খাবার সাময়িক সময়ের জন্য হলেও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভাজা খাবারঃ
দৈনন্দিনের খাদ্য তালিকায় অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভাজা খাবার একজিমার সমস্যায় এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভাজা খাবার ট্রান্সফ্যাট এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ। একজিমার সমস্যায় অতিরিক্ত তৈলাক্ত এবং ভাজা খাবার খেলে এটি প্রদাহ, জ্বালাপোড়া ও চুলকানি অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়।
একই সঙ্গে আক্রান্ত স্থানের শুস্ক আদ্রতার তীব্রতা বাড়াতে পারে এবং ত্বকের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। চিকিৎসকদের মতে তৈলাক্ত এবং ভাজা খাবার চুলকানি ও লালচে ভাব বাড়িয়ে তুলতে পারে। একজিমায় তৈলাক্ত ও ভাজা খাবারের প্রতিক্রিয়া ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে,তবে এরিয়ে যাওয়াটা উপকারি।
চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবারঃ
একজিমা হলে কি খাওয়া উচিত নয় এমন খাবারের তালিকায় চিনি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উপযুক্ত হবে। কেননা একজিমা নিজেই প্রদাহ জনিত ত্বকের রোগ এমন সমস্যায় অতিরিক্ত মিষ্টি এবং চিনি খেলে একজিমার লক্ষণ গুলি বাড়িয়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারে। অতিরিক্ত চিনি এবং মিষ্টি খাবার শরীরের শুষ্ক ত্বককে আরো শুষ্ক করে তোলে।
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে আরোগ্য পেতে বাধা প্রদান করতে পারে। মাত্রাতিরিক্ত চিনি এবং মিষ্টি একজিমার জীবাণু বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে একই সঙ্গে রক্তের শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে। আপনি হয়তো জেনেই থাকবেন রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে, যেকোনো ক্ষতস্থান খুব সহজে শুকায় না। সব মিলিয়ে একজিমায় চিনি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার না খাওয়া উপকারী।
টক ও নোনতা খাবারঃ
একজিমা হলে কি খাওয়া উচিত না এমন খাবারের তালিকা থেকে টক ও নোনতা খাবার না খাওয়াই উপকারী। টক জাতীয় খাবার শরীরের এসিড উৎপাদন বাড়িয়ে শরীরে প্রদাহের সৃষ্টি করে। এর ফলে একজিমায় ত্বকের চুলকানি লালচে ভাব সহ প্রদাহ বাড়িয়ে তুলতে পারে। টক ও সাইট্রাস জাতিয় খাবার খেলে হিস্টামিন নিঃসরণ বাড়ে যার ফলে একজিমার চুলকানি ও ফুসকুড়ি সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
বাদাম ও ডিমঃ
আমাদের অনেকের খাদ্য তালিকার সুপরিচিত খাবার বাদাম ও ডিম। একটি সিদ্ব ডিম এবং কিছু বাদাম না হলে অনেকের তো সকালই শুরু হয় না। বাদাম ও ডিম এলার্জি সৃষ্টিকারী হিসাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাদাম ও ডিমের মতো এলার্জেন সৃষ্টিকারী খাবার শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে।
আরো পড়ুনঃ স্ক্যাবিস হলে কি কি খাওয়া যাবে না জানুন।
এর ফলে একজিমার, এলার্জি, প্রদাহ এবং জ্বালাপোড়া সহ লক্ষণ গুলির তীব্রতা সৃষ্টি করতে পারে। একজিমা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাচ্চাদের দেখা দিতে পারে, তবে যে কোন বয়সে ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা দিতে পারে। শিশুদের জন্য একজিমায় ডিমে সংবেদনশীলতা বাড়ায়। ডিম এবং বাদাম যদিও সাধারণ খাবার তবুও একজিমায় স্বস্তি মিলিয়ে আরোগ্য পেতে এরিয়ে চলার চেস্টা করুন।
প্রক্রিয়াজাত খাবারঃ
প্রক্রিয়াজাত খাবার বা প্যাকেটজাত পন্য অতিরিক্ত লবণ, চিনি এবং কৃত্রিম রং সমৃদ্ধ। যা একজিমার চুলকানি সহ তীব্রতা অনেকাংশে বাড়িয়ে তুলতে পারে। এছাড়া প্রক্রিয়াজাত খাবার অস্বাস্থ্যকর যা স্বাভাবিক শরীরের জন্য ও খুবই ক্ষতিকর। প্রক্রিয়াজক খাবারের কৃত্রিম রং ত্বকের সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে এলার্জি প্রতিক্রিয়া অনেকাংশে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেট জাত যেকোন খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে এর ফলে সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত খাবারের, চিনি ও লবণ সহ অন্যান্য উপকরণ ত্বকের শুষ্কতা বাড়িয়ে তোলে। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে ভূমিকা রাখে যা একজিমার ক্ষত শুকাতে বাধা প্রদান করতে পারে। সর্বোপরি অস্বাস্থ্যকর খাবার একজিমার সমস্যা সহ শারীরিক যে কোন সমস্যায় না খাওয়াই উপযুক্ত।
একজিমা হলে কি খাওয়া উচিত
একজিমা হলে কি খাওয়া যাবে না আজকের এই ব্লগটিতে এ ব্যাপারে বেশ কিছু তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। একজিমা দীর্ঘস্থায়ী ত্বকের রোগ যা ত্বককে শুষ্ক করে চুলকানি, জ্বালাপোড়া প্রদাহ তৈরিতে ভুমিকা রাখে। আজিমার সমস্যায় ত্বকের শুষ্কতা রোধ করে উপসর্গ গুলি কমাতে পারে এমন খাবার খাওয়া বেশ উপকারী। চলুন তাহলে একজিমা হলে কি খাওয়া উচিত এই পর্বে তা জানার চেষ্টা করা যাক।
- আপনার শরীরে একজিমার সমস্যা দেখা দিলে ফল এবং শাকসবজি খাদ্য তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে যে সকল শাকসবজি এবং ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেল সমৃদ্ধ সেগুলো খাদ্য তালিকায় রাখুন। একজিমায় আপনি আপেল, পেয়ারা, পাকা পেঁপে, কলা নাশপাতি, তরমুজ ইত্যাদি খেতে পারেন। শাকসবজির মধ্যে পালং শাক, লাল শাক, ব্রকলি, ফুলকপি, গাজর, শসা খাওয়া উপকারি। যে সকল সবজি তেতো সেগুলো বেশ উপকারী এ সময় শরীরের জন্য। এগুলো ত্বকের প্রদাহ কমিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে।
- একজিমায় প্রদাহ বিরোধী খাবারগুলি খুবই কার্যকারী ভুমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ তৈলাক্ত মাছ, বীজ ও বাদাম সহ উদ্ভিদ তেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড পুষ্টি উপাদানের চাহিদা পূরণে চর্বিযুক্ত সামুদ্রিক মাছ, তিসি বীজ, চিয়া বিজ, আখরোট, সয়া পণ্য খাদ্য তালিকায় পরিমাণ মতো রাখার চেষ্টা করুন। এ সকল খাবার একজিমার চুলকানির তীব্রতা কমিয়ে লালচে ভাব এবং শুষ্কতা কমাতে বেশ উপকারী।
- শরীরে একজিমা হোক কিংবা যে কোন সমস্যার প্রতিরোধ সহ আরোগ্য পেতে পাকস্থলীর কার্যকারিতা সজল রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আপনার একজিমার সমস্যায় হালকা এবং সহজ পচ্য খাবার খাদ্য তালিকায় খাওয়ার অভ্যাস করুন। একজিমা যেহেতু দীর্ঘস্থায়ী ত্বকের রোগ এটি থেকে মুক্তি পেতে দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসায় পুষ্টিকর খাবারের দিকে নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরী। এজন্য খাদ্য তালিকায় ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখুন একই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে ভুলবেন না।
- একজিমার মত ত্বকের চুলকানি ও প্রদাহ জনিত সমস্যা প্রতিরোধে খাদ্য তালিকার নিত্য পণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। আপনি যদি এমন সমস্যায় চর্বিহীন মাংস পরিমাণ মতো খেতে পারেন সেক্ষেত্রে এটি বেশ উপকার মেলাতে পারে। চর্বিহীন মাংসের মধ্যে মুরগির মাংস, চর্বি ছাড়া হাস বা টার্কির মাংস খুবই উপকারী। কেননা এগুলোতে থাকা গ্লাইসিন নামক এমিনো এসিড ত্বকের প্রদাহ কমায়। একই সঙ্গে একজিমার উপসর্গগুলি নিয়ন্ত্রণে রাখে যা আরোগ্য পেতে খুবই কার্যকর।
- ডাল এবং আস্ত শস্যদানা একজিমা প্রতিরোধে ডায়েটে রাখা উপকারি। এগুলোতে এন্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। একজিমায় উপকার মেলাতে ব্রাউন রাইস, মসুর ডাল, চিয়া বীজ, ফ্লাক্সসিড ইত্যাদি খেতে পারেন। মসুর ডাল এবং ছোলা এক কথায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে যার ফলে ত্বকের সুস্থতায় কাজ করতে পারে। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে এমন খাবারের উপসর্গ বাড়িয়ে তুলতে পারে এজন্য প্রাথমিক অবস্থায় সামান্য পরিমাণে খাদ্য তালিকায় রেখে নিশ্চিত হয়ে নিবেন।
- একজিমা হলে কি খাওয়া উচিত এমন খাবারের তালিকায় প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন। আপনি একজিমায় উপকার মেলাতে প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ দই খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন। কেননা এর উপকারী ব্যাকটেরিয়া হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে বেশ কার্যকর। অন্যদিকে কিসমিস, কেফির, গজান সবজি ইত্যাদিতে প্রবায়োটিক রয়েছে। এগুলো খেলেও উপকার মেলানো যেতে পারে। এমন খাবার একজিমার তীব্র চুলকানি কমাতে পারে সঙ্গে ধীরে ধীরে ক্ষতস্থান মেরামতে কাজ করতে পারে।
একজিমা রোগের লক্ষণ কি
একজিমা হলে কি খাওয়া যাবে না একই সঙ্গে কি খাওয়া উপকারী সে সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। একজিমা একটি চর্মরোগ যা এলার্জির আওতাভুক্ত এটা তো এখন আপনার কাছে পরিস্কার। একজিমা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায় তবে যেকোনো বয়সের ব্যক্তিদের শরীরে হতে পারে। একজিমার সমস্যায় ব্যক্তির বয়স ভেদে লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে। চলুন একজিমার মত সমস্যার লক্ষণ গুলির কিছু ধারণা নেয়া যাক।
- একজিমা ত্বকের চুলকানিগত সমস্যা এর ফলে আক্রান্ত স্থানগুলোতে তীব্র চুলকানির দেখা দেয়। একই সঙ্গে লালচে রঙের ছোট ছোট ফুসকুড়ির দেখা মেলার প্রবণতা আসতে পারে। এজিমার সমস্যায় ত্বক শুষ্ক এবং খসখসে করে তোলে একই সঙ্গে আক্রান্ত স্থানে ফাটল ধরার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।
- একজিমার এমন চুলকানি শিশু এবং বয়স্কদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। কেননা একজিমার চুলকানির তিব্রতা দিনের থেকে রাতে বাড়ে। আক্রান্ত স্থানগুলি ধীরে ধীরে পুরো হতে থাকে সঙ্গে আদ্রতা হারিয়ে ত্বকের সংক্রমনের ঝুঁকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
- একজিমার সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে ত্বক মোটা এবং শক্ত হয়ে যেতে পারে। চুলকানির তীব্রতায় চুলকাতে চুলকাতে আক্রান্ত স্থান থেকে রক্ত বের হতে পারে। নখ দিয়ে চুলকালে আক্রান্ত স্থান থেকে পুজ বা পানি বের হয়ে ত্বকের রং পরিবর্তন হয়ে কালচে কিংবা ফ্যাকাসে করে তুলতে পারে।
- শিশুদের ক্ষেত্রে গাল, কপাল, মাথা, হাত ও পায়ে এমন সমস্যার সংক্রমণ বেশি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবং বড়দের ক্ষেত্রে হাত-পা, কোনই, হাটুর পিছনে, ঘাড়ে দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
উপসংহার। একজীমা হলে কি খাওয়া যাবে না, কি উপকারি
একজিমা হলে কি খাওয়া যাবে না কি উপকারী এবং একজিমার বেশ কিছু লক্ষণ উপস্থাপন করা হয়েছে। একজিমার সমস্যায় নির্দিষ্ট ডায়েটে থাকা অত্যন্ত জরুরী। একজিমা একটি দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণাদায়ক ত্বকের সমস্যা এজন্য সঠিক ব্যবস্থা সহ নির্দিষ্ট খাবার খাওয়া এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। একজিমার সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করে আপনার জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটালে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
একজিমার সমস্যা প্রতিরোধে চিকিৎসক আপনাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সহ ওষুধ এবং ব্যবহারিক ক্রিম বা লোশন ব্যবহারে উৎসাহিত করতে পারেন। প্রয়োজনীয় সঠিক ব্যবস্থায় এমন সমস্যা সম্পূর্ণরূপে নিরাময় সম্ভব হতে পারে এজন্য আপনার সতর্কতা অত্যন্ত জরুরী। যাই হোক এতক্ষণ একজিমা হলে কি খাওয়া যাবে না, কি উপকারি এ ব্যাপারে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url