হাত-পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার
হাত পা ঝিমঝিম করা, কখনো আবার অবশ হয়ে যাওয়াকে, চিকিৎসা শাস্ত্রে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি বলে বিবেচনা করা হয়। পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি হল মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড থেকে শরীরের অন্যান্য অংশে যাওয়া পেরিফেরাল স্নায়ুর ক্ষতি। এর ফলে হাত পা ঝিনঝিন করা, অসাড়তা, দুর্বলতা ও ব্যাথা সহ কখনো কখনো আক্রান্ত জায়গায় অবশ হয়ে থাকার মতো অনুভূতি দেখা দিতে পারে।
এটা যদিও খুবই সাধারণ সমস্যা তবে খুবই বিরক্তিকর, যা দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। চলুন তাহলে আজকের আর্টিকেল, হাত পা ঝিমঝিম করা অর্থাৎ পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি সমস্যা দেখা দেওয়ার কারণ সহ, প্রতিকার ও লক্ষণ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
পোস্ট সূচিপত্রঃ হাত-পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার
- হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা দেখা দেওয়ার কারণ
- হাত পা ঝিমঝিম করার লক্ষণ
- হাত পা ঝিমঝিম করার প্রতিকার
- সঠিক অঙ্গভঙ্গি বজায় রাখুনঃ
- প্রয়োজনীয় পুষ্টিক চাহিদা পূরণ করুনঃ
- গরম সেক ও হালকা মালিশ এ সময় উপকারীঃ
- প্রয়োজন মতে ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করুনঃ
- হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা সমাধানে যা এরিয়ে চলা উত্তমঃ
- গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার ক্ষেত্রে করণীয়ঃ
- উপসংহার। হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার
হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা দেখা দেওয়ার কারণ
চিকিৎসকদের মতে, হাত পা ঝিমঝিম করার বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। সাধারণভাবে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব হলে এমন সমস্যার, মোকাবেলা করতে হতে পারে। হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা তীব্র হলে, আক্রান্ত স্থানে জ্বালাপোড়া, তীব্র ব্যথা সহ পিন দিয়ে খোঁচানোর মত লক্ষণ দেখা দিতে পারে। চলুন শরীরে এমন সমস্যার জন্য, হাত-পা ঝিম ঝিম করার কারণ ও প্রতিকার আর্টিকেলটির, কারণ গুলি প্রথমে জানার চেষ্টা করি।
- সাধারণভাবে, শরীরের কোন স্থানের রক্তনালী গুলো সংকুচিত হলে হাত-পা ঝিমঝিম করার মত লক্ষণ দেখা দেয়। এমন সমস্যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে কোন কাজকর্ম করলে দেখা দিতে পারে। শরীরে প্রয়োজনীয় শারীরিক কার্যকলাপের অভাবেও, এমন সমস্যা হতে পারে। এমন সমস্যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পায়ে দেখা দেওয়ার প্রবণতা বেশি।
- শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের অভাব দেখা দিলে, এমন সমস্যার মোকাবেলা করতে হতে পারে। বিশেষ করে ভিটামিন বি১২, ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন বি১, থায়ামিন সহ ভিটামিন ডি পুষ্টির ঘাটতির কারণে এমন প্রভাব পড়তে পারে। আপনার শরীরে অতিরিক্ত ওজন থাকলে, তা নিয়ন্ত্রণের দিকে নজর দিন, তা না হলে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- আপনি যদি অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা সহ উদ্বেগের মধ্য দিয়ে সময় পার করেন, সেক্ষেত্রেও হাত পা ঝিমঝিম অনুভূতি আসতে পারে। অন্যদিকে অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা মধ্যপানের কারণেও, এমন অনুভূতির দেখা মিলতে পারে। কেননা এগুলো স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে, যার ফলে এমন সমস্যার সম্ভাবনা দেখা দেয়।
- শরীরে স্বাস্থ্যগত সমস্যা যেমন দীর্ঘস্থায়ী এবং অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফলে এমন সমস্যা দেখা দেয়। শরীরের রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে, শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পৌঁছয় না ফলে এমন সমস্যা হতে পারে। হঠাৎ করে রক্তচাপ বেড়ে গেলে বা কমে গেলেও, এমন সমস্যার দেখা মেলা অসম্ভব কিছু না।
- আমাদের শরীরে কিডনি বা লিবারের সমস্যা দেখা দিলে, হাত পা ঝিমঝিম করা সহ ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার দেখা দিতে পারে। কেননা শরীরে ক্ষতিকারক বর্জ্য পদার্থ জমলে তা শরীরের বিভিন্ন স্থানে, জমা হয়ে এমন সমস্যার সৃষ্টি করে। অন্যদিকে হাইপোথাইরয়েডিজমের কারনে, স্নায়ুকে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে এমন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
- আপনি যদি আর্থাইটিসের সমস্যার কবলে পড়েন, সেক্ষেত্রে এমন সমস্যা দেখা দেওয়া কমন ব্যাপার। কেননা জয়েন্টের প্রদাহ এবং চাপ, স্নায়ুকে প্রভাবিত করে এবং চাপের সৃষ্টি করে। যার ফলে হাত পা ঝিমঝিম করা সহ বেশ কিছু, লক্ষণ দেখা দিতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ সেবনের ফলেও কোন কোন ক্ষেত্রে এমন সমস্যার মোকাবেলা করতে হতে পারে।
হাত পা ঝিমঝিম করার লক্ষণ
হাত-পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার আর্টিকেলটিতে, ইতিমধ্যে বেশ কিছু কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে। হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা যদিও সাধারণ, তবে এর সঙ্গে বেশ কিছু বিরক্তিকর এবং কষ্টদায়ক লক্ষণ দেখা দিতে পারে। চলুন এখন তাহলে হাত-পা ঝিমঝিম করার লক্ষণ গুলো সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
- হাত পা ঝিমঝিম করার সাধারণ লক্ষণ গুলোর মধ্যে, শরীরে হালকা কাপুনি সহ শিরশির অনুভূতি, হাত পা অবশ হয়ে যাওয়া, অস্বস্তিকর জ্বালাপোড়া পায়ের তালুতে বা হাতে। একই সঙ্গে আক্রান্ত স্থানে অসংখ্য প্রিন ফোটানোর মত যন্ত্রণার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এক কথায় শরীরে খুবই বিরক্তিকর ব্যথার অনুভূতি যা সহজে পিছু ছাড়ে না।
- হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে, হাত পায়ের শক্তি কমে যাওয়া সাথে ঝিনঝিন করা সহ ব্যথার অনুভূতি লক্ষ্য করতে পারেন। হাত-পা ভারি লাগা, সঙ্গে কোন কিছু তোলা বা হাঁটার সময়, ব্যথার লক্ষণ আসতে পারে।
- কোন কোন সময় গুরুতর ক্ষেত্রে, পায়ের বা হাতের কব্জি সহ জয়েন্ট ফুলে যেতে পারে। সামান্য স্পর্শে অস্বস্তি অত্যাধিক ব্যথা অনুভূতি লক্ষণ সহ এ সময় রাতে ঘুমানো বা বিশ্রামের সমস্যা হতে পারে। কেননা এমন সমস্যায় একজন আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যথার প্রবণতা বিশ্রামের সময় বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
- হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা সাধারণ তবুও গুরুতর ক্ষেত্রে ভারসাম্য হারানোর মতো লক্ষণের মোকাবেলা করতে পারে। একই সঙ্গে মাথা ঘোরা, চোখে ঝাপসা দেখা, অতিরিক্ত ক্লান্তি সহ পেশীতে টান বা খিচুনির মত লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
হাত পা ঝিমঝিম করার প্রতিকার
আজকের এই হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার আর্টিকেলটিতে। ইতিমধ্যে হাত-পা ঝিমঝিম করার বেশ কিছু কারণ ও লক্ষণ সম্পর্কে, আলোচনা করা হয়েছে। হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা যদিও সাধারণ, দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তবে টেনশনের কিছু নাই, হাত-পা ঝিমঝিম করার সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। এজন্য এর সঠিক কারণ নির্ণয় করে যথাযথ প্রতিকার বা ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী।
সঠিক অঙ্গভঙ্গি বজায় রাখুনঃ
হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যার সমাধানের জন্য সাধারণ ভাবে সঠিক অঙ্গভঙ্গি বজায় রাখা জরুরী। ভুল অঙ্গভঙ্গি সহ দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে থাকলে বিশেষ করে পায়ের রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়, যার ফলে এমন ঝিনঝিন অনুভূতি আসে। এজন্য সঠিকভাবে মেরুদন্ড সোজা রেখে কাধ শিথিল সহ মেঝেতে পায়ের অবস্থানও সমানভাবে রাখুন।
আপনি যদি দীর্ঘক্ষণ একই স্থানে বসা বা দাঁড়িয়ে থাকার কাজ করেন, অবশ্যই কিছুক্ষণ পর পর বিরতি নিন। প্রয়োজন হলে হালকা হাঁটা চলা করতে পারেন। আপনি যখন কোথাও দাঁড়াবেন তখন দুই পায়ের উপরে সমানভাবে ভর দিন, এমন সমস্যায় এটাও কার্যকরী।
প্রয়োজনীয় পুষ্টিক চাহিদা পূরণ করুনঃ
হাত পা শরীরের যে কোন অংশে ঝিনঝিন করার সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা পূরণ করাও অত্যন্ত জরুরী। এ সময় ভিটামিন বি ১২, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম সহ ভিটামিন বি৯ সমৃদ্ধ পুষ্টি উপাদান অত্যন্ত জরুরী। তাছাড়া এমন সমস্যা সমাধানের জন্য ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার বেশ উপকারী।
এই সকল পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য আপনি,ডিমের কুসুম, মাছ, মাংস, দুধ থেকে তৈরি কৃত খাবার, বাদাম ও শস্যদানা খেতে পারেন। হাত পা ঝিমঝিম করার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা পূরণে, কলা আলু ,পালং শাক, গারো সবুজ শাকসবজি, অ্যাভোকাডো ও বেরি খেতে পারেন। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডের চাহিদা পূরণের জন্য, তৈলাক্ত মাছ ও আখরোট উপকারি প্রভাব ফেলতে পারে।
গরম সেক ও হালকা মালিশ এ সময় উপকারীঃ
হাত পা ঝিমঝিম করার সাধারণ সমস্যার ক্ষেত্রে গরম সেঁক এবং হালকা মালিশ বেশ উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে। কেননা এমন সময়, গরম সেঁক ও হালকা মালিশের ফলে রক্তনালীকে প্রসারিত করে, রক্ত প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে। গরম সেঁক দেওয়ার ফলে, এটা শক্ত পেশী গুলোকে নরম করে আরাম দেয় যার ফলে স্নায়ুর ওপর চাপ কমে।
গরম সেক দেওয়ার জন্য, একটি গরম পানির বোতল বা হিটিং প্যাড ব্যবহার করে কিছু সময় আক্রান্ত স্থানে সেঁক দিন। আপনি চাইলে উষ্ণ গরম পানিতে গোসল করতে পারেন। অন্যদিকে মালিশের ক্ষেত্রে, সামান্য কিছু তেল দিয়ে আক্রান্ত স্থানে আলতো করে মালিশ করুন। আশা করা যায়, সাধারণ সমস্যার ক্ষেত্রে আপনি উপকার পেতে পারেন।
প্রয়োজন মতে ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করুনঃ
শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন মত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম জরুরী। আপনার শরীরে যদি থাকে হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা, তাহলে তো এমন অভ্যাস,আপনার আপন করে নিতে হবে। কেননা হাত-পা ঝমঝিম করার সমস্যায় আপনি যদি প্রয়োজনমতো শারীরিক ব্যায়াম বা পরিশ্রম করেন, তাহলে এটি রক্তে অক্সিজেন ও পুষ্টি সম্পূর্ণরূপে পৌঁছাতে পারে যার ফলে স্নায়ুর কার্যকারিতা উন্নত হয়।
নিয়মিত ব্যায়াম করার ফলে এটি পেশী ও টেন্ডনকে ফিট করে, স্নায়ুর উপরে চাপ কমায়, ব্যায়ামের ফলে শরীরের পেশি শক্তিশালী হয়, একই সঙ্গে নমনীয়তা ও ভারসাম্যতা বজায় থাকে। খেয়াল রাখবেন ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম প্রয়োজনের তুলনায় যেন বেশি না হয়।
আরো পড়ুনঃ শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ তা জানুন এখানে।
হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা সমাধানে যা এরিয়ে চলা উত্তমঃ
হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যার সমাধানে, দৈনন্দিনের খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন সহ জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। এমন সমস্যায় আপনি অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার, অতিরিক্ত চীনযুক্ত খাবার সহ অপপ্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। এই সকল খাবারের মধ্যে আলু চিপস, হিমায়িত খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং ফাস্টফুড অন্যতম।
চিনি যুক্ত যে কোন খাবার, কম খাওয়া খুবই উপকারী। প্রয়োজন হলে প্রাকৃতিক চিনি সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন। তাছাড়া অপপ্রক্রিয়াজাত খাবার যেমন সাদা আটার রুটি সহ পাউরুটির মত খাবার, রক্তে সর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে। ধূমপান সহ অ্যালকোহল সেবনের অভ্যাস থাকলে তা পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি ও প্রয়োজনীয়।
গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার ক্ষেত্রে করণীয়ঃ
আপনার যদি হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা, গুরুতর স্বাস্থ সমস্যার ক্ষেত্রে দেখা দিচ্ছে, এমনটা মনে হয়। সেক্ষেত্রে দ্রুত একজন নিউরোলজিস্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস সহ রক্তচাপ, থাইরয়েড বা আর্থাইটিস সমস্যার ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া সহ জীবন যাত্রায় পরিবর্তন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে কোন ওষুধের দির্ঘস্থায়ী সেবনের ফলে এমনটা হলে, সেক্ষেত্রে ওষুধ সেবন করা বাদ দিন, চিকিৎসকের পরামর্শ এ সময় জরুরী। ডায়াবেটি সহ উচ্চ রক্তচাপ, নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।
উপসংহার। হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার
হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার আর্টিকেলটিতে, হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আপনার যদি এমন সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, ব্যথার তীব্রতা অনেক বেশি এবং বেশ কিছু লক্ষণ অনুভূতি হয়। একই সঙ্গে ঘন ঘন এমন সমস্যার মোকাবেলা করতে হলে, দ্রুত একজন নিউরোলজিস্টের পরামর্শ আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসক আপনার সমস্যার, অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে উৎসাহিত করবেন।
মাথায় রাখবেন, দীর্ঘস্থায়ী হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা, শরীরে দীর্ঘস্থায়ী কোন গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। প্রাথমিক চিকিৎসায় সমাধান না হলে, নিজে থেকে কোন প্রকার ওষুধ সেবন করবেন না, এ ব্যাপারে সর্বদা সতর্ক থাকবেন। আজকের হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার আর্টিকেলটি এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url