শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ
কাশি প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে, এর মধ্যে একটি হল কফ যুক্ত কাশি এবং অন্যটি শুকনো কাশি বা শুষ্ক কাশি বলে পরিচিত। শুকনো কাশি হওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে, তবে এই কাশি দীর্ঘস্থায়ী হলে, শরীরের বড় ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা তৈরি করতে পারে। এজন্য শুকনো কাশির ক্ষেত্রে আমাদের সকলকেই, কাশি হওয়ার সঠিক লক্ষণ এবং কারণ বিবেচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এছাড়াও সাধারন লক্ষণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু, ঘরোয়া প্রতিকারের মাধ্যমে, শুকনো কাশি থেকে মুক্তি মেলানো সম্ভব হতে পারে।
চলুন তাহলে আজকে ব্লগটিতে আমরা জানার চেষ্টা করি শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ, যে কারণেই হতে পারে এবং এর প্রতিকার সম্পর্কে। শুকনো কাশির সমস্যায় আমরা হয়তো, সকলেই কমবেশি পড়েছি। আপনার যদি শুকনো কাশির সমস্যা থেকে থাকে তাহলে ব্লগটি আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে।
পোস্ট সূচিপত্রঃ শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ
- শুকনো কাশিতে যে সকল লক্ষণ দেখা দিতে পারে
- শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ - যে সকল কারণে শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে
- ভাইরাল ইনফেকশন এর কারণেঃ
- এলার্জির সমস্যার কারণেঃ
- পরিবেশ গত কারণেঃ
- শরীরে অ্যাজমার সমস্যা দেখা দিলেঃ
- পেটের অ্যাসিড উপরে উঠে আসলেঃ
- টিবি বা যক্ষা রোগের কারণেঃ
- সাইনাসের সমস্যার কারণেঃ
- শুকনো কাশি দেখা দিলে করনীয়
- উপসংহার। শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ
শুকনো কাশিতে যে সকল লক্ষণ দেখা দিতে পারে
শুকনো কাশি বা শুষ্ক কাশির ক্ষেত্রে, গলা শুস্ক থাকে এবং কোন প্রকার শ্লেষ্মা তৈরি হয় না। শুকনো কাশি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার ফলে, যদি রক্ত মিশ্রিত শ্লেষ্মা বের হয়, এজন্য কোন ক্ষেত্রে যক্ষা বা ফুসফুসের ক্যান্সারের মত রোগের লক্ষণও হতে পারে। শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ আর্টিকেলটি শুরুতেই আমরা, শুকনো বা শুষ্ক কাশির ক্ষেত্রে যে সকল লক্ষণ অনুভব হতে পারে সে সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব।
- শুকনো কাশি হওয়ার সবথেকে অন্যতম সাধারণ লক্ষণ হল, কাশির সাথে কোন প্রকার শ্লেষ্মা বের না হওয়া। শুকনো বা শুষ্ক কাশির ক্ষেত্রে, গলা এবং শ্লেষ্মা শুকিয়ে থাকে, এটাকে আপনি সবচেয়ে প্রধান বৈশিষ্ট্য বলে বিবেচনা করতে পারেন।
- গলায় অস্বস্তি বা চুলকানির মতন সমস্যা ও অনুভব হওয়া সাধারণ ব্যাপার। শুকনো কাশির ক্ষেত্রে গলায় অস্বস্তি বা চুলকানি দেখা দেওয়া সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে অন্যতম।
- শুকনো কাশির সমস্যা কারো দেখা দিলে, রাতের বেলায় এই কাশির পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। রাতের এই শুকনো কাশির ফলে দেখা দেয়, শরীরের ঘুমের অভাব যার ফলে শারীরিক ক্লান্তি ও দুর্বলতার দেখা মিলতে পারে।
- যেকোনো কাশির ক্ষেত্রেই গলা ব্যথা দেখা দেওয়া কমন ব্যাপার। তবে শুকনো কাশির ক্ষেত্রে গলা ব্যথার সাথে কণ্ঠস্বর কর্কশ হয়ে যাওয়ার মতো প্রবণতাও দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গ অতিরিক্ত কাশির ফলে বুকের পেশিতে ব্যথাও অনুভব হতে পারে।
- শুকনো কাশির ক্ষেত্রে শরীরের জ্বর দেখা দেওয়া সাধারন ব্যাপার। এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী কাশির ফলে অনেকের শ্বাসকষ্টের মত সমস্যাও দেখা দেয়। গলা ঘন ঘন শুকিয়ে যাওয়ার মত প্রবণতারও দেখা মিলতে পারে।
শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ - যে সকল কারণে শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে
আজকের ব্লগটির মূল বিষয় শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ এ ব্যাপারে। শরীরে শুকনো কাশি হলে যে সকল, লক্ষণ অনুভব হতে পারে সেগুলো সম্পর্কে ইতিমধ্যেই পোস্টটিতে বলা হয়েছে। তবে শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ অর্থাৎ যে সকল কারণে শুকনো কাশি দেখা দেয়, সেগুলোও আমাদের জানা প্রয়োজন।
ব্লগটির শুরুতেই বলা হয়েছিল শুকনো কাশি যে কোন কারনে দেখা দিতে পারে। চলুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে, শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ - যে সকল কারণে শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে সেগুলো সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
ভাইরাল ইনফেকশন এর কারণেঃ
ভাইরাল ইনফেকশন অর্থাৎ ভাইরাস জনিত সংক্রমণের কারণে শুকনো কাশির দেখা মেলা অসম্ভব কিছু না। কেননা শরীরে ভাইরাল ইনফেকশন যেমন, ঠান্ডা, জ্বর এবং ফলু দেখা দিলে, শ্বাসনালীতে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। যার ফলে এই শুকনো কাশির দেখা মেলে।
এই ধরনের শুকনো কাশি সাধারণত গলা ব্যথা বা গলায় জ্বালাপোড়ার সৃষ্টিও করতে পারে। ভাইরাল সংক্রমণের ফলে যে শুষ্ক কাশির সৃষ্টি হয় তা, সংক্রমণ কমে যাওয়ার পরও দীর্ঘদিন ধরে, মোকাবেলা করতে হতে পারে।
এলার্জির সমস্যার কারণেঃ
আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যাদের, ধুলোবালি, পশু পাখির লোম সহ এলার্জেনের সংস্পর্শে আসলে, শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে। কেননা এলার্জির প্রতিক্রিয়া ফলে আমাদের শ্বাসনালীতে প্রদাহ এবং জ্বালাপোড়া সৃষ্টি হয়। যার ফলে দেখা দেয় দীর্ঘস্থায়ী শুকনো কাশির মতো সমস্যা।
এই সমস্যা সাধারণত ধুলোবালি, পশুর লোম, পরাগরেনু এবং ছত্রাকের মতো সাধারণ এলার্জেন থেকে হতে পারে। এলার্জি সমস্যা হলে শুষ্ক কাশির সাথে, নাক বন্ধ থাকা, নাক দিয়ে হালকা পানি পড়া, হাছি এবং চোখ চুলকানোর সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
পরিবেশ গত কারণেঃ
নোংরা অপরিষ্কার পরিবেশ, ধুলোবালি, বায়ু দূষণ এবং ঋতু পরিবর্তনের ফলেও দেখা দিতে পারে শুকনো বা শুষ্ক কাশি। ছয় ঋতুর এই দেশে বর্তমানে শীতের সময় খুব কাছেই চলে এসেছে। শীতের এই ঠান্ডা পরিবেশের কারণে এ সময় অনেকের মধ্যে এই শুকনো কাশির দেখা দিতে পারে।
পরিবেশগত পরিস্থিতি, অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসনালীতে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, যা শুষ্ক কাশি তৈরিতে ভূমিকা রাখে। পরিবেশগত পরিবেশ ঠান্ডা হওয়া প্রাকৃতিক নিয়মে চলে, এছাড়া নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং সুন্দর পরিবেশে রাখা জরুরী।
শরীরে অ্যাজমার সমস্যা দেখা দিলেঃ
শুকনো বা শুষ্ক কাশি দেখা দেওয়ার, সব থেকে সাধারণ লক্ষণ বা কারণ হলো এজমা। অ্যাজমার সমস্যার শরীরে শুকনো কাশির পাশাপাশি, শ্বাসকষ্ট ও দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে বুকের ভেতরটা শক্ত এবং চাপা মনে হতে পারে। এ সময় শ্বাস ছাড়া বা নেওয়ার সময়, বাসির মতো শব্দ হাওয়া সাধারণ ব্যাপার।
আরো পড়ুনঃ টিবি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানুন।
পরিবেশ দূষণ, ধূমপান ও ঠান্ডা পরিবেশে আসলে অনেকের অ্যাজমার সমস্যা দেখা দিতে পারে। অ্যাজমার সমস্যা দেখা দিলে ক্লান্তি ও দুর্বলতাও দেখা দেওয়া কমন ব্যাপার।
পেটের অ্যাসিড উপরে উঠে আসলেঃ
পেটের এসিড উপরে উঠে আসলে, অনেক সময় অনেকের শুষ্ক বা শুকনো কাশি হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। এই সমস্যা হয় সাধারণত পেটের হজম ক্ষমতা দুর্বল হয়ে, এসিড উপরের দিকে উঠে আসলে। এই অবস্থাকে বলা হয় অ্যাসিড রিফ্লাক্স।
পাকস্থলীর এই এসিড খাদ্যনালীতে উঠে এসে জ্বালা এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে, যার ফলে এই শুকনো কাশি এবং অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়। এ সময় হালকা শুস্ক কাশির সঙ্গে বুকে জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর, খাবার খেলতে অসুবিধা হওয়ার সহ গলায় খুসখুসে ভাব অনুভব হতে পারে।
টিবি বা যক্ষা রোগের কারণেঃ
টিভি বা যক্ষা রোগের ক্ষেত্রে হওয়া কাশি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। যক্ষা রোগির শুকনো কাশির পাশাপাশি, বুকে ব্যথা, রাতে শরীরে ঘাম হওয়া, ক্লান্তি সহ শরীরের ওজনও কমে যেতে পারে। যক্ষা বা টিভি রোগে হাওয়া কাশি অন্যান্য কাশি তুলনায় ভিন্ন।
যক্ষা রোগের কারণে অনেক সময়, শুকনো কাশির সঙ্গে অনেকের রক্ত মিশ্রিত শ্লেষ্মাও বের হতে পারে। এটা খুবই গুরুতর এবং, এ ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা ও জরুরী। যক্ষার কাশি শুকনো হলেও অনেক সময় কফ যুক্তও হতে পারে।
সাইনাসের সমস্যার কারণেঃ
সাইনাসের সমস্যা ফলে, দুই ধরনের কাশীর দেখা অনেকেরই মিলতে পারে। তবে যদি সাইনাসের সমস্যায় শুকনো কাশির প্রবনতা দেখা দেয়, তাহলে এই সময় নাকের শ্লেষ্মা বা তরল গলায় নেমে আসে এবং গলা খুসখুস অনুভব হতে পারে। সাইনাসের সমস্যার এই জ্বালা পোড়া ও কাশি তৈরির প্রক্রিয়াটি হল, পোস্ট নাসাল ট্রিপ।
এছাড়াও এমন কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ রয়েছে যেগুলোর কারণে শুকনো কাশির দেখা মিলতে পারে। অন্যদিকে কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণেও, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে দীর্ঘস্থায়ী শুকনো কাশির দেখা দিতে পারে।
শুকনো কাশি দেখা দিলে করনীয়
শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ, ব্লগটিতে ইতিমধ্যে বেশ কিছু শুকনো কাশির লক্ষণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। শুকনো কাশির দেখা মিললে, তা যত দ্রুত সম্ভব সমাধানে আনার চেষ্টা করা জরুরী। এজন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলে প্রাথমিক অবস্থায় এর সমাধান করা সম্ভব। চলুন তাহলে, শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ ব্লগটিতে এখন জানার চেষ্টা করি শুকনো কাশির দেখা দিলে করনীয় কি সে সম্পর্কে।
আরো পড়ুনঃ ঠান্ডা লাগলে কি খাওয়া উচিত? সে ব্যাপারে জানুন।
- প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার কাশি দেখা দিলে,লবণ এবং গরম পানি দিয়ে গার্গল করতে পারেন। কাশি শুকনো হোক কিংবা শ্লেষ্মা যুক্ত, দুটোতেই লবণ এবং গরম পানি দিয়ে গার্গল করলে উপকার পাওয়া যায়। একই সঙ্গে উষ্ণ গরম পানি পান করুন এটাও শুকনো কাশির ক্ষেত্রে উপকারী।
- আদা চা ও তুলসী চা উপকারী হতে পারে কেননা, এসব উপাদানে এন্টি ইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা কাশি ও গলা ব্যথা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, এবং গলার প্রদাহ কমাতেও ভুমিকা রাখে।
- মধু, লেবু ও উষ্ণ পানি সমন্বয়ে, উষ্ণ পানিও তৈরি করে শুকনো কাশির ক্ষেত্রে খাওয়া যেতে পারে। এই উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে গলার জালা ও কাশি অনেকটাই কমে যেতে পারে। তবে আপনার যদি ডায়াবেটিসে সমস্যা থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপরে, উপকরণটি খেতে পারেন।
- পরিপাশের পরিবেশের কারণে যদি আপনার, ঠান্ডা লেগে শুকনো কাশির দেখা মেলে। তাহলে অবশ্যই শরীরে ঠান্ডা লাগানো থেকে দূরে থাকুন। একই সঙ্গে নিজেকে যথেষ্ট পরিমাণে উস্ন রাখার চেষ্টা করুন।
- ধুলাবালি ধোয়া এড়িয়ে চলুন, শুকনো কাশি বা কাশি যদি আপনার এলার্জির সমস্যার ফলে হয়। তাহলে অবশ্যই ধুলোবালি, ধোয়া সহ অপরিষ্কার পরিবেশ, ত্যাগ করুন। আপনার ঘরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করুন।
- গরম দুধ এবং তার ভেতর হালকা হলুদ মিশিয়ে এই মিশ্রণও খেতে পারেন। আপনি চাইলে বাম্প নিতে পারেন, ঘরে ইউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন।
- ধূমপান এবং বায়ু দূষণ সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলতে হবে, এগুলো কাশির সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল গরম স্যুপ খেতে পারেন,এটাও খুবই উপকারি।
- আপনার যদি কাশি্র সমস্যা ঠান্ডার সমস্যার কারণে হয় তাহলে গোসলের সময়ও, উষ্ণ গরম পানি দিয়ে গোসল করুন। এটা ঠান্ডা কাশি থেকে মুক্তি মেলাতে পারে।
উপসংহার। শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ
শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ আর্টিকেলটিতে, ইতিমধ্যে শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ, শুকনো কাশি দেখা দিলে যে সকল লক্ষণ অনুভব হয়, এবং এর করণীয় সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী শুকনো কাশি হলে, শরীরে বড় ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। এজন্য আপনার কাশি যদি, তিন সপ্তাহের বেশি হয় একই সঙ্গে প্রচন্ড জ্বর, মাথাব্যথা সহ রক্ত মিশ্রিত শ্লেষ্মা বের হয় সেক্ষেত্রে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।
কেননা শারীরিক সমস্যা যতই ছোট হোক না কেন, দীর্ঘস্থায়ী হলে শরীরের অন্যান্য স্বাস্থগত সমস্যার তৈরি করতে পারে। তাছাড়া শুকনো কাশি খুবই বিরক্তিকর। যাই হোক, নিজের সুস্বাস্থ্যের দিকে সবসময় নিজেরই খেয়াল রাখা উচিত । শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ আর্টিকেলটি এতক্ষন মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
(খোদা হাফেজ)



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url