কি খেলে মাথা ঘোরা কমবে, মাথা ঘোরা কমানোর উপায়

শারীরিক সমস্যার মধ্যে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে, যেগুলোর কারণে মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে চিকিৎসকদের মতে মাথা, ঘোরানোর দুইটি কারণ এর মধ্যে একটি হলো ট্রু ভার্টিগো এবং অপরটি হল, ফলস ভার্টিগো। আমরা অনেক সময় অনেকে মাথা ঘুরানো সমস্যাটাকে, হালকা ভাবে নিয়ে থাকি। আমাদের অবশ্যই জানা উচিত, মাথা ঘুরানোর গুরুতর ও স্বাস্থ্যগত বেশ কিছু কারণও রয়েছে। আমাদের মধ্যে কারো মাথা ঘোরানো সমস্যা থাকলে, এটাকে অবশ্যই সমাধানে আনা উচিত।

মাথা

আজকের আর্টিকেল টিতে আপনাদের সাথে, কি খেলে মাথা ঘোরা কমবে, মাথা ঘোরা কমানোর উপায় সম্পর্কে, আলোচনা করার চেষ্টা করব। আমরা অনেকেই হয়ত্‌ এই মাথা ঘোরানোর সমস্যায় কমবেশি পড়েছি। কথা না বাড়িয়ে চলুন জানা যাক, মাথা ঘোরানোর সমস্যা হওয়ার কারণগুলি এবং এর প্রতিকার সম্পর্কে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ কি খেলে মাথা ঘোরা কমবে, মাথা ঘোরা কমানোর উপায়

মাথা ঘুরানোর বেশ কিছু লক্ষণ 

মাথা ঘোরার সমস্যা বেশ কিছু কারণে হতে পারে তার উপরে বলা হয়েছিল। শরীরে মাথা ঘুরানোর সমস্যা দেখা দিলে, বেশ কিছু লক্ষণ অনুভূতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যখন কারো মাথা ঘোরে, তখন মনে হয়, তার চারপাশে সব কিছু ঘুরছে। শারীরিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে, দাঁড়িয়ে থাকলে কোন ব্যক্তি মাটিতে লুটিয়ে পড়তে পারে। এই সমস্যার সঙ্গে, কোন কোন সময় বমি বমি ভাব এবং বমিও হতে পারে।

মাথা ঘুরানোর কারণে চোখে ঝাপসা দেখা, এটাও খুব সাধারন একটা ব্যাপার, এছাড়াও শারীরিক দুর্বলতা এবং অতিরিক্ত ক্লান্তির মত সমস্যাও শরীরে দেখা দেয়। মাথা আমাদের শরীরের সবথেকে, গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আমাদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি অতিরিক্ত করে মাথার যত্ন নেওয়া জরুরী। কেননা আমাদের শরীরের সকল কার্যক্রম, আমাদের মগজের ধারা পরিচালিত হয়।

মাথা ঘোরানোর বেশকিছু কারণ সম্পর্কে জানা যাক 

আর্টিকেল টিতে ইতিমধ্যেই উপরে মাথা ঘুরানোর বেশ কিছু লক্ষণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। মাথা ঘুরানোর, বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। মাথা ঘুরানো্‌ এই সকল কারণগুলি চিকিৎসকদের মতে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়, এর একটি হল ট্রু ভার্টিগো এবং অপরটি ফলস ভার্টিগো। চলুন তাহলে, মাথা ঘুরানোর এ কারণগুলি সম্পর্কে জানা যাক। 

সাধারন কারন ফলস ভার্টিগোঃ

মাথা ঘুরানোর কারণগুলির মধ্যে যেগুলো খুবই সাধারণ কারণ,সেগুল হল ফলস ভার্টিগো। এই সকল কারণগুলি দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনে, চাইলে এর সমাধান করা সম্ভব হতে পারে, এই সকল কারণগুলির মধ্যে রয়েছে।

মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তঃ

মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার ফলে, মাথা ঘোরানোর মতন এবং মাথা ব্যথার মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। মানসিক চাপ ও চিন্তার ফলে, যে মাথা ঘোরা হয় এর কারণে, একজন মানুষ স্থির থাকা অবস্থায্, মনে হতে পারে তার চারিপাশ ঘুরছে, কোথাও হাঁটতে গেলে বা কোন ছোটখাটো কাজকর্ম করতে গেলে, মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার মত সমস্যা হয়। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও হতাশা, আমাদের কারো শরীরের জন্যই ভালো নয়। এজন্য সব সময় মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবেন। 

নিম্ন রক্তচাপ বা রক্তচাপ কমে যাওয়াঃ

নিম্ন রক্তচাপ বা রক্তচাপ কমে গেলে সাধারণত শরীরের মাথাব্যথা, মাথার পেছনে ব্যথা এবং মাথা ঘোরার মত সমস্যা দেখা দেওয়া সম্ভাবনা থাকে। রক্তচাপ কমে যাওয়ার কারণে যে মাথা ঘোড়ার সমস্যা হয় তাকে হাইপোটেকশনও বলা হয়। নিম্ন রক্তচাপের কারণে তৈরিকৃত মাথা ঘোরানোর লক্ষণ গুলি হল, দীর্ঘ মেয়াদে মাথা ঝিমঝিম করা, কোথাও কতক্ষণ বসে থাকলে উঠে দাঁড়ানোর পরে নিজের ভারসাম্য হারানো। এছাড়াও শরীরের রক্তচাপ কমে গেলে, আমাদের কিডনি এবং হৃদপিন্ডের মতো জায়গায় রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়, যার কারণে, এই মাথা ঘোরার সৃষ্টি হয়। 

পানি শূন্যতা ও রক্তের শর্করার অভাবঃ 

রক্তে সর্কারার অভাব দেখা দিলে, মাথা ঘোরার মত সমস্যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ কারণ। আমাদের কারো শরীরে পানি সুন্যতা দেখা দিলে, রক্ত সঞ্চলে সমস্যা হয় যা নিম্ন রক্তচাপ তৈরি করে। নিম্ন রক্তচাপের কারণে, মাথা ব্যথা হয়, তা ইতিমধ্যে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও রক্তে সর্করার অভাব দেখা দিলে, মাথা ঘোরার সমস্যার সম্ভাবনা রয়েছে।

রক্তে সর্করার অভাব পূরণের জন্য আমাদের অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার খাওয়া প্রয়োজন। কেননা, শরীরের চাহিদা অনুযায়ী খাবার না খেলে, শরীরে দুর্বলতা দেখা দেয় যার কারণে মাথা ঘোরার মত সমস্যা হয়। 

অতিরিক্ত পরিশ্রম ও ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াঃ 

অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে আমাদের শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে, যার কারনে পানি শূন্যতার অভাব  দেখা দেয়। এজন্য কোন কোন ক্ষেত্রে মাথা ঘোরার মত সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এছাড়াও এমন কিছু ঔষধ রয়েছে যেগুলো সেবনের কারণে মাথা ঘোরা বা মাথা ব্যথার মতন সমস্যা দেখা দেয়।

আরো পড়ুনঃ মাথার পেছনে ব্যাথা হওয়ার কারন জানুন। 


আপনার মাথা ঘোরার কারণ যদি কোন ওষুধ হয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, তারপরে ওষুধ সেবন করবেন। শারীরিক পরিশ্রম অতিরিক্ত পরিমাণে করা থেকেও বিরত থাকুন, একজন মানুষের পরিশ্রমের পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন। 

স্বাস্থ্যগত কারণ বা ট্রু ভার্টিগো

মাথা ঘুরানোর বেশ কিছু সাধারণ কারণে ইতিমধ্যে আলোচনা করা হয়েছে। এই সকল কারণে মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দিলে, প্রাথমিক চিকিৎসা, এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব হতে পারে।

মাথা

এছাড়াও মাথা ঘুরানোর যে আরও একটি কারণ রয়েছে, স্বাস্থ্যগত কারণ বা ট্রু ভার্টিগো, মানুষের মস্তিষ্কের বেশ কিছু গুরুতর সমস্যা দেখা দিলে, এই ধরনের মাথা ঘুরানো সমস্যা হয়। চলুন এখন তাহলে মাথা ঘোরানোর, গুরুতর ও স্বাস্থ্যগত কারণগুলো সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। 

মস্তিষ্কে স্ট্রোকের সমস্যাঃ

মস্তিষ্কের স্ট্রোকের সমস্যা থাকলে মাথা ঘোরার মতন সমস্যা দেখা দেওয়া, গুরুতর কারণ এর মধ্যে খুবই সাধারণ। এছাড়াও যদি কারো মস্তিষ্কের স্ট্রোকের সমস্যা হয়ে থাকে, তাহলে এই সমস্যায় মাথা ঘোরার পাশাপাশি, বমি বমি ভাব সহ বমি হওয়া এবং প্রায়ই শরীরের ভারসাম হারিয়ে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার সমস্যার কবলে পড়তে হয়। মস্তিষ্কে সমস্যায় শুধু মাথা ঘোরাই নয়, তীব্র মাথা ব্যথা, হাঁটাচলায় অসুবিধা হওয়ার মত সমস্যা দেখা দাও খুবই কমন ব্যাপার। 

মস্তিষ্কে টিউমারের সমস্যা থাকলেঃ

কারো যদি মস্তিষ্কে টিউমারের সমস্যা থাকে তাহলে, এই সমস্যা মস্তিষ্কে ভারসাম্য রক্ষার কেন্দ্র কে প্রভাবিত করে। এক্ষেত্রে মাথার টিউমার কোন অংশে আছে এটার উপর, মাথা ঘোরার সমস্যা বেশিভাগ নির্ভর করে। আমাদের কারো মাথায় টিউমার থাকলে চোখে ঝাপসা দেখা, কথা বলতে অসুবিধা হওয়া, মাথায় প্রচন্ড ব্যথা, দুর্বলতা ও অস্বস্তির সৃষ্টি হতে পারে। এই টিউমারের মধ্যে সেরিবেলা নামক এক ধরনের, টিউমার রয়েছে যা মাথা ঘোরা এবং বমি বমি ভাব সৃষ্টি করতে পারে। 

মস্তিষ্কের সংক্রমণ দেখা দিলেঃ

মস্তিষ্কের যেকোনো সংক্রমণ দেখা দিলে, যেমন সর্দি, কাশি ইত্যাদি সংক্রমণ থেকে মাথা ঘোরার মত সমস্যা বা মাথাব্যথা হতে পারে। এই সকল সংক্রমণের সমস্যা কানের ভেতরের ভেস্টিভুলার স্নায়ুতে প্রদাহের সৃষ্টি করে। এছাড়াও ভার্টিগোর মতো কোনো সংক্রমণ মস্তিষ্কে দেখা দিলে, প্রাথমিক অবস্থায় মাথা ঘোরার মত সমস্যা দেখা দেয়।

উপরে মস্তিষ্কের দুটি মাথা ঘোড়ার কারণের,  ব্যাপারে ইতিমধ্যেই আলোচনা করা হয়েছে। এ সকল কারণ, মাথা ঘুরানোর খুবই গুরুতর কারণ। আমাদের মধ্যে কারো এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে, দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। 

চোখ এবং কানের সমস্যাঃ

চোখ এবং কানের যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে, মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দিতে পারে। চোখ এবং কান এই দুটি অংঙ্গ, আমাদের মাথার কার্যক্রমে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পূর্ব থেকে কারো চোখে ঝাপসা দেখার সমস্যা, পুষ্টির অভাবে চোখের যে কোন সমস্যা দেখা দিলে, মাথা ঘোরা খুবই সাধারণ ব্যাপার।

এছাড়াও কানের সমস্যা যেমন কানের ভিতরে পানি যাওয়া, কানে পুচ হওয়া, কানে কম শোনার সমস্যা থাকলে, কানে যদি কোন প্রকার ইনফেকশন হয় এবং কানের প্রদাহ দেখা দিলে মাথা ঘোরা দেখা দিতে পারে। মাথায় এবং চোখের সমস্যার কারণে অনেক সময়, বমি হওয়ার মতন সমস্যার সম্ভাবনা রয়েছে। 

শরীরে ভিটামিনের অভাব দেখা দেওয়াঃ

আমরা সকলে হয়তো জানি, মাথা ব্যথা বা মাথায় ব্যাথা জনিত সমস্যা দেখা দেওয়ার, একটি অন্যতম কারণ শরীরে ভিটামিনের অভাব দেখা দেওয়া। সাধারণত ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে মাথা ঘোরা পা মাথাব্যথা সমস্যা দেখা দেয়। শুধু মাথার জন্যই নয় আমাদের শারীরিক সুস্থতার জন্য, ভিটামিন অত্যন্ত প্রয়োজন। শরীরে পুষ্টি জনিত সমস্যা দেখা দিলে, মাথা সহ শারীরিক যে কোন সমস্যার সম্মুখীন হওয়া লাগতে পারে।

কি খেলে মাথা ঘোরা কমবে, মাথা ঘোরা কমানোর উপায় 

আজকের আর্টিকেল টির মূল বিষয়, কি খেলে মাথা ঘোরা কমবে, মাথা ঘোরা কমানোর উপায় সম্পর্কে। আর্টিকেল টির উপরে আমরা ইতিমধ্যে মাথা ঘোরার বেশ কিছু কারণ সম্পর্কে জানতে পেরেছি। মাথা আমাদের সকলেরই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা থেকে শারীরিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এজন্য মাথায় সমস্যা সমাধান করা আমাদের প্রত্যেকেই, প্রয়োজন। চলুন তাহলে জানা যাক, মাথা ঘোরা কমানোর উপায় সম্পর্কে। 

পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুনঃ

পানি আমাদের প্রত্যেকেরই বেচে থাকার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করা জরুরী। ঠিক তেমনি মাথা স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য, মাথার ডি হাইড্রেশন রক্ষা করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা জরুরি। শরীরে পানি শূন্যতা দেখা দিলে মাথা ঘোরার সমস্যা হয়, তা আর্টিকেল টির উপর বলা হয়েছে। তাছাড়াও পানি আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে। এজন্য সুস্থ, সুন্দর জীবন যাপনের ক্ষেত্রে, পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। 

নিয়মিত পরিমাণ মতো খাবার খাওয়াঃ 

মাথা ঘোরার সমস্যায় রক্তে সরকরার অভাব দেখা দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমরা যদি নিয়মিত,পর্যাপ্ত পরিমানে খাবার না খাই তাহলে রক্তে সরকারের অভাব দেখা দেয়, যা মাথা ঘোরার সাধারণ কারণ গুলোর মধ্যে অন্যতম। আমরা সকলেই জানি ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দেয়। এজন্য রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি এবং পুষ্টির ঘাটতি পূরণে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার খাওয়া সকলেরই উচিত। 

অন্যান্য কিছু খাবারঃ

উপরে উল্লেখিত খাবার গুলোর পাশাপাশি, মাথা ঘোরার সমস্যা সমাধানে পটাশিয়ামযুক্ত খাবার, যেমন কলা এবং অ্যাভোকাডো খাওয়া যেতে পারে। রক্তে শর্করা মাত্রা বৃদ্ধি করার জন্য আস্ত শস্য দানা, বাদামি চাল এবং ওটসের মত খাবার ও ওমেগা থ্রি ফাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার যেমন, স্যামন মাছ ও আখরোট খাওয়া যেতে পারে।

আরো পড়ুনঃ অতিরিক্ত বিশ্রামের কারনে ,মাইগ্রেন দেখা দিতে পারে।


এছাড়াও মাথা ঘোরার পাশাপাশি বমি বমি ভাব দেখা দিলে আদা খেতে পারেন। কেননা আধা, মাথা ঘোরা এবং বমি ভাব দূর করতে সাহায্য করে থাকে। আপনি চাইলে, সাধারণ সমস্যায়, মাথা ঘোরার বা মাথা ব্যাথার প্রথম ডোজের ওষুধ খেয়ে দেখতে পারেন।

মাথা ঘোরার সমস্যা যে সকল খাবার এড়িয়ে চলা উচিতঃ

কি খেলে মাথা ঘোরা কমবে, মাথা ঘোরা কমানোর জন্য বেশ কিছু খাবারের কথা, ইতিমধ্যে তুলে ধরা হয়েছে। এই সকল খাবারের পাশাপাশি বেশ কিছু খাবার রয়েছে সেগুলো মাথা ঘোড়ার সমস্যা হলে এড়িয়ে চলা উচিত। এই সকল খাবারের মধ্যে উচ্চ কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার, অতিরিক্ত চিনি যুক্ত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

মাথা

তাছারা মাথা ঘোরার সমস্যা থাকলে অ্যালকহল ও ক্যাফেইন যুক্ত খাবার খাওয়া থেকেও বিরত থাকা উচিত। অ্যালকোহল বা মধ্যপান  আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতি করে তা আমরা সকলেই হয়তো জানি।

মাথা ঘোরার সমস্যা কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি  

  • মাথা আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ তা সকলেই জানি। তবে এই মাথায় যদি মাথা ব্যথা এবং মাথা ঘোরানোর সমস্যা ঘন ঘন দেখা যায়, ঘরোয়া ভাবে প্রতিকার সম্বব না হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। 
  • শরীরে যদি হঠাৎ করে প্রচন্ড ভাবে মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দেয়, ব্যথার পরিমাণ যদি কোন অবস্থাতেই নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, তাহলে এটা গুরুতর লক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এছাড়া যদি ঘোরার সাথে বমি হয় এক্ষেত্রে দ্রুত যে পরামর্শ, নেওয়া জরুরি। 
  • ক্রমাগত মাথা ঘোরার কারণে যদি, শরীরের দুর্বলতা দেখা দেয়, চোখে ঝাপসা দেখার মতন সমস্যা সৃষ্টি হয়। এজন্য এই সমস্যার সঠিক নির্ণয় করে, চিকিৎসা নেওয়া প্রয়জন। এই সকল সমস্যায় ঘরোয়া প্রতিকারের পাশাপাশি একজন সাধারন চিকিৎসকের পারামর্স নেওয়া উচিত।
  • এছাড়াও অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় মাথা ঘোরার সাথে সাথে, শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায় অনেকে। এ সকল সমস্যায় যানরা পড়েছেন, এবং এখনো পড়ছেন, তাদের জন্য এই সমস্যার সমাধান জরুরী।
  • সর্বোপরি সবথেকে বড় কথা হল, মাথার সাথে সম্পৃক্ত যে কোন সমস্যার জন্য, মাথা ঘুরানো কমানোর ঘরোয়া প্রতিকারের পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নেওয়ার চেষ্টা করবেন। শরীর দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার জন্য, আমাদের মাথাকে সুস্থ রাখাও অত্যন্ত জরুরি। 

উপসংহার। কি খেলে  মাথা ঘোরা কমবে, মাথা ঘোরা কমানোর উপায়

কি খেলে মাথা ঘোরা কমবে এই আর্টিকেল টিতে মাথা ঘোরার সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। মাথা আমাদের সকলের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ তারা সকলেই জানি। আমাদের মধ্যে কারো যদি মাথা ঘোরার মত সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে প্রাথমিক ঘরোয়া পদ্বতি, মেনে এর প্রতিকার করার চেষ্টা করবেন। আমাদের দৈনন্দিনের কাজকর্মের পাশাপাশি, শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়াও কিন্তু জরুরী, এটা মাথায় রাখা উচিত।

আপনার নিজের সুস্থতা বজায় রাখার জন্য, আপনাকে অবশ্যই সমস্থ শরীরকে সুস্থ রাখতে হবে। যাই হোক অনেক কথা বলে ফেললাম, আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এই আর্টিকেলটি যদি ভালো লেগে থাকে, চাইলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিতে পারেন।

                               (খোদা হাফেজ) 

 





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url