বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট - বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট এবং বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি সহ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সম্পর্কিত নানান তথ্য জানুন এই ব্লগে। বর্তমান সময়ে বিকাশ দ্রুত, সহজ এবং নিরাপদ অর্থ আদান-প্রাদানের এক অনন্য ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা।
তবে ব্যবসায়ীদের জন্য বিকাশ তাদের সেবায় চালু করেছে মার্চেন্ট একাউন্ট সিস্টেম। চলুন ব্লগটিতে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট এবং বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি সহ মার্চেন্ট একাউন্ট সম্পর্কিত নানান তথ্য সম্পর্কে জেনে নিন।
পোস্ট সূচিপত্রঃ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট - বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট চার্জ
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট লিমিট
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সেন্ড মানি লিমিট
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সেন্ড মানি চার্জ
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট চার্জ
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর অসুবিধা
- উপসংহার। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট - বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট
যদি টাকার প্রয়োজন হয় কোন বন্ধুর কাছে ফোন দিয়ে বলছেন বিকাশে কিছু টাকা পাঠা। আপনার সেই বন্ধুটি খুব সহজে মাত্র দু-এক মিনিটের মধ্যে তার ফোন থেকে আপনার ফোনে সহজে টাকা পাঠাচ্ছে। আপনি হয়তো ভুলে গেছেন কিছুদিন আগে যখন বিকাশ ছিল না তখন কোথাও টাকা আদান-প্রদান কতটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার ছিল। বর্তমান সময়ের বিকাশ বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চল থেকে শুরু করে সকল জায়গায় টাকা লেনদেন অনেক সহজ করে দিয়েছে।
এছাড়াও বর্তমানে ব্যবসায়ীদের জন্য করেছে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর ব্যবস্থা। বিশ্বের অনেক ধনী দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় কোন বিক্রিত পন্য বা সেবার মূল্য পরিশোধের জন্য নগদ অর্থের প্রয়োজন হয় না। ঠিক তেমনি ছোট বড় ব্যবসায়ী, মুদি দোকান, সুপার শপ, ই-কমার্স উদ্যোক্তা ইত্যাদি ব্যবসায়ীদের জন্য বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট নগদ অর্থ ছাড়া বিকাশে পেমেন্ট করার সুবিধা করে দিয়েছে। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর মাধ্যমে একজন ব্যবসায়ী তার বিক্রিত পন্যের সঠিক মূল্য ক্রেতার কাছ থেকে খুব সহজে ঝামেলা ছারাই নিতে পারছে।
অনেকে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট সম্পর্কে জানতে চান। আপনার জানা প্রয়োজন বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবসায়ীদের জন্য এর প্রকৃত অর্থে কোন লিমিট নাই। এক কথায় বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর লেনদেনের কোন লিমিট নেই। একজন ক্রেতার কাছ থেকে সর্বনিম্ন ১ টাকা থেকে অধিক পরিমাণে পেমেন্ট নেওয়ার সুবিধা রয়েছে। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যাবসায়ীদের জন্য লেনদেন বাতিল করার সুবিধাও দিয়ে থাকে।
তবে অনেক সময় বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর লিমিট ব্যবসার ধরন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। ছোট বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় দৈনিক লেনদেন নির্ধারণ করা থাকতে পারে ৩০ হাজার টাকা। এই লিমিট সর্বোচ্চ মাসে ৫ লক্ষ থেকে ৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ হতে পারে। বড় ব্যবসা এবং সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানে মূলত বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর লিমিট থাকে না। যত খুশি তত পেমেন্ট নিতে পারবেন যদি আপনার মার্চেন্ট একাউন্ট টি বড় ব্যবসা টাইপ হয়।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট সম্পর্কে ইতিমধ্যে জেনেছেন। ব্লগের এই পর্বে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি এমন তথ্য সম্পর্কে তুলে ধরা হবে। ধরুন আপনি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আপনার দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রচুর ক্রেতা পণ্য ক্রয় করে। অধিক ক্রেতার কাছ থেকে নগদ অর্থ আদান প্রদান অনেকটা ঝামেলার বললেই চলে। সেখানে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবসায়ীদের জন্য ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে খুব দ্রুত এবং সহজ ভাবে বিক্রিত পণ্যের অর্থ লেনদেনের সুবিধা করেছে।
আরো সহজ ভাবে বলতে গেলে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট একজন ক্রেতার কাছ থেকে ঝামেলা ছাড়াই কিউ আর (QR) কোড কিংবা সরাসরি অ্যাপের মাধ্যমে পন্যের সঠিক অর্থ বুঝে নেওয়ার ডিজিটাল পদ্ধতি। এখানে আপনি শুধু পণ্যটি বিক্রি করবেন এবং মূল্যটি ক্রেতার ফোনের বিকাশ অ্যাপ বা অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে আপনার বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টে বুঝে নিতে পারবেন। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যাবসায়ীদের জন্য নগদ অর্থ আদান-প্রদানের ঝামেলা থেকে অনেকটাই স্বস্তি মিলায় এবং ব্যবসাকে সহজ করে তোলে।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট চার্জ
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট চার্জ সম্পর্কে জানার অনুসন্ধান করেন অনেকে। ব্যবসায়ীদের ব্যবসার সম্প্রসারণ বাড়াতে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট বর্তমান সময়ে অনন্য ভূমিকা রাখছে। তবে একজন ব্যবসায়ীর চাইলেই যে কোন সময় বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট থেকে ক্যাশ আউট করতে পারবে না। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে ক্যাশ আউট করার জন্য ব্যাংক কিংবা বিকাশ এজেন্ট এর সাহায্য নিতে হয়। বিকাশ তাদের মার্চেন্ট একাউন্ট এর ক্যাশ আউট চার্জ নিয়ে থাকে শতকরা ১.৭০%। অর্থাৎ প্রতি হাজারে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট চার্জ ১৭ টাকা।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এবং বিকাশ একাউন্ট এর ক্যাশ আউট চার্জের সামান্য তম ব্যবধান রয়েছে। কেননা বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট ক্যাশ আউট চার্জ সাধারণত শতকরা ১.৮৫% হয়ে থাকে। অর্থাৎ প্রতি এক হাজারে মোট খরচ পরে ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। ব্যবসায়ীদের বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট চার্জ বিকাশ একাউন্ট এর থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা কম লাগে। তবে আপনার ব্যবসায়ের লেনদেনের উপর ভিত্তি করে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর ক্যাশ আউট চার্জ পরবর্তীতে আরো কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট লিমিট
ইতিমধ্যে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট চার্জ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দেওয়া হয়েছে। ব্লগের এই পর্বে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট লিমিট সম্পর্কিত তথ্য তুলে ধরা হবে। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট তৈরি করে ব্যবসার সুযোগ রয়েছে শুধুমাত্র ব্যবসায়ীদের। আপনার যদি একটি বড় সুপার শপ থাকে এবং সেখানে পণ্যের বিক্রিত অর্থ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের মাধ্যমে নেওয়া হয়। ধরুন একদিনে আপনার বিক্রি প্রায় কয়েক লাখ টাকা। এখানে যদি আপনার টাকা উত্তোলনের লিমিট থাকে তাহলে তো ব্যবসায় আর শান্তি নাই।
এজন্য ব্যবসায়ী ভেদে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট লিমিট নেই। আপনি যত খুশি তত টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। তবে যে সকল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবহার করে বিক্রিত অর্থ পেমেন্ট করার ডিজিটাল সুযোগ করেছে তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তরুণ একজন ছোট মুদি দোকানের ক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ত্রিশ হাজার টাকা উত্তোলন করলে তাকে ১০ হাজার টাকা করে ৩ বারে উত্তোলন করতে হয়। এখানে মূল কথা হল বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী ভেবে কিছুটা নির্দেশিকা রয়েছে।
আরো পড়ুনঃ টিকটক মনিটাইজেশন চালু করার উপায় সম্পর্কে জানুন।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সেন্ড মানি লিমিট
ব্যবসায়ীদের জন্য দ্রুত ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা দিয়ে থাকে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট। অনেকেই বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট সেন্ড মানি লিমিট কত এমন অনুসন্ধান করেন। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সেন্ড মানি বলতে নির্দিষ্ট ক্রেতার কাছ থেকে পেমেন্ট গ্রহণের লিমিটকে বোঝায়। ধরুন আপনি একজন পার্সোনাল বিকাশ একাউন্ট ব্যবহারকারী। আপনি একটি সুপার শপ থেকে কিছু পণ্য কিনলেন যেখানে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর মাধ্যমে পেমেন্ট করার সুযোগ রয়েছে।
এখানে বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট থেকে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টে পন্য বা সেবার অর্থ প্রদানের লিমিট থাকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা। এক কথায় একদিনে পার্সোনাল বিকাশ একাউন্ট থেকে মার্চেন্ট একাউন্টে সেন্ট মানি লিমিট মোট ১০,০০০ টাকা। অন্যদিকে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট থেকে মার্চেন্ট একাউন্টে সেন্ট মানি লিমিট থাকে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা। এবং সারাদিনে মার্চেন্ট টু মার্চেন্ট একাউন্টে মোট লেনদেন করতে পারবেন ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সেন্ড মানি চার্জ
বিকাশ মার্সেন্ট একাউন্ট সেন্ড মানি চার্জ বলতে কোন চার্জ প্রয়োজন হয় না। আপনি হয়তো নাও জানতে পারেন বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টে সেন্ড মানি করার কোন অপশন থাকে না। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট শুধুমাত্র ব্যবসায়ীদের বিক্রিত পণ্যের টাকা গ্রহণ করার জন্য। তবে আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে টাকা কিভাবে উত্তোলন করবেন। তবে টেনশনের কিছু নেই বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে ক্যাশ আউট অপশন এবং আপনার ব্যাংক একাউন্ট কিংবা পার্সোনাল বিকাশ একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করতে পারেন।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে প্রতি হাজারে চার্জ হতে পারে সাধারণত ১৩ টাকা ৯০ পয়সা। আপনার মার্চেন্ট একাউন্ট এর বিক্রিত অর্থ বিকাশ এজেন্ট কর্তৃক উত্তোলনে চার্জ লাগে ১৪ টাকা ৯০ পয়সা। মার্চেন্ট একাউন্ট ও মার্চেন্ট একাউন্ট অর্থ আদান-প্রদানের চার্জ নেয় ১৩ টাকা ৫০ পয়সা। বিকাশ কর্তৃপক্ষ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের অর্থ আদান-প্রদানের বিকাশ এজেন্ট, ক্যাশ আউট কিংবা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমের উপর ভিত্তি করে চার্জ নিয়ে থাকে।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট চার্জ
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট চার্জ সম্পর্কে অনুসন্ধান করেন অনেকে। ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর মূলত কোন প্রকার চার্জ প্রযোজ্য নয়। তবে মার্চেন্ট একাউন্ট এর ক্ষেত্রে ক্রেতার কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার সময় সাধারণত কিছুটা চার্জ প্রযোজ্য। মার্চেন্ট একাউন্টের পেমেন্ট নেওয়ার ধরন অনুযায়ী এই চার্জ নেওয়া হয়ে থাকে। ধরুন আপনি অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে ক্রেতার কাছ থেকে পন্যের মূল্য নিলে প্রায় ২% চার্জ নিতে পারে।
এছাড়াও কিউ আর কোড এর মাধ্যমে বিক্রিত পণ্যের অর্থ আসলে চার্জ ১% থেকে ১.৭৫% পর্যন্ত নিতে পারে। এছাড়াও আপনার অর্থ উত্তোলনের সময় চার্জ প্রযোজ্য হয় তা হয়তো আপনি জানেন। তবে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর এই লেনদেন চার্জ মূলত ব্যবসায়ীর ধরন বা বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর ধরন অনুযায়ী কিছুটা কম বেশি হয়। এখানে সম্পূর্ণ আপনার অ্যাকাউন্ট এবং লেনদেন পরিচালনার খরচ লেনদেন অনুযায়ী নেওয়া হয়।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা
ব্যবসায়ীদের জন্য বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবসা কে করেছে আরো সহজ এবং নিরাপদ। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা সম্পর্কে অনেকেই জানতে চান। ব্যবসায়ীদের জন্য বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টে রয়েছে বেশ কয়েকটি সুবিধা। এগুলোর মধ্যে প্রথমে রয়েছে আপনার একটি পার্সোনাল বিকাশ একাউন্ট থাকলে একই এনআইডি কার্ড থেকে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টে কয়েকটি উপায়ে যেমন সরাসরি অ্যাপের মাধ্যমে পেমেন্ট, কিউ আর কোড ধারা পেমেন্ট সহ ভিসা কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
কোন কাস্টমারের বিকাশ পার্সেন্ট একাউন্টে পেমেন্ট করার জন্য বাড়তি খরচ প্রযোজ্য নয়। কাস্টমার এর জন্যও ক্রয়কৃত পণ্যের অর্থ প্রধান সম্পন্ন বিনামূল্যে। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টে লেনদেনের কোন প্রকার লিমিট থাকে না। কম খরচে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা যায় যা সম্পূর্ণ ঝামেলাহীন। মার্চেন্ট একাউন্টে লেনদেনের সকল তথ্য অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী দেখতে পারবে। সঙ্গে মার্চেন্ট অ্যাপ থেকে কোন লেনদেন বাতিল করারও সুযোগ রয়েছে। পার্সোনাল বিকাশ একাউন্ট থেকে মার্চেন্ট একাউন্টে এই সকল বাড়তি সুবিধা পেয়ে যাবেন।
আরো পড়ুনঃ ফ্রি ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স ইন বাংলাদেশ-ডিজিটাল মার্কেটিং কি?
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর অসুবিধা
ইতিমধ্যে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর কয়েকটি সুবিধা সম্পর্কে জেনেছেন। এই পর্বে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের কয়টি অসুবিধা সম্পর্কে জেনে নিন। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর যেমন সুবিধা রয়েছে ঠিক অসুবিধাও রয়েছে। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অসুবিধা হলো ক্রেতার কাছ থেকে বিক্রিত পণ্যের অর্থ নিতে একটি চার্জ দিতে হয়। সকল ব্যবসায়ী মার্চেন্ট একাউন্ট এর নির্দেশিকা মেনে অর্থ আদান-প্রদানে ঝামেলা মনে করেন। কয়দিন পরপর লেনদেন সংক্রান্ত নানান তথ্য আপডেট করার প্রয়োজন পড়ে যা অনেকের কাছেই ঝামেলার।
ছোটখাটো যে সকল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে লেনদেনের বেশ কিছু নির্দেশিকা মানতে হয়। অনেক সময়ের ছোটখাটো ব্যবসায়ীরা বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাপ ব্যবহারে হিমশিম খায় যা লেনদেনে বড় ধরনের ঝামেলার সৃষ্টি করে। যেহেতু বিকাশ বাংলাদেশে প্রায় সাত কোটি মানুষের সঙ্গে জড়িয়ে আছে । যার ফলে কাস্টমার কেয়ার থেকে অনেক সময় ভালো সাপোর্ট পাওয়া যায় না। এক কথায় বিকাশ মার্সেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার জন্য আপনাকে ডিজিটালাইজেশনের ধারণাও রাখতে হবে।
উপসংহার। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট - বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি
ব্লগটিতে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট, বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি, বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট চার্জ, ক্যাশ আউট লিমিট, বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সেন্ড মানি লিমিট এবং সেন্ড মানি চার্জ সম্পর্কিত নানান তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট চার্জ, বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা এবং অসুবিধা সম্পর্কে বেশ তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের জন্য বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট নিশ্চিন্তে এবং নিরাপদ লেনদেনের নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে।
তবে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর মাধ্যমে ব্যবসা করার জন্য আপনাকে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সকল নিয়ম কানুন এবং নিয়ম নিতি জেনে ব্যবহার করতে হবে। যাইহোক এতক্ষণ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সম্পর্কিত সকল তথ্য শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।



ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url