বাংলাদেশ থেকে জর্ডান কত কিলোমিটার - জর্ডান যাওয়ার উপায়

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান কত কিলোমিটার এবং বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার উপায় সম্পর্কিত কিছু তথ্য জানুন ব্লগের এই পর্বে। জর্ডান এশিয়া মহাদেশের দেশ এটি মূলত দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত। 

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে ওয়ার্ক পারমিট টুরিস্ট কিংবা স্টুডেন্ট ভিসায় জর্ডান যাওয়া যায়। চলুন তাহলে এই ব্লগটিতে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান এর দূরত্ব যাওয়ার উপায় সহ বেশ কিছু তথ্য সম্পর্কে জেনে নিন। 

পোস্ট সূচিপত্রঃ বাংলাদেশ থেকে জর্ডান কত কিলোমিটার - জর্ডান যাওয়ার উপায়

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান কত কিলোমিটার 

জর্ডান দেশটি মূলত দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ। জর্ডান দেশটির আশপাশে বেশ কয়েকটি দেশ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উত্তরে সিরিয়া, উত্তর পূর্বে ইরাক, পূর্ব ও দক্ষিণে সৌদি আরব এবং পশ্চিমে ইসরাইল এবং ফিলিস্তিন অবস্থিত। অন্যদিকে বাংলাদেশের এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত। বাংলাদেশের আশপাশে ভারত, মিয়ানমার এবং বঙ্গোপসাগর রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান কত কিলোমিটার এমন তথ্যের অনুসন্ধান অনেকেই করেন। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার জন্য আকাশ পথে দূরত্ব হতে পারে প্রায় ৫,৩৬৯ কিলোমিটার। 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডানের এই দূরত্ব মূলত বাংলাদেশের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জর্ডানের রাজধানী আম্মানের কুইন আলিয়া বিমানবন্দর পর্যন্ত। অন্যদিকে আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে জর্ডানের দূরত্ব সড়ক পথের হিসাব করেন তাহলে দূরত্ব হতে পারে ৭,০০০ কিলোমিটারের চেয়েও কিছুটা বেশি। সড়ক পথে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য এবং জটিল কাজ। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার সবচেয়ে অন্যতম উপায় হল আকাশ পথ ব্যবহার করা। 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার উপায় 

ব্লগটিতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান এর দূরত্ব সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে। ব্লগের এই পর্বে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানুন। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার ভিসা সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকতে হবে। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, টুরিস্ট ভিসা এবং স্টুডেন্ট ভিসায় যাওয়া যায়। ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যাওয়ার জন্য অবশ্যই জর্ডানের কোন কোম্পানির অফার লেটার প্রয়োজন। আপনি চাইলে বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে চাকরির সুযোগ নিয়ে জর্ডান যেতে পারেন। 

সাধারণত সরকারিভাবে গার্মেন্টস খাতে জর্ডান বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মীর নিয়ে থাকে। সরকারি ভাবে বোয়েসেল ওয়েবসাইটে জর্ডানের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কর্মী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এজন্য বোয়েসেল ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আবেদনের জন্য ভিজিট করুন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পেলেই আবেদন করুন পরবর্তীতে আপনি সিলেক্টেড হয়ে গেলে আপনার দক্ষতার প্রমাণ নেওয়া হবে। আপনি যদি দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে খুব অল্প খরচে জর্ডান যেতে পারবেন। যেখানে থাকা খাওয়া সহ যাওয়ার যাবতীয় সকল খরচ কোম্পানি বহন করে। 

এছাড়াও টুরিস্ট ভিসায় বাংলাদেশ থেকে জর্ডানের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য অনেকেই যেয়ে থাকে। সাধারণত টুরিস্টদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় নিরাপদ এবং ঐতিহাসিক সমৃদ্ধ দেশ জর্ডান। এছাড়াও বাংলাদেশ থেকে খুব অল্প পরিমানে শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার জন্য জর্ডান যায় চাইলে স্টুডেন্ট ভিসায় আপনি যেতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান টুরিস্ট বা স্টুডেন্ট ভিসায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একত্রিত করে ই-ভিসার আবেদন করতে হবে। পরবর্তীতে ভিসা প্রসেসিং সম্পন্ন হয়ে গেলে আপনি খুব সহজেই বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যেতে পারবেন। 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যেতে কত সময় লাগে 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যেতে কত সময় লাগে এমন তথ্য জানুন ব্লগের এই পর্বে। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান এর দূরত্ব এবং যাওয়ার উপায় সম্পর্কে তো জেনেছেন। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার জন্য সরাসরি জর্ডানিয়ান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছিল। তবে বর্তমান সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিবেশের কারণে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা হয় না। এছাড়াও বেশ কিছু এয়ারলাইন্স যেমন এয়ার আরাবিয়া, কাতার এয়ারওয়েজ, ফ্লাই দুবাই, গালফ এয়ার, এমিরেটস ইত্যাদি কানেক্টিং ফ্লাইটের মাধ্যমে যাত্রীসেবা দেয়। 

সাধারণত বাংলাদেশ থেকে জর্ডানের দূরত্ব আতিক্রম করতে সরাসরি ফ্লাইটে সময় লাগে প্রায় ৯ ঘণ্টা থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত। যেহেতু বর্তমানে সরাসরি ফ্লাইটের কোন উপায় নেই এজন্য কানেক্টিং ফ্লাইট এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যেতে ১২ ঘন্টা থেকে ১৫ ঘণ্টা বা এর বেশি সময় লাগতে পারে। সাধারণত কানেক্টিং ফ্লাইট এর সময় যাত্রা বিরতির উপর নির্ভর করে। বাংলাদেশ থেকে কানেক্টিং ফ্লাইট এর মাধ্যমে জর্ডান যাওয়ার জন্য প্রথমে ঢাকা থেকে কাতারের দোহা, দুবাইয়ের আবুধাবি এবং কুয়েতের বিমানবন্দরে যাত্রা বিরতি নিয়ে পরবর্তীতে জর্ডানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান বিমান ভাড়া কত 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান কত কিলোমিটার, যাওয়ার উপায় এবং কত সময় লাগবে এমন তথ্য ইতিমধ্যে তুলে ধরা হয়েছে। ব্লকের এই পর্বে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান বিমান ভাড়া কত এমন তথ্য জানুন। বাংলাদেশ থেকে বেশ কিছু বিমান জর্ডান পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনা করে। এগুলোর মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজ, ফ্লাই দুবাই, এয়ার এরাবিয়া এবং রয়েল জর্ডানিয়ন বেশ উল্লেখযোগ্য। উল্লেখিত বিমান গুলোর মধ্যে রয়্যাল জর্ডানিয়ান সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করে। তবে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতার কারণে কানেক্টিং ফ্লাইট একমাত্র উপায়। 

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশ থেকে সাইপ্রাস কত কিলোমিটার-সাইপ্রাস যাওয়ার নিয়ম

বাংলাদেশ থেকে উপরোক্ত বিমান গুলোতে জর্ডান যাওয়ার জন্য একমুখী যাত্রায় বিমান ভাড়া হতে পারে সর্বনিম্ন ৪৫,০০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭০,০০০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে রাউন্ড ট্রিপ অর্থাৎ যাওয়া আসার টিকিট কাটা হলে সর্বনিম্ন ১ লক্ষ টাকা থেকে এক ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। সাধারণত বিমান ভাড়া বিমান ভেদে এবং যাত্রার সময় অনুযায়ী কম বেশি হতে পারে। তবে আপনি যদি যাওয়ার ২ থেকে ৩ মাস আগে টিকিট কাটেন সেক্ষেত্রে ভাড়া কিছুটা সাশ্রয়ী হতে পারে। 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যেতে কত টাকা লাগে 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান কত কিলোমিটার, যাওয়ার উপায়, যেতে কত সময় লাগে এবং বিমান ভাড়া উল্লেখ করা হয়েছে। ব্লগটিতে এই পর্বে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যেতে কত টাকা লাগে এমন তথ্য জানুন। সাধারণত বাংলাদেশ থেকে জর্ডান আপনি সরকারি ভাবে যাবেন নাকি বেসরকারি ভাবে যাবেন এর উপর ভিত্তি করে খরচ হয়ে থাকে। আপনি যদি বোয়েছেল এর মাধ্যমে কাজের সুযোগ নিয়ে যেতে পারেন তাহলে খরচ খুবই কম। বোয়েছেল এর মাধ্যমে সর্বনিম্ন ৬৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা খরচের মধ্যে জর্ডান যেতে পারেন। 

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান সরকারিভাবে গার্মেন্টস কর্মী নিয়ে থাকে। অন্যদিকে আপনি যদি বেসরকারি ভাবে কারো কাছ থেকে ভিসা নিয়ে যেতে চান সেক্ষেত্রে খরচ হতে পারে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা থেকে ৪ লক্ষ টাকা বা এর চেয়ে বেশি। অন্যদিকে স্টুডেন্ট ভিসা কিংবা টুরিস্ট ভিসায় বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার জন্য খরচ সাধারণত ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার খরচ প্রতিনিয়তই পরিবর্তনশীল। আপনি যদি যেতে চান তাহলে অবশ্যই আগে জর্ডানের এম্বাসি থেকে সঠিক খরচ এর হিসাব জেনে নেওয়া উপযুক্ত। 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান ওয়ার্ক পারমিট ভিসা 

বাংলাদেশ থেকে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় জর্ডান প্রতিবছর অনেকেই যায়। সাধারণত জর্ডানে গার্মেন্টস বা পোশাকশিল্পে কর্মীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য সেবা খাত, তথ্য প্রযুক্তি এবং পর্যটন খাতে ও কৃষি কাজের এবং সাধারন কর্মির চাহিদা রয়েছে। ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে সরকারিভাবে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান খুব অল্প খরচে যাওয়া সম্ভব। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান ওরার্ক পারমিট ভিসায় যাওয়ার জন্য বেশ কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন। নিচে জর্ডান ওয়ার্ক পারমিট ভিসার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে বলা হলে। 

  • সর্বপ্রথম অবশ্যই আপনার একটি বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে যার মেয়াদ অন্তত ছয় মাস থাকা আবশ্যক। 
  • জর্ডান যে কোম্পানিতে আপনি চাকরি করবেন সেখানকার অবশ্যই কাজের চুক্তিপত্র থাকতে হবে। এছাড়াও নিয়োগ কর্তার শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে কাজের অনুমতি পত্র প্রয়োজন। 
  • আপনার ন্যাশনাল এনআইডি কার্ডের ফটোকপি একই সঙ্গে পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রয়োজন। পাসপোর্ট সাইজের ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা রাখা ভালো। 
  • আপনি কাজে দক্ষ কিনা তার প্রমাণপত্র একই সঙ্গে মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট যদি প্রয়োজন হয়। একই সঙ্গে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট থাকা অত্যন্ত অবশ্যক।

উপরে উল্লেখিত কাগজপত্র গুলো একত্রিত করে বাংলাদেশ থেকে জর্ডানের ওয়ার্ক পারমিট ভিসার আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশে জর্ডানের ভিসা প্রসেসিংয়ের নির্দিষ্ট কোন দূতাবাস নেই। এজন্য অনলাইনে ই-ভিসার মাধ্যমে আবেদন করা যায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন এজেন্সি রয়েছে যারা অনলাইনে ই-ভিসার মাধ্যমে জর্ডানের ভিসা প্রসেসিং করে থাকে। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ হল সরকারি মাধ্যম। তবে খেয়াল রাখবেন দালাল এবং ভুয়া কোন এজেন্সি থেকে সব সময় সাবধান থাকা জরুরি। 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান টুরিস্ট ভিসা 

জর্ডান এশিয়া মহাদেশের মধ্যপ্রাচ্যের একটি মুসলিম প্রধান দেশ। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের টুরিস্টদের জন্য এই দেশটি অত্যন্ত নিরাপদ এবং সৌন্দর্যপূর্ণ। সাধারণত জর্ডানের প্রাচীন শহর, ওয়াদি রামের মরুভূমি এবং মৃত সাগর এর মত দর্শনীয় স্থানগুলো বিশ্ব বিখ্যাত। এছাড়াও এখানকার স্কুবা ডাইভিং খুব জনপ্রিয় অনেকের কাছে।  বাংলাদেশ থেকে জর্ডান অনেকেই এমন সৌন্দর্য উপভোগের উদ্দেশ্যে যায়। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান টুরিস্ট ভিসায় যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যে সকল কাগজপত্র লাগে সেগুলো হলো। 

অবশ্যই আপনার ৬ মাস মেয়াদী পাসপোর্ট থাকতে হবে। পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং এনআইডি কার্ডের ফটোকপি থাকা জরুরি। আপনার ভ্রমণের যাত্রা সুন্দর করার জন্য হোটেল বুকিং এবং বিমানের টিকিট এর প্রমাণপত্র থাকতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাংক স্টেটমেন্ট অর্থাৎ খরচ বহনের সক্ষম কিনা এর প্রমাণপত্র। এ সকল কাগজপত্র একত্রিত করে অনলাইনে ই-ভিসার মাধ্যমে আবেদন করুন। সাধারণত জর্ডানে একজন টুরিস্ট সর্বোচ্চ ৩০ দিন থাকার অনুমতি পায়। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান টুরিস্ট ভিসায় আপনি কোন কাজ করতে পারবেন না সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান ফ্রী ভিসা 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান কত কিলোমিটার, যাওয়ার উপায়, বিমান ভাড়া, যেতে কত সময় লাগে এবং যেতে কত টাকা লাগে এমন সব তথ্য ইতিমধ্যেই জেনেছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান ওয়ার্ক পারমিট ভিসা এবং টুরিস্ট ভিসা সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এই পর্বে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান ফ্রি ভিসা সংক্রান্ত কিছু তথ্য জানুন। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান ফ্রি ভিসায় মূলত গার্মেন্টস কর্মীদের যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত সরকারিভাবে অর্থাৎ বোয়েছেল এর মাধ্যমে আপনি যদি আবেদন করেন এবং সিলেক্টেড হয়ে যান সেক্ষেত্রে ফ্রী ভিসায় যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। 

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশ থেকে মরিশাস কত কিলোমিটার-বিমান ভাড়া কত জানুন।

বোয়েছেল এর মাধ্যমে গার্মেন্টস কর্মী হিসেবে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ায় বেশ সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। কেননা সরকারি মাধ্যমে খুব সামান্য খরচ সর্বনিম্ন ৬৫০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। একই সঙ্গে সরকারি মাধ্যমে ওয়ার্ক পারমিট প্রদত্ত প্রতিষ্ঠান আপনার থাকা, খাওয়া, যাতায়াত এবং বিমান ভাড়া সম্পূর্ণ ফ্রিতে করে দিবে। সরকারিভাবে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান ফ্রিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে উপরোক্ত ৬৫০ টাকা খরচ মূলত আবেদন ফি। তবে মাথায় রাখবেন ফ্রিতে নেওয়ার জন্য কোন প্রকার প্রতারক চক্রের ফাঁদে পা না দেন। সম্পূর্ণরূপে সরকারি বোয়েছেলের মাধ্যমে আবেদন করুন এটা সম্পূর্ন নিরাপদ। 

জর্ডান ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্যই আপনার কাছে এখন পরিষ্কার। অনেকেই বাংলাদেশ এবং জর্ডানের টাকার পার্থক্যের তারতম্য জানতে চায়। অনেকে তো আবার অনুসন্ধান করেন জর্ডান এক টাকা বাংলাদেশের কত টাকা এমন তথ্য সম্পর্কে। আসলে প্রতিটা দেশের টাকার মানের সময় ভেদে কিছুটা তারতম্য হতে পারে। ব্লগের এই পর্বে জর্ডান এবং বাংলাদেশের টাকা কিছু পার্থক্য তালিকা ভুক্ত করা হলো। 

বাংলাদেশ

ক্রমিক নং জর্ডানীয় দিনার বাংলাদেশি টাকা
১ দিনার ১৭২.৬৩ টাকা
১০ দিনার ১৭২৬.৩ টাকা
৫০ দিনার ৮৬৩১.৫ টাকা
১০০ দিনার ১৭২৬৩ টাকা
৫০০ দিনার ৮৬,৩১৫ টাকা
১০০০ দিনার ১,৭২,৬৩০ টাক

উপসংহার। বাংলাদেশ থেকে জর্ডান কত কিলোমিটার - জর্ডান যাওয়ার উপায় 

বাংলাদেশ থেকে জর্ডান কত কিলোমিটার, বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার উপায়, বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যেতে কত টাকা লাগে, বিমান ভাড়া কত এবং কত সময় লাগে ইত্যাদি তথ্য এই ব্লগটিতে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে জর্ডান ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, টুরিস্ট ভিসা এবং ফ্রি ভিসা সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। সাধারণত পোশাক শিল্পে অর্থাৎ গার্মেন্টস কর্মীদের বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার প্রতি বছরই ফ্রিতে সুযোগ থাকে। 

অনেকেই আবার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য বাংলাদেশ থেকে জর্ডান যাওয়ার বেশ কিছু তথ্যের  অনুসন্ধান করেন। আপনাদের অনুসন্ধানকৃত এই ব্লগটিতে উপরোক্ত তথ্য গুলি যদি প্রয়োজনীয় মনে হয় তাহলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিতে পারেন। একই সঙ্গে এতক্ষণ মনোযোগ সহকারে ব্লগটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করুন! কারন,প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url